حٰمٓ ۟ۚ
হা-মীম।
Consultation · 53 ayahs
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۟
حٰمٓ ۟ۚ
হা-মীম।
عٓسٓقٓ ۟
‘আইন-সীন- কাফ।
كَذٰلِكَ یُوْحِیْۤ اِلَیْكَ وَاِلَی الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِكَ ۙ— اللّٰهُ الْعَزِیْزُ الْحَكِیْمُ ۟
এভাবেই মহাপরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় আল্লাহ তোমার প্রতি এবং তোমার পূর্ববর্তী (নবী-রাসূল)-দের প্রতিও ওহি নাযিল করেন।
لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الْاَرْضِ ؕ— وَهُوَ الْعَلِیُّ الْعَظِیْمُ ۟
আসমানসমূহে যা কিছু আছে এবং জমিনে যা কিছু আছে সব তাঁরই। তিনি (সত্ত্বায় ও মর্যাদায়) সুউচ্চ, সুমহান।
تَكَادُ السَّمٰوٰتُ یَتَفَطَّرْنَ مِنْ فَوْقِهِنَّ وَالْمَلٰٓىِٕكَةُ یُسَبِّحُوْنَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَیَسْتَغْفِرُوْنَ لِمَنْ فِی الْاَرْضِ ؕ— اَلَاۤ اِنَّ اللّٰهَ هُوَ الْغَفُوْرُ الرَّحِیْمُ ۟
(আল্লাহর ভয়ে) ওপর থেকে আসমান ফেটে পড়ার উপক্রম হয়; আর ফিরিশতারা তাদের রবের প্রশংসায় তাসবীহ পাঠ করেন এবং জমিনে যারা আছে তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। জেনে রেখো, নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
وَالَّذِیْنَ اتَّخَذُوْا مِنْ دُوْنِهٖۤ اَوْلِیَآءَ اللّٰهُ حَفِیْظٌ عَلَیْهِمْ ۖؗ— وَمَاۤ اَنْتَ عَلَیْهِمْ بِوَكِیْلٍ ۟
আর যারা আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে, আল্লাহ তাদের (কর্মকাণ্ডের) প্রতি সম্যক দৃষ্টিদাতা(১) এবং হে রাসূল! তুমি তাদের কর্মবিধায়ক নও।
وَكَذٰلِكَ اَوْحَیْنَاۤ اِلَیْكَ قُرْاٰنًا عَرَبِیًّا لِّتُنْذِرَ اُمَّ الْقُرٰی وَمَنْ حَوْلَهَا وَتُنْذِرَ یَوْمَ الْجَمْعِ لَا رَیْبَ فِیْهِ ؕ— فَرِیْقٌ فِی الْجَنَّةِ وَفَرِیْقٌ فِی السَّعِیْرِ ۟
আর (২) এভাবেই আমি তোমার প্রতি আরবী ভাষায় আল-কুরআন নাযিল করেছি, যাতে তুমি মক্কা ও তার আশপাশের বসবাসকারীদেরকে সতর্ক করতে পারো। আর যাতে তুমি মহাসমাবেশের দিনের ব্যাপারে সতর্ক করতে পারো, যে দিনের ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই, (সে দিনের বিচারে) একদল থাকবে জান্নাতে এবং আরেক দল থাকবে জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুনে।
وَلَوْ شَآءَ اللّٰهُ لَجَعَلَهُمْ اُمَّةً وَّاحِدَةً وَّلٰكِنْ یُّدْخِلُ مَنْ یَّشَآءُ فِیْ رَحْمَتِهٖ ؕ— وَالظّٰلِمُوْنَ مَا لَهُمْ مِّنْ وَّلِیٍّ وَّلَا نَصِیْرٍ ۟
আর আল্লাহ ইচ্ছে করলে তাদেরকে একই উম্মত করতে পারতেন; কিন্তু (সেটা না করে) তিনি যাকে ইচ্ছে তাকে স্বীয় রহমতে প্রবেশ করান। আর যালিমদের কোন অভিভাবক নেই, কোন সাহায্যকারীও নেই।
اَمِ اتَّخَذُوْا مِنْ دُوْنِهٖۤ اَوْلِیَآءَ ۚ— فَاللّٰهُ هُوَ الْوَلِیُّ وَهُوَ یُحْیِ الْمَوْتٰی ؗ— وَهُوَ عَلٰی كُلِّ شَیْءٍ قَدِیْرٌ ۟۠
তারা কি আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যদেরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করেছে? অথচ আল্লাহই হলেন প্রকৃত অভিভাবক; তিনিই মৃতকে জীবিত করেন। আর তিনি সকল বিষয়েই ক্ষমতাবান।
وَمَا اخْتَلَفْتُمْ فِیْهِ مِنْ شَیْءٍ فَحُكْمُهٗۤ اِلَی اللّٰهِ ؕ— ذٰلِكُمُ اللّٰهُ رَبِّیْ عَلَیْهِ تَوَكَّلْتُ ۖۗ— وَاِلَیْهِ اُنِیْبُ ۟
হে মানুষ! তোমরা যে বিষয়েই মতবিরোধ কর, তার ফয়সালা আল্লাহরই কাছে; তিনিই আল্লাহ, আমার রব; তাঁরই ওপর আমি তাওয়াক্কুল করেছি এবং আমি তাঁরই দিকে ফিরে যাবো।
فَاطِرُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ ؕ— جَعَلَ لَكُمْ مِّنْ اَنْفُسِكُمْ اَزْوَاجًا وَّمِنَ الْاَنْعَامِ اَزْوَاجًا ۚ— یَذْرَؤُكُمْ فِیْهِ ؕ— لَیْسَ كَمِثْلِهٖ شَیْءٌ ۚ— وَهُوَ السَّمِیْعُ الْبَصِیْرُ ۟
তিনি আসমানসমূহ ও জমিনের স্রষ্টা। তিনি তোমাদের জন্য তোমাদেরই মধ্য থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং গবাদিপশুরও জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এভাবেই তিনি তোমাদের বংশবিস্তার করেন। তাঁর সদৃশ কোনো কিছুই নেই। আর তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।
لَهٗ مَقَالِیْدُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ ۚ— یَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ یَّشَآءُ وَیَقْدِرُ ؕ— اِنَّهٗ بِكُلِّ شَیْءٍ عَلِیْمٌ ۟
আসমানসমূহ ও জমিনের চাবি তাঁরই কাছে; যার জন্যে ইচ্ছে তিনি রিযক প্রশস্ত করেন এবং সংকুচিত করেন। নিশ্চয় তিনি সকল বিষয়ে সর্বজ্ঞাতা।
شَرَعَ لَكُمْ مِّنَ الدِّیْنِ مَا وَصّٰی بِهٖ نُوْحًا وَّالَّذِیْۤ اَوْحَیْنَاۤ اِلَیْكَ وَمَا وَصَّیْنَا بِهٖۤ اِبْرٰهِیْمَ وَمُوْسٰی وَعِیْسٰۤی اَنْ اَقِیْمُوا الدِّیْنَ وَلَا تَتَفَرَّقُوْا فِیْهِ ؕ— كَبُرَ عَلَی الْمُشْرِكِیْنَ مَا تَدْعُوْهُمْ اِلَیْهِ ؕ— اَللّٰهُ یَجْتَبِیْۤ اِلَیْهِ مَنْ یَّشَآءُ وَیَهْدِیْۤ اِلَیْهِ مَنْ یُّنِیْبُ ۟ؕ
হে মানুষ! জেনে রেখো, তিনি তোমাদের জন্য দ্বীনের এমন সব বিধান বিধিবদ্ধ করে দিয়েছেন; যে বিষয়ে তিনি নূহকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, আর আমি তোমার কাছে যে ওহী পাঠিয়েছি এবং ইবরাহীম, মূসা ও ঈসাকে যে নির্দেশ দিয়েছিলাম তা হলো, তোমরা দ্বীন কায়িম করবে এবং তাতে অনৈক্য সৃষ্টি করো না। হে নবী! তুমি মুশরিকদেরকে যে (৩) দিকে আহ্বান করছ, তা তাদের কাছে খুবই কঠিন মনে হয়। আল্লাহ যাকে চান (তাকে বাছাই করে) তার দিকে নিয়ে আসেন। আর যে ব্যক্তি তাঁর অভিমুখী হয়, তাকে তিনি হিদায়াত দান করেন।
وَمَا تَفَرَّقُوْۤا اِلَّا مِنْ بَعْدِ مَا جَآءَهُمُ الْعِلْمُ بَغْیًا بَیْنَهُمْ ؕ— وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَّبِّكَ اِلٰۤی اَجَلٍ مُّسَمًّی لَّقُضِیَ بَیْنَهُمْ ؕ— وَاِنَّ الَّذِیْنَ اُوْرِثُوا الْكِتٰبَ مِنْ بَعْدِهِمْ لَفِیْ شَكٍّ مِّنْهُ مُرِیْبٍ ۟
আর তাদের কাছে জ্ঞান আসার পরও তারা কেবল নিজেদের মধ্যকার বিদ্বেষের কারণে মতভেদ করেছে; একটি নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত তাদের অবকাশ সম্পর্কে তোমার রবের পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকলে তাদের বিষয়ে (তখনই) ফয়সালা হয়ে যেত। আর তাদের পরে যারা কিতাবের উত্তরাধিকারী হয়েছিল(৪), তারা সে সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর সন্দেহে রয়েছে।
فَلِذٰلِكَ فَادْعُ ۚ— وَاسْتَقِمْ كَمَاۤ اُمِرْتَ ۚ— وَلَا تَتَّبِعْ اَهْوَآءَهُمْ ۚ— وَقُلْ اٰمَنْتُ بِمَاۤ اَنْزَلَ اللّٰهُ مِنْ كِتٰبٍ ۚ— وَاُمِرْتُ لِاَعْدِلَ بَیْنَكُمْ ؕ— اَللّٰهُ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ ؕ— لَنَاۤ اَعْمَالُنَا وَلَكُمْ اَعْمَالُكُمْ ؕ— لَا حُجَّةَ بَیْنَنَا وَبَیْنَكُمْ ؕ— اَللّٰهُ یَجْمَعُ بَیْنَنَا ۚ— وَاِلَیْهِ الْمَصِیْرُ ۟ؕ
সুতরাং, হে মুহাম্মাদ! তুমি এই দ্বীনের দাওয়াত দাও এবং অটল থাক, যেভাবে তুমি আদিষ্ট হয়েছ। আর তুমি তাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করো না এবং বলো: ‘আল্লাহ যে কিতাব নাযিল করেছেন আমি তাতে ঈমান এনেছি এবং তোমাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করতে আমি আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ আমাদের রব এবং তোমাদেরও রব। আমাদের কর্ম আমাদের এবং তোমাদের কর্ম তোমাদের; (৫) আমাদের ও তোমাদের মধ্যে কোন বিবাদ-বিসম্বাদ নেই; আল্লাহ আমাদের সকলকে (কিয়ামত দিবসে) একত্র করবেন। আর তাঁরই কাছে আমাদের সকলের প্রত্যাবর্তন ।’
وَالَّذِیْنَ یُحَآجُّوْنَ فِی اللّٰهِ مِنْ بَعْدِ مَا اسْتُجِیْبَ لَهٗ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَعَلَیْهِمْ غَضَبٌ وَّلَهُمْ عَذَابٌ شَدِیْدٌ ۟
আর যারা আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ক করে, (মানুষেরা) তাঁর আহ্বানে সাড়া দেওয়া হওয়ার পরও, তাদের দলিল-প্রমাণ তাদের রবের কাছে সম্পূর্ণ বাতিল। তাদের ওপর রয়েছে (আল্লাহর) ক্রোধ এবং তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।
اَللّٰهُ الَّذِیْۤ اَنْزَلَ الْكِتٰبَ بِالْحَقِّ وَالْمِیْزَانَ ؕ— وَمَا یُدْرِیْكَ لَعَلَّ السَّاعَةَ قَرِیْبٌ ۟
আল্লাহই সত্যসহ কিতাব আল-কুরআন ও ইনসাফের মানদণ্ড মীযান নাযিল করেছেন। আর কিসে তোমাকে জানাবে, হয়ত কিয়ামত খুবই নিকটবর্তী?
یَسْتَعْجِلُ بِهَا الَّذِیْنَ لَا یُؤْمِنُوْنَ بِهَا ۚ— وَالَّذِیْنَ اٰمَنُوْا مُشْفِقُوْنَ مِنْهَا ۙ— وَیَعْلَمُوْنَ اَنَّهَا الْحَقُّ ؕ— اَلَاۤ اِنَّ الَّذِیْنَ یُمَارُوْنَ فِی السَّاعَةِ لَفِیْ ضَلٰلٍۢ بَعِیْدٍ ۟
যারা এতে ঈমান আনে না, তারাই তা ত্বরান্বিত করতে চায়। আর যারা ঈমান এনেছে, তারা এ ব্যাপারে ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে। কারণ তারা জানে যে, এটা অবশ্যই সত্য। জেনে রেখো, নিশ্চয় যারা কিয়ামত সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে তারা সুদূর পথভ্রষ্টতায় নিপতিত।
اَللّٰهُ لَطِیْفٌ بِعِبَادِهٖ یَرْزُقُ مَنْ یَّشَآءُ ۚ— وَهُوَ الْقَوِیُّ الْعَزِیْزُ ۟۠
আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অতি দয়ালু। তিনি যাকে ইচ্ছা রিযক দান করেন।(৬) আর তিনি মহাশক্তিধর, মহাপরাক্রমশালী।
مَنْ كَانَ یُرِیْدُ حَرْثَ الْاٰخِرَةِ نَزِدْ لَهٗ فِیْ حَرْثِهٖ ۚ— وَمَنْ كَانَ یُرِیْدُ حَرْثَ الدُّنْیَا نُؤْتِهٖ مِنْهَا ۙ— وَمَا لَهٗ فِی الْاٰخِرَةِ مِنْ نَّصِیْبٍ ۟
যে আখিরাতের প্রতিদান কামনা করে, আমি তার জন্য তার প্রতিদান বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেই। আর যে দুনিয়ার প্রতিদান কামনা করে আমি তাকে তা থেকে কিছু দেই, কিন্তু আখিরাতে তার জন্য কোন অংশই থাকবে না।
اَمْ لَهُمْ شُرَكٰٓؤُا شَرَعُوْا لَهُمْ مِّنَ الدِّیْنِ مَا لَمْ یَاْذَنْ بِهِ اللّٰهُ ؕ— وَلَوْلَا كَلِمَةُ الْفَصْلِ لَقُضِیَ بَیْنَهُمْ ؕ— وَاِنَّ الظّٰلِمِیْنَ لَهُمْ عَذَابٌ اَلِیْمٌ ۟
নাকি তাদের জন্য এমন কিছু শরীক আছে, যারা তাদের জন্য দ্বীনের বিধান দিয়েছে, যার অনুমতি আল্লাহ তাদেরকে দেননি? আর যদি (আখিরাতে) বিচার-ফয়সালা করার ঘোষণা না থাকতো, তবে তাদের ব্যাপারে (দুনিয়াতেই) সিদ্ধান্ত হয়েই যেত। আর নিশ্চয় যালিমদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
تَرَی الظّٰلِمِیْنَ مُشْفِقِیْنَ مِمَّا كَسَبُوْا وَهُوَ وَاقِعٌ بِهِمْ ؕ— وَالَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ فِیْ رَوْضٰتِ الْجَنّٰتِ ۚ— لَهُمْ مَّا یَشَآءُوْنَ عِنْدَ رَبِّهِمْ ؕ— ذٰلِكَ هُوَ الْفَضْلُ الْكَبِیْرُ ۟
হে রাসূল! তুমি যালিমদেরকে তাদের কৃতকর্মের জন্য ভীত-সন্ত্রস্ত দেখতে পাবে। অথচ তা তাদের ওপর পতিত হবেই। আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তারা জান্নাতের উদ্যানসমূহে থাকবে। তারা (উপভোগ্য) যা চাইবে, তাদের রবের নিকট তাদের জন্য তাই থাকবে। এটাই তো মহাঅনুগ্রহ।
ذٰلِكَ الَّذِیْ یُبَشِّرُ اللّٰهُ عِبَادَهُ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ ؕ— قُلْ لَّاۤ اَسْـَٔلُكُمْ عَلَیْهِ اَجْرًا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِی الْقُرْبٰی ؕ— وَمَنْ یَّقْتَرِفْ حَسَنَةً نَّزِدْ لَهٗ فِیْهَا حُسْنًا ؕ— اِنَّ اللّٰهَ غَفُوْرٌ شَكُوْرٌ ۟
এটা হলো তা-ই, যার সুসংবাদ আল্লাহ তার সেসব বান্দাদেরকে দিয়ে থাকেন যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। হে রাসূল! তুমি বলো: ‘আমি আমার দাওয়াতের জন্যে তোমাদের কাছে আত্মীয়তার সৌহার্দ্য ছাড়া অন্য কোন (জাগতিক) প্রতিদান চাই না।’ আর যে উত্তম কাজ করে, আমি তার জন্য তাতে কল্যাণ বাড়িয়ে দেই। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, উত্তম আমলকারীদের গুণগ্রাহী।
اَمْ یَقُوْلُوْنَ افْتَرٰی عَلَی اللّٰهِ كَذِبًا ۚ— فَاِنْ یَّشَاِ اللّٰهُ یَخْتِمْ عَلٰی قَلْبِكَ ؕ— وَیَمْحُ اللّٰهُ الْبَاطِلَ وَیُحِقُّ الْحَقَّ بِكَلِمٰتِهٖ ؕ— اِنَّهٗ عَلِیْمٌۢ بِذَاتِ الصُّدُوْرِ ۟
নাকি তারা বলে, ‘সে আল্লাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা করেছে?’ আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমার অন্তরে মোহর মেরে দিতেন।(৭) আর আল্লাহ মিথ্যাকে মুছে দেন এবং নিজ বাণীসমূহের মাধ্যমে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন। নিশ্চয় তিনি অন্তরের গোপন বিষয়সমূহ সম্পর্কে সর্বজ্ঞ।
وَهُوَ الَّذِیْ یَقْبَلُ التَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهٖ وَیَعْفُوْا عَنِ السَّیِّاٰتِ وَیَعْلَمُ مَا تَفْعَلُوْنَ ۟ۙ
আর তিনিই তাঁর বান্দাদের তাওবা কবূল করেন এবং পাপসমূহ ক্ষমা করে দেন। আর তোমরা যা কর, তা তিনি জানেন।
وَیَسْتَجِیْبُ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَیَزِیْدُهُمْ مِّنْ فَضْلِهٖ ؕ— وَالْكٰفِرُوْنَ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِیْدٌ ۟
আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের ডাকে তিনি সাড়া দেন এবং তাদের প্রতি তাঁর অনুগ্রহ বাড়িয়ে দেন। আর কাফিরদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।
وَلَوْ بَسَطَ اللّٰهُ الرِّزْقَ لِعِبَادِهٖ لَبَغَوْا فِی الْاَرْضِ وَلٰكِنْ یُّنَزِّلُ بِقَدَرٍ مَّا یَشَآءُ ؕ— اِنَّهٗ بِعِبَادِهٖ خَبِیْرٌ بَصِیْرٌ ۟
আর আল্লাহ যদি তার সকল বান্দাদের জন্য রিযক প্রশস্ত করে দিতেন, তাহলে তারা অবশ্যই জমিনে বিদ্রোহ করত। কিন্তু তিনি পরিমাণ মত (৮) যা ইচ্ছা অবতীর্ণ করেন। নিশ্চয়ই তিনি তাঁর বান্দাদের ব্যাপারে পূর্ণ অবগত, সম্যক দ্রষ্টা।
وَهُوَ الَّذِیْ یُنَزِّلُ الْغَیْثَ مِنْ بَعْدِ مَا قَنَطُوْا وَیَنْشُرُ رَحْمَتَهٗ ؕ— وَهُوَ الْوَلِیُّ الْحَمِیْدُ ۟
আর তারা যখন নিরাশ হয়ে পড়ে, তখন তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তাঁর রহমত ছড়িয়ে দেন। আর তিনিই তো অভিভাবক, সর্বপ্রশংসিত।
وَمِنْ اٰیٰتِهٖ خَلْقُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ وَمَا بَثَّ فِیْهِمَا مِنْ دَآبَّةٍ ؕ— وَهُوَ عَلٰی جَمْعِهِمْ اِذَا یَشَآءُ قَدِیْرٌ ۟۠
আর তাঁর (৯) নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে আসমানসমূহ ও জমিনের সৃষ্টি এবং এতদুভয়ের মধ্যে তিনি যে সব জীব-জন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন সেগুলো। তিনি যখন ইচ্ছা তখনই তাদেরকে একত্র করতে সক্ষম।
وَمَاۤ اَصَابَكُمْ مِّنْ مُّصِیْبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ اَیْدِیْكُمْ وَیَعْفُوْا عَنْ كَثِیْرٍ ۟ؕ
হে মানুষ! তোমাদের প্রতি যে বিপদ আপতিত হয়, তা তোমাদের কৃতকর্মেরই (তথা পাপের) ফল। আর তিনি অনেক পাপ ক্ষমা করে দেন।
وَمَاۤ اَنْتُمْ بِمُعْجِزِیْنَ فِی الْاَرْضِ ۖۚ— وَمَا لَكُمْ مِّنْ دُوْنِ اللّٰهِ مِنْ وَّلِیٍّ وَّلَا نَصِیْرٍ ۟
আর তোমরা জমিনে তাঁকে ব্যর্থ করতে পারবে না। আর আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক নেই এবং কোন সাহায্যকারীও নেই।
وَمِنْ اٰیٰتِهِ الْجَوَارِ فِی الْبَحْرِ كَالْاَعْلَامِ ۟ؕ
আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে আরও রয়েছে সমুদ্রে চলাচলকারী পর্বতমালার মত জাহাজসমূহ।
اِنْ یَّشَاْ یُسْكِنِ الرِّیْحَ فَیَظْلَلْنَ رَوَاكِدَ عَلٰی ظَهْرِهٖ ؕ— اِنَّ فِیْ ذٰلِكَ لَاٰیٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ ۟ۙ
তিনি ইচ্ছে করলে বাতাস থামিয়ে দিতে পারেন। ফলে এসব জাহাজসমূহ সমুদ্রপৃষ্ঠে থেমে থাকবে। নিশ্চয় এতে প্রত্যেক পরম ধৈর্যশীল ও কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য অনেক নিদর্শন রয়েছে।
اَوْ یُوْبِقْهُنَّ بِمَا كَسَبُوْا وَیَعْفُ عَنْ كَثِیْرٍ ۟ۙ
অথবা তিনি তাদের কৃতকর্মের কারণে (১০) জাহাজগুলোকে ধ্বংস করে দিতে পারেন। আবার তিনি অনেককে ক্ষমাও করেন।
وَّیَعْلَمَ الَّذِیْنَ یُجَادِلُوْنَ فِیْۤ اٰیٰتِنَا ؕ— مَا لَهُمْ مِّنْ مَّحِیْصٍ ۟
আর যারা আমাদের আয়াতসমূহ সম্পর্কে বিতর্ক করে, তারা যেন জেনে রাখে যে, তাদের জন্য (আল্লাহর শাস্তি থেকে) পালানোর কোনো পথ নেই।
فَمَاۤ اُوْتِیْتُمْ مِّنْ شَیْءٍ فَمَتَاعُ الْحَیٰوةِ الدُّنْیَا ۚ— وَمَا عِنْدَ اللّٰهِ خَیْرٌ وَّاَبْقٰی لِلَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَعَلٰی رَبِّهِمْ یَتَوَكَّلُوْنَ ۟ۚ
আর তোমাদেরকে (১১) যা কিছু দেয়া হয়েছে, তা দুনিয়ার জীবনের ভোগ্য সামগ্রী মাত্র। আর আল্লাহর নিকট যা আছে তা উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী, তাদের জন্য যারা ঈমান আনে এবং তাদের রবের ওপর ভরসা করে।
وَالَّذِیْنَ یَجْتَنِبُوْنَ كَبٰٓىِٕرَ الْاِثْمِ وَالْفَوَاحِشَ وَاِذَا مَا غَضِبُوْا هُمْ یَغْفِرُوْنَ ۟ۚ
আর যারা কবীরা গুনাহ ও অশ্লীল কার্যকলাপ থেকে বেঁচে থাকে এবং যখন রাগান্বিত হয় তখন তারা ক্ষমা করে দেয়।
وَالَّذِیْنَ اسْتَجَابُوْا لِرَبِّهِمْ وَاَقَامُوا الصَّلٰوةَ ۪— وَاَمْرُهُمْ شُوْرٰی بَیْنَهُمْ ۪— وَمِمَّا رَزَقْنٰهُمْ یُنْفِقُوْنَ ۟ۚ
আর যারা তাদের রবের (১২) ডাকে সাড়া দেয়, সালাত কায়িম করে, তাদের কার্যাবলী তাদের পারস্পরিক পরামর্শের ভিত্তিতে সম্পন্ন করে এবং আমি তাদেরকে যে রিযক দিয়েছি তা থেকে তারা ব্যয় করে।
وَالَّذِیْنَ اِذَاۤ اَصَابَهُمُ الْبَغْیُ هُمْ یَنْتَصِرُوْنَ ۟
আর যারা, যখন তাদের ওপর সীমালঙ্ঘন করা হয়, (শুধু) তখনই তারা তার প্রতিশোধ নেয়।
وَجَزٰٓؤُا سَیِّئَةٍ سَیِّئَةٌ مِّثْلُهَا ۚ— فَمَنْ عَفَا وَاَصْلَحَ فَاَجْرُهٗ عَلَی اللّٰهِ ؕ— اِنَّهٗ لَا یُحِبُّ الظّٰلِمِیْنَ ۟
আর মন্দের প্রতিফল অনুরূপ মন্দ। অতঃপর যে ক্ষমা করে দেয় এবং আপস নিষ্পত্তি করে, তার পুরস্কার আল্লাহর নিকট রয়েছে। নিশ্চয় আল্লাহ যালিমদের পছন্দ করেন না।
وَلَمَنِ انْتَصَرَ بَعْدَ ظُلْمِهٖ فَاُولٰٓىِٕكَ مَا عَلَیْهِمْ مِّنْ سَبِیْلٍ ۟ؕ
তবে অত্যাচারিত হবার পর যারা প্রতিশোধ গ্রহণ করে, তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না।(১৩)
اِنَّمَا السَّبِیْلُ عَلَی الَّذِیْنَ یَظْلِمُوْنَ النَّاسَ وَیَبْغُوْنَ فِی الْاَرْضِ بِغَیْرِ الْحَقِّ ؕ— اُولٰٓىِٕكَ لَهُمْ عَذَابٌ اَلِیْمٌ ۟
শুধু তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যারা মানুষের ওপর যুলম করে এবং জমিনে অন্যায়ভাবে সীমালঙ্ঘন করে বেড়ায়। তাদের জন্য রয়েছে, যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
وَلَمَنْ صَبَرَ وَغَفَرَ اِنَّ ذٰلِكَ لَمِنْ عَزْمِ الْاُمُوْرِ ۟۠
আর যে ধৈর্যধারণ করে এবং ক্ষমা করে দেয়, নিশ্চয় তা দৃঢ়সংকল্পেরই কাজ।
وَمَنْ یُّضْلِلِ اللّٰهُ فَمَا لَهٗ مِنْ وَّلِیٍّ مِّنْ بَعْدِهٖ ؕ— وَتَرَی الظّٰلِمِیْنَ لَمَّا رَاَوُا الْعَذَابَ یَقُوْلُوْنَ هَلْ اِلٰی مَرَدٍّ مِّنْ سَبِیْلٍ ۟ۚ
আর আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার জন্য তিনি ব্যতীত কোন অভিভাবক নেই। আর হে রাসূল, তুমি যালিমদেরকে দেখবে, তারা যখন শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে তখন বলবে: ‘(দুনিয়াতে) ফিরে যাওয়ার কোন পথ আছে কি?’(১৪)
وَتَرٰىهُمْ یُعْرَضُوْنَ عَلَیْهَا خٰشِعِیْنَ مِنَ الذُّلِّ یَنْظُرُوْنَ مِنْ طَرْفٍ خَفِیٍّ ؕ— وَقَالَ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْۤا اِنَّ الْخٰسِرِیْنَ الَّذِیْنَ خَسِرُوْۤا اَنْفُسَهُمْ وَاَهْلِیْهِمْ یَوْمَ الْقِیٰمَةِ ؕ— اَلَاۤ اِنَّ الظّٰلِمِیْنَ فِیْ عَذَابٍ مُّقِیْمٍ ۟
(হে রাসূল!) তুমি তাদেরকে দেখবে, তাদেরকে জাহান্নামের সামনে উপস্থিত করা হচ্ছে। অপমানে তারা অবনত; তারা আড় চোখে তাকাচ্ছে। আর মুমিনরা বলবে, ‘নিশ্চয়ই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তারাই, যারা কিয়ামতের দিন নিজেদের ও নিজেদের পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’ সাবধান! নিশ্চয়ই যালিমরা চিরস্থায়ী শাস্তিতে থাকবে।
وَمَا كَانَ لَهُمْ مِّنْ اَوْلِیَآءَ یَنْصُرُوْنَهُمْ مِّنْ دُوْنِ اللّٰهِ ؕ— وَمَنْ یُّضْلِلِ اللّٰهُ فَمَا لَهٗ مِنْ سَبِیْلٍ ۟ؕ
আর আল্লাহ ছাড়া তাদেরকে সাহায্য করার জন্য তাদের কোন অভিভাবক থাকবে না। আর আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার কোন সঠিক পথ নেই।
اِسْتَجِیْبُوْا لِرَبِّكُمْ مِّنْ قَبْلِ اَنْ یَّاْتِیَ یَوْمٌ لَّا مَرَدَّ لَهٗ مِنَ اللّٰهِ ؕ— مَا لَكُمْ مِّنْ مَّلْجَاٍ یَّوْمَىِٕذٍ وَّمَا لَكُمْ مِّنْ نَّكِیْرٍ ۟
(হে মানুষ!) তোমরা তোমাদের রবের ডাকে সাড়া দাও, আল্লাহর পক্ষ থেকে সেই দিন আসার আগেই, যাকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনো উপায় নেই। সেদিন তোমাদের জন্য কোনো আশ্রয়স্থল থাকবে না এবং তোমাদের (অপরাধ) অস্বীকার করারও কোনো সুযোগ থাকবে না।
فَاِنْ اَعْرَضُوْا فَمَاۤ اَرْسَلْنٰكَ عَلَیْهِمْ حَفِیْظًا ؕ— اِنْ عَلَیْكَ اِلَّا الْبَلٰغُ ؕ— وَاِنَّاۤ اِذَاۤ اَذَقْنَا الْاِنْسَانَ مِنَّا رَحْمَةً فَرِحَ بِهَا ۚ— وَاِنْ تُصِبْهُمْ سَیِّئَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ اَیْدِیْهِمْ فَاِنَّ الْاِنْسَانَ كَفُوْرٌ ۟
আর তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আমি তো তোমাকে তাদের রক্ষক হিসেবে প্রেরণ করিনি। (আল্লাহর নির্দেশিত) বাণী পৌঁছে দেয়াই তোমার দায়িত্ব। আর আমি যখন মানুষকে আমার রহমত আস্বাদন করাই তখন সে খুশি হয়। পক্ষান্তরে যখন তাদের কৃতকর্মের জন্য তাদের ওপর কোন বিপদ আসে তখন মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে।
لِلّٰهِ مُلْكُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ ؕ— یَخْلُقُ مَا یَشَآءُ ؕ— یَهَبُ لِمَنْ یَّشَآءُ اِنَاثًا وَّیَهَبُ لِمَنْ یَّشَآءُ الذُّكُوْرَ ۟ۙ
আসমানসমূহ ও জমিনের রাজত্ব আল্লাহরই। তিনি যা ইচ্ছে তা-ই সৃষ্টি করেন। তিনি যাকে ইচ্ছে কন্যা সন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছে পুত্র সন্তান দান করেন।
اَوْ یُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًا وَّاِنَاثًا ۚ— وَیَجْعَلُ مَنْ یَّشَآءُ عَقِیْمًا ؕ— اِنَّهٗ عَلِیْمٌ قَدِیْرٌ ۟
অথবা তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করেন। তিনি তো সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।
وَمَا كَانَ لِبَشَرٍ اَنْ یُّكَلِّمَهُ اللّٰهُ اِلَّا وَحْیًا اَوْ مِنْ وَّرَآئِ حِجَابٍ اَوْ یُرْسِلَ رَسُوْلًا فَیُوْحِیَ بِاِذْنِهٖ مَا یَشَآءُ ؕ— اِنَّهٗ عَلِیٌّ حَكِیْمٌ ۟
কোন মানুষের পক্ষেই এটা সম্ভব নয় যে, আল্লাহ তার সাথে ওহীর মাধ্যম, পর্দার আড়াল অথবা কোন ফিরিশতা প্রেরণ ব্যতীত সরাসরি কথা বলবেন। তারপর আল্লাহ তার অনুমতি সাপেক্ষে, যা চান তাই-ই ওহী হিসেবে প্রেরণ করেন। তিনি (সত্তা ও গুণাবলিতে) সর্বোচ্চ, প্রজ্ঞাবান।
وَكَذٰلِكَ اَوْحَیْنَاۤ اِلَیْكَ رُوْحًا مِّنْ اَمْرِنَا ؕ— مَا كُنْتَ تَدْرِیْ مَا الْكِتٰبُ وَلَا الْاِیْمَانُ وَلٰكِنْ جَعَلْنٰهُ نُوْرًا نَّهْدِیْ بِهٖ مَنْ نَّشَآءُ مِنْ عِبَادِنَا ؕ— وَاِنَّكَ لَتَهْدِیْۤ اِلٰی صِرَاطٍ مُّسْتَقِیْمٍ ۟ۙ
অনুরূপভাবে আমি তোমার কাছে আমার নির্দেশ থেকে ‘রূহ’ (আল-কুরআন)কে ওহী যোগে প্রেরণ করেছি। তুমি জানতে না কিতাব কী এবং ঈমান কী? কিন্তু আমি একে (আল-কুরআনকে) আলো বানিয়েছি, যার মাধ্যমে আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা হিদায়াত দান করি। আর নিশ্চয় তুমি সরল পথের দিক নির্দেশনা দাও।
صِرَاطِ اللّٰهِ الَّذِیْ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَمَا فِی الْاَرْضِ ؕ— اَلَاۤ اِلَی اللّٰهِ تَصِیْرُ الْاُمُوْرُ ۟۠
তা হলো সেই আল্লাহর পথ, যিনি আসমানসমূহ ও জমিনে যা কিছু আছে, তার মালিক। জেনে রাখো, (শেষ পর্যন্ত) সব বিষয়ই আল্লাহর কাছে ফিরে যাবে।
Read and listen, set a daily goal and get salat reminders right inside your shop software — for you and your staff.
Start your 7-day free trial No card needed · cancel any time