وَالذّٰرِیٰتِ ذَرْوًا ۟ۙ
শপথ সেই বায়ুর, যা প্রবলভাবে ধুলাবালি ছড়িয়ে দেয়।
The Winnowing Winds · 60 আয়াত
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۟
وَالذّٰرِیٰتِ ذَرْوًا ۟ۙ
শপথ সেই বায়ুর, যা প্রবলভাবে ধুলাবালি ছড়িয়ে দেয়।
فَالْحٰمِلٰتِ وِقْرًا ۟ۙ
অতঃপর শপথ (পানির) বোঝা বহনকারী মেঘমালার,
فَالْجٰرِیٰتِ یُسْرًا ۟ۙ
অতঃপর শপথ (সমুদ্রে) স্বাচ্ছন্দ্যে চলমান নৌযানসমূহের।
فَالْمُقَسِّمٰتِ اَمْرًا ۟ۙ
অতঃপর শপথ [আল্লাহর] নির্দেশ বণ্টনকারী ফিরিশতাগণের।
اِنَّمَا تُوْعَدُوْنَ لَصَادِقٌ ۟ۙ
তোমাদের (রবের) প্রদত্ত ওয়াদা অবশ্যই সত্য।
وَّاِنَّ الدِّیْنَ لَوَاقِعٌ ۟ؕ
(কিয়ামত দিবসের) প্রতিদান অবশ্যই সংঘটিত হবে।
وَالسَّمَآءِ ذَاتِ الْحُبُكِ ۟ۙ
শপথ সৌন্দর্যমন্ডিত আকাশের,
اِنَّكُمْ لَفِیْ قَوْلٍ مُّخْتَلِفٍ ۟ۙ
নিশ্চয় তোমরা মতবিরোধপূর্ণ কথায় লিপ্ত।
یُّؤْفَكُ عَنْهُ مَنْ اُفِكَ ۟ؕ
যে পথভ্রষ্ট হয়েছে তাকেই তা (হিদায়াত) থেকে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে।
قُتِلَ الْخَرّٰصُوْنَ ۟ۙ
অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক!
الَّذِیْنَ هُمْ فِیْ غَمْرَةٍ سَاهُوْنَ ۟ۙ
যারা (পরকাল সম্পর্কে) সন্দেহ-সংশয়ে নিপতিত, উদাসীন।
یَسْـَٔلُوْنَ اَیَّانَ یَوْمُ الدِّیْنِ ۟ؕ
তারা (ঠাট্টাচ্ছলে) জিজ্ঞাসা করে, ‘প্রতিদান দিবস কবে?’
یَوْمَ هُمْ عَلَی النَّارِ یُفْتَنُوْنَ ۟
‘যে দিন তারা অগ্নিতে সাজাপ্রাপ্ত হবে।’
ذُوْقُوْا فِتْنَتَكُمْ ؕ— هٰذَا الَّذِیْ كُنْتُمْ بِهٖ تَسْتَعْجِلُوْنَ ۟
বলা হবে, ‘তোমরা আযাবের স্বাদ আস্বাদন করো। এটিতো তোমরা ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিলে।’
اِنَّ الْمُتَّقِیْنَ فِیْ جَنّٰتٍ وَّعُیُوْنٍ ۟ۙ
নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে জান্নাতসমূহে ও ঝর্ণাধারায়,
اٰخِذِیْنَ مَاۤ اٰتٰىهُمْ رَبُّهُمْ ؕ— اِنَّهُمْ كَانُوْا قَبْلَ ذٰلِكَ مُحْسِنِیْنَ ۟ؕ
তাদের রব তাদের যা দিবেন তা তারা খুশিতে গ্রহণকারী হবে। ইতঃপূর্বে (দুনিয়াতে) তারাই ছিল সৎকর্মশীল।
كَانُوْا قَلِیْلًا مِّنَ الَّیْلِ مَا یَهْجَعُوْنَ ۟
রাতের সামান্য অংশই এরা ঘুমিয়ে কাটাতো।(১)
وَبِالْاَسْحَارِ هُمْ یَسْتَغْفِرُوْنَ ۟
আর রাতের শেষ ভাগে এরা আল্লাহর নিকট ক্ষমা ক্ষমা প্রার্থনা করত।
وَفِیْۤ اَمْوَالِهِمْ حَقٌّ لِّلسَّآىِٕلِ وَالْمَحْرُوْمِ ۟
আর তাদের ধনসম্পদে প্রার্থী ও বঞ্চিতের জন্য একটি নির্ধারিত অধিকার রয়েছে।
وَفِی الْاَرْضِ اٰیٰتٌ لِّلْمُوْقِنِیْنَ ۟ۙ
আর সুনিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য জমিনে (২) অনেক নিদর্শন রয়েছে।
وَفِیْۤ اَنْفُسِكُمْ ؕ— اَفَلَا تُبْصِرُوْنَ ۟
এবং তোমাদের নিজেদের মধ্যেও (৩) অনেক নিদর্শন রয়েছে।তবুও তোমরা কি চক্ষুষ্মান হবে না?
وَفِی السَّمَآءِ رِزْقُكُمْ وَمَا تُوْعَدُوْنَ ۟
আকাশে রয়েছে তোমাদের রিযক ও প্রতিশ্রুত সব কিছু।(৪)
فَوَرَبِّ السَّمَآءِ وَالْاَرْضِ اِنَّهٗ لَحَقٌّ مِّثْلَ مَاۤ اَنَّكُمْ تَنْطِقُوْنَ ۟۠
অতএব আসমান ও জমিনের রবের শপথ! নিশ্চয়ই এটি (পুনরুত্থান) তেমনি সত্য, যেমন তোমাদের কথা বলা সত্য।
هَلْ اَتٰىكَ حَدِیْثُ ضَیْفِ اِبْرٰهِیْمَ الْمُكْرَمِیْنَ ۟ۘ
হে রাসূল! তোমার কাছে কি ইবরাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে?
اِذْ دَخَلُوْا عَلَیْهِ فَقَالُوْا سَلٰمًا ؕ— قَالَ سَلٰمٌ ۚ— قَوْمٌ مُّنْكَرُوْنَ ۟
যখন তারা তার কাছে এসে বলল: ‘সালাম’, উত্তরে সেও বলল, ‘সালাম’। এরা তো অপরিচিত লোক।
فَرَاغَ اِلٰۤی اَهْلِهٖ فَجَآءَ بِعِجْلٍ سَمِیْنٍ ۟ۙ
অতঃপর সে নিঃশব্দে তাঁর পরিবারের কাছে গেলো এবং একটি মোটাতাজা (ভাজা) বাছুর নিয়ে এলো।
فَقَرَّبَهٗۤ اِلَیْهِمْ قَالَ اَلَا تَاْكُلُوْنَ ۟ؗ
অতঃপর সে তা তাদের সামনে পরিবেশন করল এবং বলল, ‘তোমরা কি আহার করবে না?’
فَاَوْجَسَ مِنْهُمْ خِیْفَةً ؕ— قَالُوْا لَا تَخَفْ ؕ— وَبَشَّرُوْهُ بِغُلٰمٍ عَلِیْمٍ ۟
এতে(৫) তাদের সম্পর্কে সে মনে মনে ভীত হল। তারা বললো: ‘ভয় পেয়ো না।’ তারা তাকে এক বিদ্বান পুত্র সন্তানের (ইসহাকের) সুসংবাদ দিল।
فَاَقْبَلَتِ امْرَاَتُهٗ فِیْ صَرَّةٍ فَصَكَّتْ وَجْهَهَا وَقَالَتْ عَجُوْزٌ عَقِیْمٌ ۟
তখন তার স্ত্রী চিৎকার করতে করতে এগিয়ে আসল এবং নিজ মুখ চাপড়িয়ে (আশ্চর্য হয়ে) বললো: ( আমি তো) ‘বৃদ্ধা, বন্ধ্যা।’(৬)
قَالُوْا كَذٰلِكِ ۙ— قَالَ رَبُّكِ ؕ— اِنَّهٗ هُوَ الْحَكِیْمُ الْعَلِیْمُ ۟
ফিরিশতারা বললো: ‘তোমার রব এরূপই বলেছেন। নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।’
قَالَ فَمَا خَطْبُكُمْ اَیُّهَا الْمُرْسَلُوْنَ ۟
ইবরাহীম বললো: ‘হে প্রেরিত ফিরিশতাগণ! তোমাদের (আগমনের আসল ) উদ্দেশ্য কি?’
قَالُوْۤا اِنَّاۤ اُرْسِلْنَاۤ اِلٰی قَوْمٍ مُّجْرِمِیْنَ ۟ۙ
তারা বললো: ‘আমরা এক অপরাধী (লূতের) জাতির নিকট প্রেরিত হয়েছি।’
لِنُرْسِلَ عَلَیْهِمْ حِجَارَةً مِّنْ طِیْنٍ ۟ۙ
‘যাতে তাদের উপর শক্ত মাটির পাথর নিক্ষেপ করি।’
مُّسَوَّمَةً عِنْدَ رَبِّكَ لِلْمُسْرِفِیْنَ ۟
‘যা তোমার রবের পক্ষ থেকে চিহ্নিত (করে দেওয়া হয়েছে), সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য (শাস্তিস্বরূপ)।’
فَاَخْرَجْنَا مَنْ كَانَ فِیْهَا مِنَ الْمُؤْمِنِیْنَ ۟ۚ
অতঃপর আমি সেখানে যেসব মু’মিন ছিল তাদেরকে বের করে নিয়ে আসলাম।(৭)
فَمَا وَجَدْنَا فِیْهَا غَیْرَ بَیْتٍ مِّنَ الْمُسْلِمِیْنَ ۟ۚ
তবে আমি সেখানে একটি বাড়ি (লূতের পরিবার) ছাড়া কোন মুসলিম পাইনি।
وَتَرَكْنَا فِیْهَاۤ اٰیَةً لِّلَّذِیْنَ یَخَافُوْنَ الْعَذَابَ الْاَلِیْمَ ۟ؕ
আর যারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তিকে ভয় করে আমি তাদের জন্য সেখানে একটি নিদর্শন রেখেছি।
وَفِیْ مُوْسٰۤی اِذْ اَرْسَلْنٰهُ اِلٰی فِرْعَوْنَ بِسُلْطٰنٍ مُّبِیْنٍ ۟
আর মূসার কাহিনীতেও নিদর্শন রয়েছে, যখন আমি তাকে সুস্পষ্ট প্রমাণসহ ফির‘আউনের কাছে পাঠিয়েছিলাম।
فَتَوَلّٰی بِرُكْنِهٖ وَقَالَ سٰحِرٌ اَوْ مَجْنُوْنٌ ۟
কিন্তু ফির‘আউন তার দলবলসহ মুখ ফিরিয়ে নিল এবং বললো: ‘এ ব্যক্তি যাদুকর অথবা পাগল।’
فَاَخَذْنٰهُ وَجُنُوْدَهٗ فَنَبَذْنٰهُمْ فِی الْیَمِّ وَهُوَ مُلِیْمٌ ۟ؕ
ফলে আমি তাকে ও তার সৈন্যবাহিনীকে পাকড়াও করলাম। অতঃপর তাদেরকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করলাম। সে তো ছিল তিরস্কৃত।
وَفِیْ عَادٍ اِذْ اَرْسَلْنَا عَلَیْهِمُ الرِّیْحَ الْعَقِیْمَ ۟ۚ
আর ‘আদ জাতির ঘটনায়ও (৮) , যখন আমি তাদের ওপর প্রেরণ করেছিলাম অকল্যাণকর-বন্ধা বায়ু।
مَا تَذَرُ مِنْ شَیْءٍ اَتَتْ عَلَیْهِ اِلَّا جَعَلَتْهُ كَالرَّمِیْمِ ۟ؕ
ঐ (বিধ্বংসী) বায়ু যার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল তাকেই চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছিল।
وَفِیْ ثَمُوْدَ اِذْ قِیْلَ لَهُمْ تَمَتَّعُوْا حَتّٰی حِیْنٍ ۟
আর সামূদ জাতির ঘটনায়ও নিদর্শন রয়েছে, যখন তাদেরকে বলা হয়েছিল: ‘একটি নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত (আমার নি‘আমত) ভোগ করে নাও।’
فَعَتَوْا عَنْ اَمْرِ رَبِّهِمْ فَاَخَذَتْهُمُ الصّٰعِقَةُ وَهُمْ یَنْظُرُوْنَ ۟
অতঃপর তারা তাদের রবের আদেশ মানতে অহংকার করলো। ফলে বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল, আর তখন তারা (অসহায়ের মতো) তা দেখছিল।
فَمَا اسْتَطَاعُوْا مِنْ قِیَامٍ وَّمَا كَانُوْا مُنْتَصِرِیْنَ ۟ۙ
অতঃপর (শাস্তির সামনে) তারা দাঁড়াতে সক্ষম হলো না এবং প্রতিরোধও করতে পারল না।
وَقَوْمَ نُوْحٍ مِّنْ قَبْلُ ؕ— اِنَّهُمْ كَانُوْا قَوْمًا فٰسِقِیْنَ ۟۠
আর ইতঃপূর্বে নূহের সম্প্রদায়কেও। (৯) নিশ্চয় তারা ছিল একটি ফাসিক সম্প্রদায়।।
وَالسَّمَآءَ بَنَیْنٰهَا بِاَیْىدٍ وَّاِنَّا لَمُوْسِعُوْنَ ۟
আর আসমান আমি নিজ শক্তিবলে নির্মাণ করেছি, আর নিশ্চয়ই আমিই এর সম্প্রসারণকারী।
وَالْاَرْضَ فَرَشْنٰهَا فَنِعْمَ الْمٰهِدُوْنَ ۟
আর আমি জমিনকে বিছিয়ে দিয়েছি। আমি কতই না উত্তম বিন্যস্তকারী!
وَمِنْ كُلِّ شَیْءٍ خَلَقْنَا زَوْجَیْنِ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُوْنَ ۟
আর প্রত্যেক বস্তু থেকে আমি জোড়ায় জোড়ায় (নারী-পুরুষে) সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ করতে পারো।
فَفِرُّوْۤا اِلَی اللّٰهِ ؕ— اِنِّیْ لَكُمْ مِّنْهُ نَذِیْرٌ مُّبِیْنٌ ۟ۚ
অতএব তোমরা আল্লাহর দিকে ধাবিত হও। আমি তো তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য (শাস্তি থেকে) এক সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
وَلَا تَجْعَلُوْا مَعَ اللّٰهِ اِلٰهًا اٰخَرَ ؕ— اِنِّیْ لَكُمْ مِّنْهُ نَذِیْرٌ مُّبِیْنٌ ۟
আর তোমরা আল্লাহর সাথে কোন ইলাহ গ্রহণ করো না; আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য (এ বিষয়ে) এক স্পষ্ট সতর্ককারী।
كَذٰلِكَ مَاۤ اَتَی الَّذِیْنَ مِنْ قَبْلِهِمْ مِّنْ رَّسُوْلٍ اِلَّا قَالُوْا سَاحِرٌ اَوْ مَجْنُوْنٌ ۟۫
এভাবে (১০) তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে যে রাসূলই এসেছে, তারা বলেছে: ‘এ তো একজন যাদুকর অথবা পাগল।’
اَتَوَاصَوْا بِهٖ ۚ— بَلْ هُمْ قَوْمٌ طَاغُوْنَ ۟ۚ
তারা কি (বংশানুক্রমে) একে অপরকে এই একই উপদেশই দিয়ে গেছে? বরং তারা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ فَمَاۤ اَنْتَ بِمَلُوْمٍ ۟ؗ
অতএব, হে রাসূল! তুমি ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, এতে তুমি তিরস্কৃত হবে না।(১১)
وَّذَكِّرْ فَاِنَّ الذِّكْرٰی تَنْفَعُ الْمُؤْمِنِیْنَ ۟
আর তুমি (মানুষকে) উপদেশ দিতে থাক; কারণ উপদেশ মু’মিনদের উপকারে আসে।
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْاِنْسَ اِلَّا لِیَعْبُدُوْنِ ۟
আর আমি জিন ও মানুষকে কেবল আমার ইবাদাত করার জন্যেই সৃষ্টি করেছি।
مَاۤ اُرِیْدُ مِنْهُمْ مِّنْ رِّزْقٍ وَّمَاۤ اُرِیْدُ اَنْ یُّطْعِمُوْنِ ۟
আমি তাদের কাছে কোনো রিযিক চাই না এবং আমি এটাও চাই না যে, তারা আমাকে আহার করাবে।
اِنَّ اللّٰهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِیْنُ ۟
নিশ্চয় আল্লাহই রিযকদাতা, তিনি প্রবল শক্তিধর, পরাক্রমশালী।
فَاِنَّ لِلَّذِیْنَ ظَلَمُوْا ذَنُوْبًا مِّثْلَ ذَنُوْبِ اَصْحٰبِهِمْ فَلَا یَسْتَعْجِلُوْنِ ۟
সুতরাং যারা (১২) যুলম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে তাদের পূর্বসূরিদের অনুরূপ শাস্তি। কাজেই তারা যেন আমার কাছে (শাস্তির জন্য) তাড়াহুড়া না করে।
فَوَیْلٌ لِّلَّذِیْنَ كَفَرُوْا مِنْ یَّوْمِهِمُ الَّذِیْ یُوْعَدُوْنَ ۟۠
অতএব, যারা কুফরী করেছে তাদের জন্য কিয়ামত দিবসের ধ্বংস, যেদিনের প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।
দোকানের সফটওয়্যারেই কুরআন পড়া, শোনা, দৈনিক লক্ষ্য আর নামাজের রিমাইন্ডার — আপনার আর স্টাফদের জন্য।
৭ দিনের ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুন কার্ড লাগবে না · যেকোনো সময় বন্ধ করা যায়