KarbarX
English ফ্রি ট্রায়াল

15. Al-Hijr الحجر

The Rock · 99 আয়াত

بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۟

15:1

الٓرٰ ۫— تِلْكَ اٰیٰتُ الْكِتٰبِ وَقُرْاٰنٍ مُّبِیْنٍ ۟

আলিফ- লাম-রা। এগুলো হচ্ছে, মহাগ্রন্থ ও সুস্পষ্ট কুরআনের আয়াতসমূহ।

15:2

رُبَمَا یَوَدُّ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا لَوْ كَانُوْا مُسْلِمِیْنَ ۟

কাফিররা একসময় (পরকালে অনুশোচনা করে) আকাঙ্ক্ষা করবে, যদি তারা মুসলিম হতো!

15:3

ذَرْهُمْ یَاْكُلُوْا وَیَتَمَتَّعُوْا وَیُلْهِهِمُ الْاَمَلُ فَسَوْفَ یَعْلَمُوْنَ ۟

(হে রাসূল!) তাদেরকে (নিয়ে উৎকণ্ঠা ও দুশ্চিন্তা করা) ছেড়ে দাও, তারা (চতুষ্পদ জন্তুর ন্যায়) আহার করুক, ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকুক এবং (পার্থিব দীর্ঘ) আশা-আকাঙ্ক্ষা তাদেরকে (ঈমান ও নেক আমল থেকে) গাফিল করে রাখুক। আর অচিরেই তারা (নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ততার ব্যাপারটি) জানতে পারবে।

15:4

وَمَاۤ اَهْلَكْنَا مِنْ قَرْیَةٍ اِلَّا وَلَهَا كِتَابٌ مَّعْلُوْمٌ ۟

আর ইতঃপূর্বে আমি যে কোনো জনপদকেই ধ্বংস করেছি, তার জন্য (আল্লাহর কাছে) একটি নির্ধারিত সময় লিপিবদ্ধ ছিল।(১)

15:5

مَا تَسْبِقُ مِنْ اُمَّةٍ اَجَلَهَا وَمَا یَسْتَاْخِرُوْنَ ۟

কোনো জাতির (ধ্বংস তার) নির্ধারিত সময়ের আগেই আসে না; আর (যখন সেই নির্ধারিত সময় উপস্থিত হয়, তখন) তা এক মুহূর্তও পিছিয়ে যায় না।

15:6

وَقَالُوْا یٰۤاَیُّهَا الَّذِیْ نُزِّلَ عَلَیْهِ الذِّكْرُ اِنَّكَ لَمَجْنُوْنٌ ۟ؕ

আর তারা (মক্কার কাফিররা রাসূলকে উদ্দেশ্য করে ) বললো: ‘হে ঐ ব্যক্তি, যার ওপর আল-কুরআন নাযিল করা হয়েছে, তুমি তো নিশ্চিত পাগল।’

15:7

لَوْ مَا تَاْتِیْنَا بِالْمَلٰٓىِٕكَةِ اِنْ كُنْتَ مِنَ الصّٰدِقِیْنَ ۟

‘যদি তুমি সত্যবাদী হয়ে থাকো, তাহলে আমাদের কাছে ফিরিশতাদের নিয়ে আসছ না কেন?’

15:8

مَا نُنَزِّلُ الْمَلٰٓىِٕكَةَ اِلَّا بِالْحَقِّ وَمَا كَانُوْۤا اِذًا مُّنْظَرِیْنَ ۟

আমি যথাযথ কারণ(২) ছাড়া ফিরিশতাদের প্রেরণ করি না, আর (ফিরিশতাদের প্রেরণ করা হলে) তখন তারা (শাস্তি থেকে) অবকাশও পেতো না।

15:9

اِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَاِنَّا لَهٗ لَحٰفِظُوْنَ ۟

নিশ্চয়ই আমি আল-কুরআন নাযিল করেছি, আর আমিই এর (কোনো প্রকার বাড়তি বা কমতি, পরিবর্তন বা পরিবর্ধন হওয়া থেকে) হিফাযতকারী।

15:10

وَلَقَدْ اَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ فِیْ شِیَعِ الْاَوَّلِیْنَ ۟

আর (হে রাসূল!) তোমার পূর্বে আমি অতীতের অনেক সম্প্রদায়ের কাছে রাসূল প্রেরণ করেছি।(৩)

15:11

وَمَا یَاْتِیْهِمْ مِّنْ رَّسُوْلٍ اِلَّا كَانُوْا بِهٖ یَسْتَهْزِءُوْنَ ۟

আর যখনই তাদের নিকট কোনো রাসূল এসেছে, তখনই তারা তাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করেছে।

15:12

كَذٰلِكَ نَسْلُكُهٗ فِیْ قُلُوْبِ الْمُجْرِمِیْنَ ۟ۙ

(যেমনিভাবে আমি পূর্ববর্তী জাতিসমূহের অন্তরে রাসূলদের নিয়ে উপহাস ও তাদের প্রতি অবিশ্বাসের কারণে কুফর প্রবেশ করিয়েছিলাম,) তেমনি মুশরিক অপরাধীদের অন্তরেও তা প্রবেশ করিয়ে দিই (যারা আল্লাহর প্রতি কুফর করেছে ও তাঁর রাসূলকে অস্বীকার করেছে)।

15:13

لَا یُؤْمِنُوْنَ بِهٖ وَقَدْ خَلَتْ سُنَّةُ الْاَوَّلِیْنَ ۟

তারা (মুহাম্মদ এর ওপর আমি যে কুরআন নাযিল করেছি,) তাতে ঈমান আনে না, অথচ (রাসূলদের অস্বীকারকারী) পূর্ববর্তীদের (ধ্বংস করার ব্যাপারে আল্লাহর) রীতি ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়ে গেছে।

15:14

وَلَوْ فَتَحْنَا عَلَیْهِمْ بَابًا مِّنَ السَّمَآءِ فَظَلُّوْا فِیْهِ یَعْرُجُوْنَ ۟ۙ

(এমনকি) যদি আমি তাদের (সুস্পষ্ট প্রমাণাদির) জন্য আসমানের কোন দরজা খুলে দিতাম, অতঃপর তারা (সারা দিন) তাতে আরোহণ করতে থাকত, (তবুও তারা ঈমান আনত না, )

15:15

لَقَالُوْۤا اِنَّمَا سُكِّرَتْ اَبْصَارُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَّسْحُوْرُوْنَ ۟۠

তবুও তারা বলত: নিশ্চয় আমাদের দৃষ্টি বিভ্রম হচ্ছে(৪); বরং আমরা তো যাদুগ্রস্ত সম্প্রদায়।

15:16

وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِی السَّمَآءِ بُرُوْجًا وَّزَیَّنّٰهَا لِلنّٰظِرِیْنَ ۟ۙ

আর অবশ্যই আমি আসমানে স্থাপন করেছি বুরুজ (বিশাল বিশাল গ্রহ-নক্ষত্রসমূহ) এবং সেগুলোকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছি দর্শকদের জন্য।

15:17

وَحَفِظْنٰهَا مِنْ كُلِّ شَیْطٰنٍ رَّجِیْمٍ ۟ۙ

এবং প্রত্যেক বিতাড়িত-অভিশপ্ত শয়তান থেকে সেগুলোকে আমি সুরক্ষিত করেছি।

15:18

اِلَّا مَنِ اسْتَرَقَ السَّمْعَ فَاَتْبَعَهٗ شِهَابٌ مُّبِیْنٌ ۟

তবে যে (শয়তান) চুরি করে আড়ি পেতে (ফিরিশতাদের কথা ) শোনে, (তার কথা আলাদা)। তৎক্ষণাৎ জ্বলন্ত অগ্নিশিখা তার পিছু নেয়।

15:19

وَالْاَرْضَ مَدَدْنٰهَا وَاَلْقَیْنَا فِیْهَا رَوَاسِیَ وَاَنْۢبَتْنَا فِیْهَا مِنْ كُلِّ شَیْءٍ مَّوْزُوْنٍ ۟

আর আমি (মানুষের বসবাসের জন্যে) জমিনকে সুবিস্তৃত-সমতল করেছি এবং তাতে সুদৃঢ় পর্বতমালা স্থাপন করেছি। আর আমি (আমার হিকমত অনুসারে) তাতে উৎপন্ন করেছি, সকল প্রকার বস্তু সুনির্দিষ্ট পরিমাণে।

15:20

وَجَعَلْنَا لَكُمْ فِیْهَا مَعَایِشَ وَمَنْ لَّسْتُمْ لَهٗ بِرٰزِقِیْنَ ۟

আর আমি জমিনে তোমাদের জন্য এবং তোমরা যাদের রিযকদাতা নও তাদের জন্যও জীবিকার ব্যবস্থা করেছি ।

15:21

وَاِنْ مِّنْ شَیْءٍ اِلَّا عِنْدَنَا خَزَآىِٕنُهٗ ؗ— وَمَا نُنَزِّلُهٗۤ اِلَّا بِقَدَرٍ مَّعْلُوْمٍ ۟

আর আমার কাছেই প্রতিটি বস্তুর ভাণ্ডারসমূহ রয়েছে এবং আমি (নিজ প্রজ্ঞা ও ইচ্ছা অনুযায়ী) তা কেবল নির্দিষ্ট পরিমাপে ও পরিমাণে সৃষ্টি করে থাকি।

15:22

وَاَرْسَلْنَا الرِّیٰحَ لَوَاقِحَ فَاَنْزَلْنَا مِنَ السَّمَآءِ مَآءً فَاَسْقَیْنٰكُمُوْهُ ۚ— وَمَاۤ اَنْتُمْ لَهٗ بِخٰزِنِیْنَ ۟

আর আমি বৃষ্টি সঞ্চারকারী বায়ু প্রেরণ করি। অতঃপর (সেই সঞ্চারিত মেঘ হতে) আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করি এবং তা তোমাদের পান করাই; অথচ তোমরা তার সংরক্ষণকারী নও।(৫)

15:23

وَاِنَّا لَنَحْنُ نُحْیٖ وَنُمِیْتُ وَنَحْنُ الْوٰرِثُوْنَ ۟

আর নিশ্চয় আমি (৬) জীবিত করি এবং (জীবিতকে) মৃত্যু দিই, পরিশেষে আমিই (এ জমিন ও জমিনের অধিবাসীর) চূড়ান্ত মালিক।

15:24

وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَقْدِمِیْنَ مِنْكُمْ وَلَقَدْ عَلِمْنَا الْمُسْتَاْخِرِیْنَ ۟

আর অবশ্যই আমি তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে জানি এবং অবশ্যই আমি পরবর্তীদেরকেও জানি।

15:25

وَاِنَّ رَبَّكَ هُوَ یَحْشُرُهُمْ ؕ— اِنَّهٗ حَكِیْمٌ عَلِیْمٌ ۟۠

আর (হে রাসূল!) নিশ্চয় তোমার রব তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞানী।

15:26

وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْاِنْسَانَ مِنْ صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَاٍ مَّسْنُوْنٍ ۟ۚ

আর নিশ্চয় আমি মানুষকে শুকনো ঠনঠনে, কালচে ও দুর্গন্ধময় কাদামাটি থেকে সৃষ্টি করেছি।

15:27

وَالْجَآنَّ خَلَقْنٰهُ مِنْ قَبْلُ مِنْ نَّارِ السَّمُوْمِ ۟

আর ইতঃপূর্বে (আদম সৃষ্টির পূর্বে) জিনকে কঠিন উত্তপ্ত আগুন থেকে সৃষ্টি করেছি।

15:28

وَاِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلٰٓىِٕكَةِ اِنِّیْ خَالِقٌۢ بَشَرًا مِّنْ صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَاٍ مَّسْنُوْنٍ ۟

আর (হে রাসূল!) স্মরণ করো সে সময়ের কথা, যখন তোমার রব ফিরিশতাদেরকে বললেন: ‘আমি কালো, দুর্গন্ধময় ঠনঠনে ও শুকনো কাদামাটি থেকে মানুষ (আদমকে) সৃষ্টি করতে যাচ্ছি।

15:29

فَاِذَا سَوَّیْتُهٗ وَنَفَخْتُ فِیْهِ مِنْ رُّوْحِیْ فَقَعُوْا لَهٗ سٰجِدِیْنَ ۟

অতএব যখন আমি তাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেবো এবং তার মধ্যে আমার পক্ষ থেকে রূহ ফুঁকে দিবো, তখন তোমরা (তার সম্মানার্থে) তার প্রতি সাজদাবনত হয়ে যাবে।

15:30

فَسَجَدَ الْمَلٰٓىِٕكَةُ كُلُّهُمْ اَجْمَعُوْنَ ۟ۙ

অতঃপর ফিরিশতারা সকলেই (তাকে) সাজদাহ করলো।

15:31

اِلَّاۤ اِبْلِیْسَ ؕ— اَبٰۤی اَنْ یَّكُوْنَ مَعَ السّٰجِدِیْنَ ۟

ইবলীস ছাড়া।(৭) সে সাজদাহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে অস্বীকার করলো।

15:32

قَالَ یٰۤاِبْلِیْسُ مَا لَكَ اَلَّا تَكُوْنَ مَعَ السّٰجِدِیْنَ ۟

আল্লাহ বললেন: ‘হে ইবলীস! তোমার কী হলো যে, তুমি সাজদাহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হলে না?’

15:33

قَالَ لَمْ اَكُنْ لِّاَسْجُدَ لِبَشَرٍ خَلَقْتَهٗ مِنْ صَلْصَالٍ مِّنْ حَمَاٍ مَّسْنُوْنٍ ۟

সে (অহংকার করে) বললো: ‘আমি তো এমন নই যে, একজন মানুষকে আমি সাজদাহ করব, যাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন গন্ধযুক্ত, শুকনো ও ঠনঠনে কালচে কাদামাটি থেকে।’

15:34

قَالَ فَاخْرُجْ مِنْهَا فَاِنَّكَ رَجِیْمٌ ۟ۙ

আল্লাহ বললেন: ‘তাহলে তুমি এখান (জান্নাত) থেকে বেরিয়ে যাও। কারণ তুমি (আমার রহমত থেকে) বিতাড়িত।’

15:35

وَّاِنَّ عَلَیْكَ اللَّعْنَةَ اِلٰی یَوْمِ الدِّیْنِ ۟

‘আর নিশ্চয় কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তোমার ওপর অভিসম্পাত বহাল থাকবে।’

15:36

قَالَ رَبِّ فَاَنْظِرْنِیْۤ اِلٰی یَوْمِ یُبْعَثُوْنَ ۟

সে (ইবলীস) বলল: ‘হে আমার রব! তাহলে আমাকে সে দিন পর্যন্ত অবকাশ দিন, যেদিন তাদেরকে (সৃষ্টিকুলের সকলকে) পুনরুত্থিত করা হবে।’

15:37

قَالَ فَاِنَّكَ مِنَ الْمُنْظَرِیْنَ ۟ۙ

তিনি বললেন: ‘নিশ্চয় তুমি অবকাশ প্রাপ্তদের একজন।’

15:38

اِلٰی یَوْمِ الْوَقْتِ الْمَعْلُوْمِ ۟

‘নির্দিষ্ট (প্রথম ফুৎকারের) সময় আসার দিন পর্যন্ত।’ (৮)

15:39

قَالَ رَبِّ بِمَاۤ اَغْوَیْتَنِیْ لَاُزَیِّنَنَّ لَهُمْ فِی الْاَرْضِ وَلَاُغْوِیَنَّهُمْ اَجْمَعِیْنَ ۟ۙ

সে (ইবলীস) বললো: ‘হে আমার রব! যেহেতু আপনি আমাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তাই জমিনে আমি তাদের জন্য (পাপকে) সুশোভিত করবো এবং নিশ্চয় তাদের সকলকে পথভ্রষ্ট করে ছাড়বো।’

15:40

اِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِیْنَ ۟

তাদের মধ্য থেকে আপনার একান্ত (মুখলিছ) বান্দাগণ ছাড়া।

15:41

قَالَ هٰذَا صِرَاطٌ عَلَیَّ مُسْتَقِیْمٌ ۟

আল্লাহ বললেন: ‘এটাই আমার কাছে পৌঁছার সরল-সঠিক পথ।’

15:42

اِنَّ عِبَادِیْ لَیْسَ لَكَ عَلَیْهِمْ سُلْطٰنٌ اِلَّا مَنِ اتَّبَعَكَ مِنَ الْغٰوِیْنَ ۟

‘নিশ্চয় আমার বান্দাদের ওপর (পথভ্রষ্ট করার) তোমার কোনো ক্ষমতা নেই; তবে যে পথভ্রষ্টরা তোমার অনুসরণ করবে, তাদের ছাড়া।’ (তাদের ওপর তুমি তোমার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে )

15:43

وَاِنَّ جَهَنَّمَ لَمَوْعِدُهُمْ اَجْمَعِیْنَ ۟ۙ

‘আর নিশ্চয় জাহান্নাম তাদের (ইবলীস ও তার অনুসারী) সকলের প্রতিশ্রুত স্থান।’

15:44

لَهَا سَبْعَةُ اَبْوَابٍ ؕ— لِكُلِّ بَابٍ مِّنْهُمْ جُزْءٌ مَّقْسُوْمٌ ۟۠

‘তার রয়েছে সাতটি দরজা। প্রতিটি দরজার জন্য রয়েছে তাদের (ইবলীসের অনুসারীদের) মধ্য থেকে নির্দিষ্ট একটি অংশ।’(৯)

15:45

اِنَّ الْمُتَّقِیْنَ فِیْ جَنّٰتٍ وَّعُیُوْنٍ ۟ؕ

নিশ্চয় মুত্তাকীগণ থাকবে জান্নাত ও ঝর্ণাধারাসমূহে।

15:46

اُدْخُلُوْهَا بِسَلٰمٍ اٰمِنِیْنَ ۟

(প্রবেশের সময় তাদেরকে বলা হবে) ‘তোমরা তাতে প্রবেশ করো শান্তিতে, নিরাপত্তার সাথে।’

15:47

وَنَزَعْنَا مَا فِیْ صُدُوْرِهِمْ مِّنْ غِلٍّ اِخْوَانًا عَلٰی سُرُرٍ مُّتَقٰبِلِیْنَ ۟

আর আমি তাদের (জান্নাতীদের) অন্তর থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে দিবো। তারা সেখানে পরস্পর ভাই ভাই হয়ে মুখোমুখি আসনে বসবে।

15:48

لَا یَمَسُّهُمْ فِیْهَا نَصَبٌ وَّمَا هُمْ مِّنْهَا بِمُخْرَجِیْنَ ۟

সেখানে তাদেরকে ক্লান্তি স্পর্শ করবে না এবং তাদেরকে সেখান থেকে বের করেও দেয়া হবে না।

15:49

نَبِّئْ عِبَادِیْۤ اَنِّیْۤ اَنَا الْغَفُوْرُ الرَّحِیْمُ ۟ۙ

(হে রাসূল!) তুমি আমার বান্দাদের জানিয়ে দাও যে, নিশ্চয় আমি (তাওবাকারীর প্রতি) অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

15:50

وَاَنَّ عَذَابِیْ هُوَ الْعَذَابُ الْاَلِیْمُ ۟

আর (তুমি তাদেরকে আরো জানিয়ে দাও যে,) নিশ্চয়ই আমার শাস্তিও ভয়ংকর যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

15:51

وَنَبِّئْهُمْ عَنْ ضَیْفِ اِبْرٰهِیْمَ ۟ۘ

আর (হে রাসূল!) তুমি তাদেরকে ইবরাহীমের (ফিরিশতা) মেহমানদের সংবাদ দাও।

15:52

اِذْ دَخَلُوْا عَلَیْهِ فَقَالُوْا سَلٰمًا ؕ— قَالَ اِنَّا مِنْكُمْ وَجِلُوْنَ ۟

যখন তারা তার কাছে প্রবেশ করলো, অতঃপর বলেছিল: ‘সালাম’। সে বলেছিল: ‘নিশ্চয় আমরা তোমাদের ব্যাপারে আতঙ্কিত ।’

15:53

قَالُوْا لَا تَوْجَلْ اِنَّا نُبَشِّرُكَ بِغُلٰمٍ عَلِیْمٍ ۟

তারা (ফিরিশতারা) বললো: ‘(হে ইবরাহীম!) তুমি ভীত হয়ো না। নিশ্চয় আমরা তোমাকে এক জ্ঞানী পুত্রের (ইসহাকের) সুসংবাদ দিচ্ছি।’

15:54

قَالَ اَبَشَّرْتُمُوْنِیْ عَلٰۤی اَنْ مَّسَّنِیَ الْكِبَرُ فَبِمَ تُبَشِّرُوْنَ ۟

ইবরাহীম (আশ্চর্য হয়ে) বললো: ‘তোমরা কি আমাকে (সন্তানের) সুসংবাদ দিচ্ছ, যখন বার্ধক্য আমাকে স্পর্শ করেছে? সুতরাং (তোমরা ভেবে দেখো তো) তোমরা কীসের সুসংবাদ দিচ্ছ?’

15:55

قَالُوْا بَشَّرْنٰكَ بِالْحَقِّ فَلَا تَكُنْ مِّنَ الْقٰنِطِیْنَ ۟

তারা বললো: ‘আমরা তোমাকে যথার্থ সুসংবাদ দিচ্ছি। সুতরাং তুমি নিরাশদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।’

15:56

قَالَ وَمَنْ یَّقْنَطُ مِنْ رَّحْمَةِ رَبِّهٖۤ اِلَّا الضَّآلُّوْنَ ۟

সে (ইবরাহীম) বললো: ‘পথভ্রষ্টরা ছাড়া কে তার রবের রহমত থেকে নিরাশ হয়?’

15:57

قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ اَیُّهَا الْمُرْسَلُوْنَ ۟

সে (আগত ফিরিশতাদের উদ্দেশ্যে) বললো: ‘তবে হে প্রেরিত (ফিরিশতা)-গণ! তোমাদের আগমনের আসল উদ্দেশ্যেটা কী?’

15:58

قَالُوْۤا اِنَّاۤ اُرْسِلْنَاۤ اِلٰی قَوْمٍ مُّجْرِمِیْنَ ۟ۙ

তারা বললো: ‘নিশ্চয় আমরা প্রেরিত হয়েছি, এক অপরাধী সম্প্রদায়ের নিকট।’(১০)

15:59

اِلَّاۤ اٰلَ لُوْطٍ ؕ— اِنَّا لَمُنَجُّوْهُمْ اَجْمَعِیْنَ ۟ۙ

‘লূতের পরিবার (ও তার মু’মিন অনুসারীগণ) ছাড়া, আমরা নিশ্চয় তাদের সবাইকে রক্ষা করব।’

15:60

اِلَّا امْرَاَتَهٗ قَدَّرْنَاۤ ۙ— اِنَّهَا لَمِنَ الْغٰبِرِیْنَ ۟۠

‘তবে তার স্ত্রী ছাড়া, (আল্লাহর নির্দেশে) আমরা ফয়সালা করেছি যে, নিশ্চয় সে শাস্তিপ্রাপ্ত অন্যান্যদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’

15:61

فَلَمَّا جَآءَ اٰلَ لُوْطِ ١لْمُرْسَلُوْنَ ۟ۙ

এরপর যখন ফিরিশতারা (পুরুষের আকৃতিতে) লূতের পরিবারের কাছে আসল।

15:62

قَالَ اِنَّكُمْ قَوْمٌ مُّنْكَرُوْنَ ۟

সে বললো: ‘তোমরা তো অপরিচিত লোক।’

15:63

قَالُوْا بَلْ جِئْنٰكَ بِمَا كَانُوْا فِیْهِ یَمْتَرُوْنَ ۟

তারা বললো: ‘বরং আমরা তোমার কাছে এমন বিষয় (ধ্বংসাত্মক শাস্তি) নিয়ে এসেছি, যাতে তারা সন্দেহ করতো।’

15:64

وَاَتَیْنٰكَ بِالْحَقِّ وَاِنَّا لَصٰدِقُوْنَ ۟

‘আর আমরা তোমার নিকট সত্য বার্তা নিয়ে এসেছি এবং আমরা অবশ্যই সত্যবাদী।’

15:65

فَاَسْرِ بِاَهْلِكَ بِقِطْعٍ مِّنَ الَّیْلِ وَاتَّبِعْ اَدْبَارَهُمْ وَلَا یَلْتَفِتْ مِنْكُمْ اَحَدٌ وَّامْضُوْا حَیْثُ تُؤْمَرُوْنَ ۟

‘সুতরাং তুমি রাতের কিছু অংশ চলে গেলে তোমার পরিবারবর্গকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ো এবং (সবাইকে সামনে রেখে) তুমি তাদের পেছনে চলো। আর তোমাদের কেউ (নাযিলকৃত শাস্তি দেখতে) পেছনে ফিরে তাকাবে না এবং যেভাবে তোমাদের নির্দেশ করা হয়েছে, সেভাবেই চলতে থাকবে।’

15:66

وَقَضَیْنَاۤ اِلَیْهِ ذٰلِكَ الْاَمْرَ اَنَّ دَابِرَ هٰۤؤُلَآءِ مَقْطُوْعٌ مُّصْبِحِیْنَ ۟

আর আমি তাকে (লূতকে) এ বিষয়ে ফয়সালা (অহীর মাধ্যমে) জানিয়ে দিলাম যে, নিশ্চয় ভোরেই এদের সমূলে ধ্বংস করে দেয়া হবে।

15:67

وَجَآءَ اَهْلُ الْمَدِیْنَةِ یَسْتَبْشِرُوْنَ ۟

আর (সাদূম) শহরের অধিবাসীরা (সমকামিতার আশায়) উৎফুল্ল হয়ে (লূতের নিকট আগত সুদর্শন তরুণ মেহমানদের কাছে) হাযির হলো।

15:68

قَالَ اِنَّ هٰۤؤُلَآءِ ضَیْفِیْ فَلَا تَفْضَحُوْنِ ۟ۙ

সে বললো: ‘নিশ্চয় এরা আমার মেহমান। সুতরাং তোমরা (তাদের সামনে বদ অভ্যাস প্রকাশ করে) আমাকে অপমানিত করো না।’

15:69

وَاتَّقُوا اللّٰهَ وَلَا تُخْزُوْنِ ۟

‘তোমরা (সমকামিতা ছেড়ে) আল্লাহকে ভয় করো এবং আমাকে লাঞ্ছিত করো না।’

15:70

قَالُوْۤا اَوَلَمْ نَنْهَكَ عَنِ الْعٰلَمِیْنَ ۟

তারা বললো: ‘আমরা কি তোমাকে জগদ্বাসীর (কাউকে আশ্রয় দিয়ে মেহমানদারি করতে) নিষেধ করিনি?’

15:71

قَالَ هٰۤؤُلَآءِ بَنَاتِیْۤ اِنْ كُنْتُمْ فٰعِلِیْنَ ۟ؕ

সে বললো: এরা (আমার কওমের নারীরা) আমার কন্যার মতো, (তোমরা তাদের বিয়ে করো) যদি তোমরা (কামনাবাসনা পূর্ণ) করতেই চাও।

15:72

لَعَمْرُكَ اِنَّهُمْ لَفِیْ سَكْرَتِهِمْ یَعْمَهُوْنَ ۟

(হে রাসূল!) তোমার জীবনের কসম, নিশ্চয়ই তারা তাদের কামনার নেশায় (বা গোমরাহিতে) উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরপাক খাচ্ছিল।

15:73

فَاَخَذَتْهُمُ الصَّیْحَةُ مُشْرِقِیْنَ ۟ۙ

অতএব সূর্যোদয়ের সময় (ধ্বংসাত্মক) বিকট আওয়াজ তাদেরকে পাকড়াও করল।

15:74

فَجَعَلْنَا عَالِیَهَا سَافِلَهَا وَاَمْطَرْنَا عَلَیْهِمْ حِجَارَةً مِّنْ سِجِّیْلٍ ۟ؕ

অতঃপর আমি তাদের জনপদের ওপরকে নিচে উলটে দিলাম এবং তাদের ওপর পোড়া মাটির পাথর-কঙ্কর (বৃষ্টির মতো) বর্ষণ করলাম ।

15:75

اِنَّ فِیْ ذٰلِكَ لَاٰیٰتٍ لِّلْمُتَوَسِّمِیْنَ ۟

নিশ্চয়ই এতে পর্যবেক্ষণকারী (বা চিন্তাশীল)-দের জন্য অনেক নিদর্শন রয়েছে।

15:76

وَاِنَّهَا لَبِسَبِیْلٍ مُّقِیْمٍ ۟

আর নিশ্চয় সেই জনপদগুলো (ধ্বংসাবশেষ) আজও স্থায়ী রাস্তার ধারে বিদ্যমান, (যা পথচারী মুসাফিররা প্রতক্ষ্য করে থাকে)।

15:77

اِنَّ فِیْ ذٰلِكَ لَاٰیَةً لِّلْمُؤْمِنِیْنَ ۟ؕ

নিশ্চয় এতে রয়েছে মু’মিনদের জন্য নিদর্শন।

15:78

وَاِنْ كَانَ اَصْحٰبُ الْاَیْكَةِ لَظٰلِمِیْنَ ۟ۙ

আর নিশ্চয় আইকার অধিবাসীরাও ছিলো যালিম।(১১)

15:79

فَانْتَقَمْنَا مِنْهُمْ ۘ— وَاِنَّهُمَا لَبِاِمَامٍ مُّبِیْنٍ ۟ؕ۠

অতঃপর আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ নিলাম (যখন আজাব তাদের পাকড়াও করল)। আর (লুতের জনপদ এবং শুয়াইবের সঙ্গীদের) আবাসস্থল দু’টি (চলাচলের) স্পষ্ট রাস্তার ধারে অবস্থিত।

15:80

وَلَقَدْ كَذَّبَ اَصْحٰبُ الْحِجْرِ الْمُرْسَلِیْنَ ۟ۙ

আর অবশ্যই হিজরের অধিবাসীরা(১২) রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছে।

15:81

وَاٰتَیْنٰهُمْ اٰیٰتِنَا فَكَانُوْا عَنْهَا مُعْرِضِیْنَ ۟ۙ

আর আমি তাদেরকে আমার আয়াতসমূহ(১৩) দিয়েছিলাম; কিন্তু তারা তা উপেক্ষা করেছিল।

15:82

وَكَانُوْا یَنْحِتُوْنَ مِنَ الْجِبَالِ بُیُوْتًا اٰمِنِیْنَ ۟

আর তারা পাহাড় কেটে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করে নিরাপদে বসবাস করতো।

15:83

فَاَخَذَتْهُمُ الصَّیْحَةُ مُصْبِحِیْنَ ۟ۙ

অতঃপর প্রভাতকালে এক বিকট চিৎকার তাদের পাকড়াও করল।

15:84

فَمَاۤ اَغْنٰی عَنْهُمْ مَّا كَانُوْا یَكْسِبُوْنَ ۟ؕ

আর তারা যা (যে ঘর-বাড়ি ও সম্পদ) উপার্জন করেছিল, তা (আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষায়) তাদের কোন কাজে আসলো না।

15:85

وَمَا خَلَقْنَا السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضَ وَمَا بَیْنَهُمَاۤ اِلَّا بِالْحَقِّ ؕ— وَاِنَّ السَّاعَةَ لَاٰتِیَةٌ فَاصْفَحِ الصَّفْحَ الْجَمِیْلَ ۟

আর আমি আসমানসমূহ, জমিন এবং এ দুয়ের মধ্যে যা কিছু আছে, তা সত্যিকার কারণ ছাড়া সৃষ্টি করিনি এবং নিশ্চয় কিয়ামত আসবে। সুতরাং (হে রাসূল!) তুমি তাদেরকে (তাদের অসদাচরণগুলো) ভদ্রভাবে উপেক্ষা করো।

15:86

اِنَّ رَبَّكَ هُوَ الْخَلّٰقُ الْعَلِیْمُ ۟

নিশ্চয় তোমার রবই মহাস্রষ্টা, মহাজ্ঞানী।

15:87

وَلَقَدْ اٰتَیْنٰكَ سَبْعًا مِّنَ الْمَثَانِیْ وَالْقُرْاٰنَ الْعَظِیْمَ ۟

আর আমি তো তোমাকে দিয়েছি পুনঃপুন পঠিত সাতটি আয়াত (সূরাহ ফাতিহা) ও মহাগ্রন্থ আল-কুরআন।

15:88

لَا تَمُدَّنَّ عَیْنَیْكَ اِلٰی مَا مَتَّعْنَا بِهٖۤ اَزْوَاجًا مِّنْهُمْ وَلَا تَحْزَنْ عَلَیْهِمْ وَاخْفِضْ جَنَاحَكَ لِلْمُؤْمِنِیْنَ ۟

আমি তাদের (কাফিরদের) কিছু শ্রেণিকে যে ভোগ- বিলাসের উপকরণ দিয়েছি, তার প্রতি তুমি দু’চোখ প্রসারিত করো না। আর (তাদের মিথ্যারোপের কারণে) তাদের জন্য দুঃখিত হয়ো না এবং মু’মিনদের জন্য তোমার (দয়া এবং কোমলতার) বাহু অবনত করো।

15:89

وَقُلْ اِنِّیْۤ اَنَا النَّذِیْرُ الْمُبِیْنُ ۟ۚ

আর বলো: ‘নিশ্চয় আমি সুস্পষ্ট সতর্ককারী।’

15:90

كَمَاۤ اَنْزَلْنَا عَلَی الْمُقْتَسِمِیْنَ ۟ۙ

(আর আপনি আপনার কওমকে এমন আজাবের ভয় দেখান,) যা আমি (কুরআনকে) বিভক্তকারীদের (খণ্ডিতভাবে গ্রহণকারীদের) ওপর নাযিল করেছি।

15:91

الَّذِیْنَ جَعَلُوا الْقُرْاٰنَ عِضِیْنَ ۟

যারা কুরআনকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করেছিল।(১৪)

15:92

فَوَرَبِّكَ لَنَسْـَٔلَنَّهُمْ اَجْمَعِیْنَ ۟ۙ

অতএব (হে রাসূল!) তোমার রবের শপথ, আমি অবশ্যই তাদের সকলকে (কিয়ামতের দিন) জিজ্ঞাসাবাদ করবো,

15:93

عَمَّا كَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ۟

তারা যা (যে কুফরি ও পাপ কাজ দুনিয়াতে) করতো, সে সম্পর্কে।

15:94

فَاصْدَعْ بِمَا تُؤْمَرُ وَاَعْرِضْ عَنِ الْمُشْرِكِیْنَ ۟

সুতরাং (হে রাসূল!) তোমাকে যে আদেশ দেয়া হয়েছে, তা ব্যাপকভাবে (প্রকাশ্যে) প্রচার করো এবং মুশরিকদের উপেক্ষা করো।

15:95

اِنَّا كَفَیْنٰكَ الْمُسْتَهْزِءِیْنَ ۟ۙ

নিশ্চয় আমি তোমার জন্য উপহাসকারীদের (ষড়যন্ত্রের) বিপক্ষে যথেষ্ট।

15:96

الَّذِیْنَ یَجْعَلُوْنَ مَعَ اللّٰهِ اِلٰهًا اٰخَرَ ۚ— فَسَوْفَ یَعْلَمُوْنَ ۟

যারা আল্লাহর সাথে অন্য ইলাহ নির্ধারণ করে, তারা অচিরেই (শিরকের নিকৃষ্ট পরিণতি সম্পর্কে) জানতে পারবে।

15:97

وَلَقَدْ نَعْلَمُ اَنَّكَ یَضِیْقُ صَدْرُكَ بِمَا یَقُوْلُوْنَ ۟ۙ

আর (হে নবী,) অবশ্যই আমি জানি যে, তারা (তোমার বিরুদ্ধে) যা বলে,(১৫) তাতে তোমার অন্তর সংকুচিত হয় (তুমি বেদনাবোধ করো )।

15:98

فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَكُنْ مِّنَ السّٰجِدِیْنَ ۟ۙ

সুতরাং তুমি তোমার রবের প্রশংসার সাথে তাসবীহ পাঠ করো এবং সাজদাহকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।

15:99

وَاعْبُدْ رَبَّكَ حَتّٰی یَاْتِیَكَ الْیَقِیْنُ ۟۠

আর ইয়াকীন (মৃত্যু) আসা পর্যন্ত, তুমি তোমার রবের ইবাদাত করো।

সূত্র: Bangla translation: Rowwad Translation Center, QuranEnc.com — quranenc.com (fetched 2026-10-18) Hanafi font: DigitalKhatt IndoPak © Amine Anane, Tarteel Inc. (SIL OFL 1.1) — github.com (downloaded 2026-10-18) Madinah font: AlQuran-IndoPak by QuranWBW — github.com (v4.2.2) Quran text (Hanafi): Quranic Universal Library (QUL) by Tarteel — qul.tarteel.ai (downloaded 2026-10-18) Quran text (Madinah): Ayman Siddiqui & R. Siddiqua, QuranWBW.com / Quran.com — github.com (v9.6.1) Surah and para data: Tanzil.net (CC BY 3.0) — tanzil.net (1.0) তিলাওয়াত: Abdur-Rahman as-Sudais — everyayah.com তিলাওয়াত: Mishary Rashid Alafasy — everyayah.com তিলাওয়াত: Abdul Basit Abdus-Samad (Murattal) — everyayah.com

কাজের ফাঁকে কুরআন — KarbarX-এর ভেতরেই

দোকানের সফটওয়্যারেই কুরআন পড়া, শোনা, দৈনিক লক্ষ্য আর নামাজের রিমাইন্ডার — আপনার আর স্টাফদের জন্য।

৭ দিনের ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুন কার্ড লাগবে না · যেকোনো সময় বন্ধ করা যায়