صٓ وَالْقُرْاٰنِ ذِی الذِّكْرِ ۟ؕ
সোয়াদ; উপদেশপূর্ণ কুরআনের শপথ।(১)
The letter Saad · 88 আয়াত
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۟
صٓ وَالْقُرْاٰنِ ذِی الذِّكْرِ ۟ؕ
সোয়াদ; উপদেশপূর্ণ কুরআনের শপথ।(১)
بَلِ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا فِیْ عِزَّةٍ وَّشِقَاقٍ ۟
বরং যারা কুফরি করেছে, তারা অহংকার ও সত্যের বিরোধিতায় নিমজ্জিত রয়েছে।(২)
كَمْ اَهْلَكْنَا مِنْ قَبْلِهِمْ مِّنْ قَرْنٍ فَنَادَوْا وَّلَاتَ حِیْنَ مَنَاصٍ ۟
তাদের পূর্বে আমি কত বংশধরকে ধ্বংস করেছি। তখন তারা আর্তচিৎকার করেছিল; কিন্তু তখন (শাস্তি থেকে) পলায়নের কোন সময় ছিল না।
وَعَجِبُوْۤا اَنْ جَآءَهُمْ مُّنْذِرٌ مِّنْهُمْ ؗ— وَقَالَ الْكٰفِرُوْنَ هٰذَا سٰحِرٌ كَذَّابٌ ۟ۖۚ
আর তারা আশ্চার্যান্বিত হয়েছে যে, তাদের কাছে তাদের মধ্য থেকেই একজন সতর্ককারী (রাসূল) এসেছে এবং কাফিররা বলে: ‘এ তো জাদুকর, মিথ্যাবাদী।’
اَجَعَلَ الْاٰلِهَةَ اِلٰهًا وَّاحِدًا ۖۚ— اِنَّ هٰذَا لَشَیْءٌ عُجَابٌ ۟
‘সে কি সকল উপাস্যকে এক ইলাহ বানিয়ে নিয়েছে? নিশ্চয় এ তো এক আশ্চর্য বিষয়!’
وَانْطَلَقَ الْمَلَاُ مِنْهُمْ اَنِ امْشُوْا وَاصْبِرُوْا عَلٰۤی اٰلِهَتِكُمْ ۖۚ— اِنَّ هٰذَا لَشَیْءٌ یُّرَادُ ۟ۚ
আর তাদের গণ্যমান্য ও মোড়লরা চলে গেল একথা বলে যে, ‘তোমরা চলে যাও এবং তোমাদের উপাস্যগুলোর ওপর অবিচল থাক। নিশ্চয় (মুহাম্মাদের এক ইলাহের ইবাদাতের) এ বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রণোদিত।’
مَا سَمِعْنَا بِهٰذَا فِی الْمِلَّةِ الْاٰخِرَةِ ۖۚ— اِنْ هٰذَاۤ اِلَّا اخْتِلَاقٌ ۟ۖۚ
আমরা তো সাম্প্রতিক ধর্মমতে ((মুহাম্মাদের তাওহীদের) এ কথা শুনিনি।(৩) এটি তো নিছক মিথ্যা-বানোয়াট কথা ছাড়া আর কিছু নয়।
ءَاُنْزِلَ عَلَیْهِ الذِّكْرُ مِنْ بَیْنِنَا ؕ— بَلْ هُمْ فِیْ شَكٍّ مِّنْ ذِكْرِیْ ۚ— بَلْ لَّمَّا یَذُوْقُوْا عَذَابِ ۟ؕ
(মুশরিকরা বলল:) ‘আমাদের মধ্য থেকে শুধু তার ওপরই কি যিক্র (আল কুরআন) নাযিল করা হল?(৪) বরং তারা আমার যিকরের ব্যাপারে সন্দেহে রয়েছে। বরং তারা এখনও আমার শাস্তি আস্বাদন করেনি।(৫)
اَمْ عِنْدَهُمْ خَزَآىِٕنُ رَحْمَةِ رَبِّكَ الْعَزِیْزِ الْوَهَّابِ ۟ۚ
নাকি তোমার পরাক্রমশালী, মহাদাতা রবের রহমতের ভাণ্ডারসমূহ তাদের কাছেই রয়েছে?(৬)
اَمْ لَهُمْ مُّلْكُ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ وَمَا بَیْنَهُمَا ۫— فَلْیَرْتَقُوْا فِی الْاَسْبَابِ ۟
নাকি আসমানসমূহ, জমিন এবং এ দুয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রাজত্ব তাদের? তাহলে তারা উপায়-উপকরণে আরোহণ করুক।(৭)
جُنْدٌ مَّا هُنَالِكَ مَهْزُوْمٌ مِّنَ الْاَحْزَابِ ۟
এ বাহিনী অবশ্যই সেখানে দলসমূহের মত পরাজিত হবে। (৮) (৮) পূর্বে অতিবাহিত নবীদেরকে অস্বীকারকারীরা যেমন পরাজিত হয়েছে তেমনি মুহাম্মাদের অস্বীকারকারীরাও পরাভূত হবে।
كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوْحٍ وَّعَادٌ وَّفِرْعَوْنُ ذُو الْاَوْتَادِ ۟ۙ
তাদের পূর্বেও নূহের জাতি, ‘আদ সম্প্রদায় ও প্রতাপশালী অধিপতি ফির‘আউন (নবীদেরকে) অস্বীকার করেছিল।(৯)
وَثَمُوْدُ وَقَوْمُ لُوْطٍ وَّاَصْحٰبُ لْـَٔیْكَةِ ؕ— اُولٰٓىِٕكَ الْاَحْزَابُ ۟
ছামূদ, লুত সম্প্রদায় ও আইকার অধিবাসীরা (শুআইবের জাতি)ও। এরাই ছিল ( মিথ্যারোপকারী) দলসমূহ।
اِنْ كُلٌّ اِلَّا كَذَّبَ الرُّسُلَ فَحَقَّ عِقَابِ ۟۠
তাদের প্রত্যেকেই রাসূলদেরকে অস্বীকার করেছিল। ফলে আমার শাস্তি অবধারিত হয়েছিল।
وَمَا یَنْظُرُ هٰۤؤُلَآءِ اِلَّا صَیْحَةً وَّاحِدَةً مَّا لَهَا مِنْ فَوَاقٍ ۟
আর এরা তো কেবল (শিঙ্গায় ফুৎকারের) একটি বিকট আওয়াজের অপেক্ষা করছে, যাতে কোন বিরাম থাকবে না।(১০)
وَقَالُوْا رَبَّنَا عَجِّلْ لَّنَا قِطَّنَا قَبْلَ یَوْمِ الْحِسَابِ ۟
আর তারা বলে: হে ‘আমাদের রব, হিসাব দিবসের আগেই (পার্থিব জীবনে) আমাদের প্রাপ্য অংশটুকু আমাদেরকে তাড়াতাড়ি দিয়ে দিন।’
اِصْبِرْ عَلٰی مَا یَقُوْلُوْنَ وَاذْكُرْ عَبْدَنَا دَاوٗدَ ذَا الْاَیْدِ ۚ— اِنَّهٗۤ اَوَّابٌ ۟
(হে রাসূল!) তারা যা বলে, সে বিষয়ে ধৈর্য ধারণ কর এবং আমার (আনুগত্যে ও শত্রুর বিরোধিতায়) শক্তিশালী বান্দা দাঊদকে স্মরণ কর। নিশ্চয় সে ছিল আল্লাহর প্রতি সদা প্রত্যাবর্তনশীল।
اِنَّا سَخَّرْنَا الْجِبَالَ مَعَهٗ یُسَبِّحْنَ بِالْعَشِیِّ وَالْاِشْرَاقِ ۟ۙ
নিশ্চয় আমি (দাঊদের সাথে) পর্বতমালাকে অনুগত করেছিলাম, তার সাথে এগুলো সকাল-সন্ধ্যায় আমার তাসবীহ পাঠ করত।
وَالطَّیْرَ مَحْشُوْرَةً ؕ— كُلٌّ لَّهٗۤ اَوَّابٌ ۟
আর সমবেত পাখীদেরকেও ; প্রত্যেকেই ছিল অধিক আল্লাহ অভিমুখী।(১১)
وَشَدَدْنَا مُلْكَهٗ وَاٰتَیْنٰهُ الْحِكْمَةَ وَفَصْلَ الْخِطَابِ ۟
আর আমি তার রাজত্বকে সুদৃঢ় করেছিলাম এবং তাকে হিকমত (নবুওয়াত) ও ফয়সালাকারী বাগ্মিতা(১২) দিয়েছিলাম।
وَهَلْ اَتٰىكَ نَبَؤُا الْخَصْمِ ۘ— اِذْ تَسَوَّرُوا الْمِحْرَابَ ۟ۙ
আর হে রাসূল! তোমার কাছে কি ঝগড়াকারী লোকদের সংবাদ এসেছে? যখন তারা প্রাচীর ডিঙিয়ে মিহরাবে (দাঊদ এর ইবাদাতখানায়) আসল।
اِذْ دَخَلُوْا عَلٰی دَاوٗدَ فَفَزِعَ مِنْهُمْ قَالُوْا لَا تَخَفْ ۚ— خَصْمٰنِ بَغٰی بَعْضُنَا عَلٰی بَعْضٍ فَاحْكُمْ بَیْنَنَا بِالْحَقِّ وَلَا تُشْطِطْ وَاهْدِنَاۤ اِلٰی سَوَآءِ الصِّرَاطِ ۟
যখন তারা (উভয়ে আকস্মিকভাবে) দাঊদের কাছে প্রবেশ করল, তখন সে তাদের ভয় পেয়ে গেল। তারা (দাঊদকে) বলল: ‘আপনি ভয় করবেন না, আমরা বিবদমান দু’পক্ষ। আমাদের একে অন্যের উপর সীমালঙ্ঘন করেছে। অতএব আপনি আমাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করুন, অবিচার করবেন না। আর আমাদেরকে সরল-সঠিক পথের নির্দেশনা দিন।’
اِنَّ هٰذَاۤ اَخِیْ ۫— لَهٗ تِسْعٌ وَّتِسْعُوْنَ نَعْجَةً وَّلِیَ نَعْجَةٌ وَّاحِدَةٌ ۫— فَقَالَ اَكْفِلْنِیْهَا وَعَزَّنِیْ فِی الْخِطَابِ ۟
(বিবাদকারীদের একজন বললো:) ‘নিশ্চয় এ আমার ভাই। তার নিরানব্বইটি ভেড়ী আছে, আর আমার আছে মাত্র একটা ভেড়ী। তবুও সে বলে, ‘এ ভেড়ীটিও আমার তত্ত্বাবধানে দিয়ে দাও’, আর (প্রমাণ উপস্থাপনে) তর্কে সে আমার ওপর প্রাধান্য বিস্তার করেছে।’
قَالَ لَقَدْ ظَلَمَكَ بِسُؤَالِ نَعْجَتِكَ اِلٰی نِعَاجِهٖ ؕ— وَاِنَّ كَثِیْرًا مِّنَ الْخُلَطَآءِ لَیَبْغِیْ بَعْضُهُمْ عَلٰی بَعْضٍ اِلَّا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ وَقَلِیْلٌ مَّا هُمْ ؕ— وَظَنَّ دَاوٗدُ اَنَّمَا فَتَنّٰهُ فَاسْتَغْفَرَ رَبَّهٗ وَخَرَّ رَاكِعًا وَّاَنَابَ ۟
দাঊদ বলল: ‘তোমার ভেড়ীকে তার ভেড়ীর পালের সাথে যুক্ত করার দাবি করে সে তোমার প্রতি যুলম করেছে। আর শরীকদের অনেকেই (১৩) একে অন্যের উপর সীমালঙ্ঘন করে থাকে। তবে কেবল তারাই এরূপ করে না, যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে। আর এরা সংখ্যায় খুবই কম।’ আর দাঊদ বুঝতে পারল যে, (এই দুজনের ঝগড়া দ্বারা) আমি তাকে পরীক্ষা করেছি। তারপর সে তার রবের কাছে ক্ষমা চাইল, সাজদায় লুটিয়ে পড়ল এবং তাঁর অভিমুখী হল।
فَغَفَرْنَا لَهٗ ذٰلِكَ ؕ— وَاِنَّ لَهٗ عِنْدَنَا لَزُلْفٰی وَحُسْنَ مَاٰبٍ ۟
তখন আমি তাকে তা ক্ষমা করে দিলাম। আর অবশ্যই আমার কাছে তার জন্য রয়েছে নৈকট্য এবং উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।
یٰدَاوٗدُ اِنَّا جَعَلْنٰكَ خَلِیْفَةً فِی الْاَرْضِ فَاحْكُمْ بَیْنَ النَّاسِ بِالْحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ الْهَوٰی فَیُضِلَّكَ عَنْ سَبِیْلِ اللّٰهِ ؕ— اِنَّ الَّذِیْنَ یَضِلُّوْنَ عَنْ سَبِیْلِ اللّٰهِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِیْدٌۢ بِمَا نَسُوْا یَوْمَ الْحِسَابِ ۟۠
হে দাঊদ! নিশ্চয় আমি তোমাকে জমিনে খলীফা বানিয়েছি, অতএব তুমি মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচার করো এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ করো না। কেননা তা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। নিশ্চয় যারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত হয়, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি। কারণ তারা হিসাব দিবসকে ভুলে গিয়েছিল।
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَآءَ وَالْاَرْضَ وَمَا بَیْنَهُمَا بَاطِلًا ؕ— ذٰلِكَ ظَنُّ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا ۚ— فَوَیْلٌ لِّلَّذِیْنَ كَفَرُوْا مِنَ النَّارِ ۟ؕ
আর আসমান, জমিন এবং এ দু’য়ের মধ্যে যা কিছু আছে, তা আমি অনর্থক সৃষ্টি করিনি। অনর্থক সৃষ্টি করার ধারণাটি কেবল কাফিরদের। সুতরাং কাফিরদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের দুর্ভোগ।
اَمْ نَجْعَلُ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ كَالْمُفْسِدِیْنَ فِی الْاَرْضِ ؗ— اَمْ نَجْعَلُ الْمُتَّقِیْنَ كَالْفُجَّارِ ۟
যারা ঈমান আনে ও সৎকাজ করে আমি কি তাদেরকে জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের সমতুল্য গণ্য করব? নাকি আমি মুত্তাকীদেরকে পাপাচারীদের সমতুল্য গণ্য করব?(১৪)
كِتٰبٌ اَنْزَلْنٰهُ اِلَیْكَ مُبٰرَكٌ لِّیَدَّبَّرُوْۤا اٰیٰتِهٖ وَلِیَتَذَكَّرَ اُولُوا الْاَلْبَابِ ۟
আমি তোমার প্রতি নাযিল করেছি এক বরকতময় কিতাব (আল কুরআন), যাতে মানুষ এর আয়াতসমূহ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করে এবং যাতে বুদ্ধিমানগণ (তা থেকে) উপদেশ গ্রহণ করে।
وَوَهَبْنَا لِدَاوٗدَ سُلَیْمٰنَ ؕ— نِعْمَ الْعَبْدُ ؕ— اِنَّهٗۤ اَوَّابٌ ۟ؕ
আর আমি দাঊদকে (পুত্র হিসাবে) সুলাইমানকে দান করলাম। সে কতই না উত্তম বান্দা! নিঃসন্দেহে সে ছিল অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী।
اِذْ عُرِضَ عَلَیْهِ بِالْعَشِیِّ الصّٰفِنٰتُ الْجِیَادُ ۟ۙ
যখন তার সামনে সন্ধ্যাবেলায় পেশ করা হল, দ্রুতগামী উৎকৃষ্ট ঘোড়াসমূহ।
فَقَالَ اِنِّیْۤ اَحْبَبْتُ حُبَّ الْخَیْرِ عَنْ ذِكْرِ رَبِّیْ ۚ— حَتّٰی تَوَارَتْ بِالْحِجَابِ ۟۫
তখন সে (সুলাইমান) বলল: ‘আমি তো আমার রবের স্মরণ থেকে বিমুখ হয়ে ঐশ্বর্যের প্রেমে মগ্ন হয়ে পড়েছি, এদিকে সূর্য পর্দার আড়ালে চলে গেছে(১৫)।
رُدُّوْهَا عَلَیَّ ؕ— فَطَفِقَ مَسْحًا بِالسُّوْقِ وَالْاَعْنَاقِ ۟
তিনি বললেন, ‘ঘোড়াগুলোকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনো।’ অতঃপর তিনি তাদের পা ও গলদেশে হাত বুলাতে লাগলেন।(১৬)
وَلَقَدْ فَتَنَّا سُلَیْمٰنَ وَاَلْقَیْنَا عَلٰی كُرْسِیِّهٖ جَسَدًا ثُمَّ اَنَابَ ۟
আর আমি তো সুলাইমানকে পরীক্ষা করেছিলাম এবং তার সিংহাসনের ওপর রেখেছিলাম (অপূর্ণাঙ্গ) একটি দেহ(১৭), অতঃপর সে (তাওবা করে) আমার অভিমুখী হল।
قَالَ رَبِّ اغْفِرْ لِیْ وَهَبْ لِیْ مُلْكًا لَّا یَنْۢبَغِیْ لِاَحَدٍ مِّنْ بَعْدِیْ ۚ— اِنَّكَ اَنْتَ الْوَهَّابُ ۟
সুলাইমান বলল: ‘হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমাকে এমন এক রাজত্ব দান করুন যা আমার পর আর কারও জন্যই প্রযোজ্য হবে না। নিশ্চয়ই আপনি বড়ই দানশীল।
فَسَخَّرْنَا لَهُ الرِّیْحَ تَجْرِیْ بِاَمْرِهٖ رُخَآءً حَیْثُ اَصَابَ ۟ۙ
ফলে আমি বায়ুকে তার অনুগত করে দিলাম, যা তার আদেশে মৃদুমন্দভাবে যেখানে সে পৌঁছাতে চাইত প্রবাহিত হত।
وَالشَّیٰطِیْنَ كُلَّ بَنَّآءٍ وَّغَوَّاصٍ ۟ۙ
আর (তার অনুগত করে দিলাম) প্রত্যেক প্রাসাদ নির্মাণকারী ও ডুবুরী শয়তান (জিন)সমূহকেও।
وَّاٰخَرِیْنَ مُقَرَّنِیْنَ فِی الْاَصْفَادِ ۟
আর শেকলে আবদ্ধ আরও অনেককে ।(১৮)
هٰذَا عَطَآؤُنَا فَامْنُنْ اَوْ اَمْسِكْ بِغَیْرِ حِسَابٍ ۟
(১৯) ‘এসব আমার অনুগ্রহ। অতএব তুমি এ থেকে অন্যের জন্য খরচ করো অথবা নিজের জন্য রেখে দাও, এর কোন হিসাব নেওয়া হবে না।
وَاِنَّ لَهٗ عِنْدَنَا لَزُلْفٰی وَحُسْنَ مَاٰبٍ ۟۠
আর নিশ্চয় আমার নিকট রয়েছে তার জন্য নৈকট্য ও উত্তম প্রত্যাবর্তনস্থল।
وَاذْكُرْ عَبْدَنَاۤ اَیُّوْبَ ۘ— اِذْ نَادٰی رَبَّهٗۤ اَنِّیْ مَسَّنِیَ الشَّیْطٰنُ بِنُصْبٍ وَّعَذَابٍ ۟ؕ
হে রাসূল! স্মরণ কর আমার বান্দা আইউবকে, যখন সে তার রবকে ডেকে বলেছিল: ‘শয়তান তো আমাকে অনেক যন্ত্রণা ও কষ্টে ফেলেছে।’
اُرْكُضْ بِرِجْلِكَ ۚ— هٰذَا مُغْتَسَلٌۢ بَارِدٌ وَّشَرَابٌ ۟
‘তুমি তোমার পা দিয়ে (ভূমিতে) আঘাত কর (২০) , এ হচ্ছে গোসলের সুশীতল পানি আর পান করার পানীয়।’(২১) (২০) ফলে পানির ঝর্ণা সৃষ্টি হলে বললাম:
وَوَهَبْنَا لَهٗۤ اَهْلَهٗ وَمِثْلَهُمْ مَّعَهُمْ رَحْمَةً مِّنَّا وَذِكْرٰی لِاُولِی الْاَلْبَابِ ۟
আর (তার ধৈর্যের প্রতিদান হিসেবে) আমার পক্ষ থেকে রহমতস্বরূপ ও বুদ্ধিমানদের জন্য উপদেশস্বরূপ আমি তাকে তার পরিবার-পরিজন ও তাদের সাথে তাদের অনুরূপ অনেককে দান করলাম ।(২২)
وَخُذْ بِیَدِكَ ضِغْثًا فَاضْرِبْ بِّهٖ وَلَا تَحْنَثْ ؕ— اِنَّا وَجَدْنٰهُ صَابِرًا ؕ— نِّعْمَ الْعَبْدُ ؕ— اِنَّهٗۤ اَوَّابٌ ۟
আর তুমি তোমার হাতে এক মুঠো তৃণলতা নাও এবং তা দিয়ে (স্বীয় স্ত্রীকে একশ) বেত্রাঘাত কর। আর শপথ ভঙ্গ করো না।(২৩) নিশ্চয় আমি তাকে ধৈর্যশীল পেয়েছি। সে কতই না উত্তম বান্দা! নিশ্চয়ই সে ছিল আমার অভিমুখী।
وَاذْكُرْ عِبٰدَنَاۤ اِبْرٰهِیْمَ وَاِسْحٰقَ وَیَعْقُوْبَ اُولِی الْاَیْدِیْ وَالْاَبْصَارِ ۟
আর (হে রাসূল!) আমার বান্দা ইবরাহীম, ইসহাক ও ইয়া‘কূবকে স্মরণ কর। তারা ছিল (আল্লাহর আনুগত্যে) শক্তিমান এবং সত্য উপলব্ধিতে প্রখর।
اِنَّاۤ اَخْلَصْنٰهُمْ بِخَالِصَةٍ ذِكْرَی الدَّارِ ۟ۚ
নিশ্চয় আমি তাদেরকে এক বিশেষ গুণে বিশিষ্ট করেছি, আখিরাতের আবাসের স্মরণে।
وَاِنَّهُمْ عِنْدَنَا لَمِنَ الْمُصْطَفَیْنَ الْاَخْیَارِ ۟ؕ
আর নিশ্চয় তারা ছিল (২৪) আমার মনোনীত, সর্বোত্তম বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।
وَاذْكُرْ اِسْمٰعِیْلَ وَالْیَسَعَ وَذَا الْكِفْلِ ؕ— وَكُلٌّ مِّنَ الْاَخْیَارِ ۟ؕ
হে রাসূল! স্মরণ কর ইসমাঈল, আল-ইয়াসা‘আ ও যুল-কিফলের কথা। এরা প্রত্যেকেই ছিল (আল্লাহর মনোনীত) সর্বোত্তমদের অন্তর্ভুক্ত।
هٰذَا ذِكْرٌ ؕ— وَاِنَّ لِلْمُتَّقِیْنَ لَحُسْنَ مَاٰبٍ ۟ۙ
এ আল কুরআন হলো এক স্মরণ। আর মুত্তাকীদের জন্য অবশ্যই রয়েছে উত্তম নিবাস-
جَنّٰتِ عَدْنٍ مُّفَتَّحَةً لَّهُمُ الْاَبْوَابُ ۟ۚ
চিরস্থায়ী জান্নাত, যার দরজাসমূহ তাদের প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
مُتَّكِـِٕیْنَ فِیْهَا یَدْعُوْنَ فِیْهَا بِفَاكِهَةٍ كَثِیْرَةٍ وَّشَرَابٍ ۟
সেখানে তারা হেলান দিয়ে আসীন থাকবে, সেখানে তারা বহু ফলমূল ও পানীয় চাইবে।
وَعِنْدَهُمْ قٰصِرٰتُ الطَّرْفِ اَتْرَابٌ ۟
আর তাদের পাশে থাকবে আনতনয়না সমবয়ষ্কা (হূর)।
هٰذَا مَا تُوْعَدُوْنَ لِیَوْمِ الْحِسَابِ ۟
এসব (নি‘আমত) হচ্ছে, হিসাব দিবসের জন্যে তোমাদেরকে দেয়া প্ৰতিশ্রুতি।
اِنَّ هٰذَا لَرِزْقُنَا مَا لَهٗ مِنْ نَّفَادٍ ۟ۚۖ
নিশ্চয় এটি আমার দেয়া রিযক, যা নিঃশেষ হবার নয়।
هٰذَا ؕ— وَاِنَّ لِلطّٰغِیْنَ لَشَرَّ مَاٰبٍ ۟ۙ
এটাই (মুমিনদের প্রতিদান)(২৫)। আর নিশ্চয়ই সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট প্রত্যাবর্তনস্থল।
جَهَنَّمَ ۚ— یَصْلَوْنَهَا ۚ— فَبِئْسَ الْمِهَادُ ۟
জাহান্নাম, তারা সেখানে অগ্নিদগ্ধ হবে। কতই না নিকৃষ্ট সে নিবাস!
هٰذَا ۙ— فَلْیَذُوْقُوْهُ حَمِیْمٌ وَّغَسَّاقٌ ۟ۙ
এটাই (তাদের শাস্তি)। সুতরাং তারা এটি আস্বাদন করুক ফুটন্ত পানি ও পুঁজ।
وَّاٰخَرُ مِنْ شَكْلِهٖۤ اَزْوَاجٌ ۟ؕ
(তাদের জন্য) আরও রয়েছে এ জাতীয় বিভিন্ন ধরনের শাস্তি।(২৬)
هٰذَا فَوْجٌ مُّقْتَحِمٌ مَّعَكُمْ ۚ— لَا مَرْحَبًا بِهِمْ ؕ— اِنَّهُمْ صَالُوا النَّارِ ۟
(জাহান্নামীরা বিবাদ করে একে অপরকে বলবে:) এই তো এক দল তোমাদের সাথেই প্রবেশ করছে, (প্রতিউত্তরে অপর দল বলবে:) তাদের জন্য নেই কোন অভিনন্দন। নিশ্চয় তারা (জাহান্নামের) আগুনে জ্বলবে।
قَالُوْا بَلْ اَنْتُمْ ۫— لَا مَرْحَبًا بِكُمْ ؕ— اَنْتُمْ قَدَّمْتُمُوْهُ لَنَا ۚ— فَبِئْسَ الْقَرَارُ ۟
অনুসারীরা (অনুসরণীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে) বলবে: ‘বরং তোমরাও, তোমাদের জন্যও তো নেই কোন অভিনন্দন। তোমরাই আমাদের জন্য এ বিপদ এনেছ। অতএব কতই না নিকৃষ্ট এ আবাসস্থল’!
قَالُوْا رَبَّنَا مَنْ قَدَّمَ لَنَا هٰذَا فَزِدْهُ عَذَابًا ضِعْفًا فِی النَّارِ ۟
অনুসারীরা বলবে: ‘হে আমাদের রব, যে আমাদের জন্য এ বিপদ এনেছে, জাহান্নামে তুমি তার শাস্তিকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে দাও।’
وَقَالُوْا مَا لَنَا لَا نَرٰی رِجَالًا كُنَّا نَعُدُّهُمْ مِّنَ الْاَشْرَارِ ۟ؕ
আর তারা (সীমালঙ্ঘনকারীরা) বলবে: ‘আমাদের কী হল যে, আমরা যাদেরকে হতভাগা গণ্য করতাম সে সকল লোককে এখানে দেখছি না।’(২৮)
اَتَّخَذْنٰهُمْ سِخْرِیًّا اَمْ زَاغَتْ عَنْهُمُ الْاَبْصَارُ ۟
‘তবে কি আমরা তাদেরকে অহেতুকই ঠাট্টা বিদ্রুপের পাত্র মনে করতাম, নাকি তাদের ব্যাপারে (আমাদের) দৃষ্টি বিভ্রম ঘটেছে?’(২৯)
اِنَّ ذٰلِكَ لَحَقٌّ تَخَاصُمُ اَهْلِ النَّارِ ۟۠
নিশ্চয় জাহান্নামীদের এই পারস্পরিক বাকবিতণ্ডা এটি সুনিশ্চিত সত্য (ঘটনা)।
قُلْ اِنَّمَاۤ اَنَا مُنْذِرٌ ۖۗ— وَّمَا مِنْ اِلٰهٍ اِلَّا اللّٰهُ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ ۟ۚ
হে রাসূল! তুমি বলো: ‘আমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র। আল্লাহ ছাড়া আর কোন (সত্য) ইলাহ নেই। যিনি এক, প্রবল প্রতাপশালী।’
رَبُّ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ وَمَا بَیْنَهُمَا الْعَزِیْزُ الْغَفَّارُ ۟
যিনি আসমানসমূহ ও জমিন এবং এতদুভয়ের মধ্যস্থিত যা কিছু রয়েছে, সব কিছুর রব। তিনি মহাপরাক্রমশালী, মহাক্ষমাশীল।
قُلْ هُوَ نَبَؤٌا عَظِیْمٌ ۟ۙ
হে রাসূল! তুমি বলো: ‘অবশ্যই এটি এক মহাসংবাদ।’
اَنْتُمْ عَنْهُ مُعْرِضُوْنَ ۟
‘তোমরা এ মহা সংবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে আছ।’
مَا كَانَ لِیَ مِنْ عِلْمٍ بِالْمَلَاِ الْاَعْلٰۤی اِذْ یَخْتَصِمُوْنَ ۟
‘ঊর্ধ্বলোক সম্পর্কে আমার কোন জ্ঞানই ছিল না যখন তারা বাদানুবাদ করছিল।’(৩০)
اِنْ یُّوْحٰۤی اِلَیَّ اِلَّاۤ اَنَّمَاۤ اَنَا نَذِیْرٌ مُّبِیْنٌ ۟
আমার কাছে তো এ ওহীই এসেছে যে, আমি একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।’
اِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلٰٓىِٕكَةِ اِنِّیْ خَالِقٌۢ بَشَرًا مِّنْ طِیْنٍ ۟
হে রাসূল! তুমি সে সময়ের কথা স্মরণ কর, যখন তোমার রব ফিরিশতাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন: ‘নিশ্চয় আমি মাটি হতে মানুষ (আদমকে) সৃষ্টি করব।’
فَاِذَا سَوَّیْتُهٗ وَنَفَخْتُ فِیْهِ مِنْ رُّوْحِیْ فَقَعُوْا لَهٗ سٰجِدِیْنَ ۟
‘অতঃপর যখন আমি তাকে সুঠাম করব এবং তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দিবো, তখন তোমরা তার সম্মানে সাজদাবনত হয়ে যাও।’
فَسَجَدَ الْمَلٰٓىِٕكَةُ كُلُّهُمْ اَجْمَعُوْنَ ۟ۙ
ফলে ফিরিশতারা (স্বীয় রবের নির্দেশে) সকলেই সাজদাবনত হল।
اِلَّاۤ اِبْلِیْسَ ؕ— اِسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكٰفِرِیْنَ ۟
ইবলীস (শয়তান) ছাড়া, সে অহংকার করল এবং কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ল।
قَالَ یٰۤاِبْلِیْسُ مَا مَنَعَكَ اَنْ تَسْجُدَ لِمَا خَلَقْتُ بِیَدَیَّ ؕ— اَسْتَكْبَرْتَ اَمْ كُنْتَ مِنَ الْعَالِیْنَ ۟
আল্লাহ বললেন: ‘হে ইবলীস, আমি আমার দু’হাতে যাকে (আদমকে) সৃষ্টি করেছি তার প্রতি সাজদাবনত হতে কিসে তোমাকে বাধা দিল? তুমি কি অহংকার করলে, না তুমি অধিকতর উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন?’
قَالَ اَنَا خَیْرٌ مِّنْهُ ؕ— خَلَقْتَنِیْ مِنْ نَّارٍ وَّخَلَقْتَهٗ مِنْ طِیْنٍ ۟
ইবলীস বলল: ‘আমি তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন আগুন থেকে আর তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে।’(৩১)
قَالَ فَاخْرُجْ مِنْهَا فَاِنَّكَ رَجِیْمٌ ۟ۙۖ
তিনি ( ইবলীসকে) বললেন: ‘তুমি এখান (জান্নাত) থেকে বের হয়ে যাও। কেননা নিশ্চয় তুমি অভিশপ্ত বিতাড়িত।
وَّاِنَّ عَلَیْكَ لَعْنَتِیْۤ اِلٰی یَوْمِ الدِّیْنِ ۟
আর নিশ্চয় বিচার দিবস পর্যন্ত তোমার ওপর আমার লা‘নত বলবৎ থাকবে।’
قَالَ رَبِّ فَاَنْظِرْنِیْۤ اِلٰی یَوْمِ یُبْعَثُوْنَ ۟
সে (ইবলীস) বলল: ‘হে আমার রব, আমাকে সে দিন পর্যন্ত অবকাশ দিন, যেদিন তারা পুনরুত্থিত হবে।’(৩২)
قَالَ فَاِنَّكَ مِنَ الْمُنْظَرِیْنَ ۟ۙ
আল্লাহ বললেন: আচ্ছা তুমি অবকাশপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হলে-
اِلٰی یَوْمِ الْوَقْتِ الْمَعْلُوْمِ ۟
‘ নির্ধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।'
قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَاُغْوِیَنَّهُمْ اَجْمَعِیْنَ ۟ۙ
সে (ইবলীস) বলল: ‘আপনার ইজ্জতের শপথ! আমি তাদের সকলকেই পথভ্রষ্ট করে ছাড়ব।’
اِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلَصِیْنَ ۟
তবে তাদের মধ্য থেকে আপনার একনিষ্ঠ বান্দারা ছাড়া।
قَالَ فَالْحَقُّ ؗ— وَالْحَقَّ اَقُوْلُ ۟ۚ
আল্লাহ বললেন: ‘সত্য আমার পক্ষ থেকে, আর আমি সত্য-ই বলি...
لَاَمْلَـَٔنَّ جَهَنَّمَ مِنْكَ وَمِمَّنْ تَبِعَكَ مِنْهُمْ اَجْمَعِیْنَ ۟
আমি অবশ্যই জাহান্নামকে তোমাকে এবং তাদের মধ্য থেকে যারা তোমার অনুসরণ করবে, তাদের সবাইকে দিয়ে পরিপূর্ণ করব।
قُلْ مَاۤ اَسْـَٔلُكُمْ عَلَیْهِ مِنْ اَجْرٍ وَّمَاۤ اَنَا مِنَ الْمُتَكَلِّفِیْنَ ۟
হে রাসূল! তুমি বলো: ‘এর বিনিময়ে আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না, আর আমি লৌকিকতা প্রদর্শনকারীদের অন্তর্ভুক্ত নই।’
اِنْ هُوَ اِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعٰلَمِیْنَ ۟
সৃষ্টিকুলের জন্য এ ( কুরআন) তো উপদেশ ছাড়া আর কিছু নয়।
وَلَتَعْلَمُنَّ نَبَاَهٗ بَعْدَ حِیْنٍ ۟۠
আর অচিরেই তোমরা (মৃত্যুর পরে) এর সংবাদ জানতে পারবে।
দোকানের সফটওয়্যারেই কুরআন পড়া, শোনা, দৈনিক লক্ষ্য আর নামাজের রিমাইন্ডার — আপনার আর স্টাফদের জন্য।
৭ দিনের ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুন কার্ড লাগবে না · যেকোনো সময় বন্ধ করা যায়