اِقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ ۟
কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।(৩৩)
The Moon · 55 ayahs
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۟
اِقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانْشَقَّ الْقَمَرُ ۟
কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।(৩৩)
وَاِنْ یَّرَوْا اٰیَةً یُّعْرِضُوْا وَیَقُوْلُوْا سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌّ ۟
আর তারা (নবীর সত্যতার) কোন নিদর্শন দেখলে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, ‘এ তো চিরাচরিত যাদু।’
وَكَذَّبُوْا وَاتَّبَعُوْۤا اَهْوَآءَهُمْ وَكُلُّ اَمْرٍ مُّسْتَقِرٌّ ۟
আর তারা (সত্যকে) মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং নিজেদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করেছে। আর প্রত্যেক বিষয়ই (নির্ধারিত সময়ে) তার চূড়ান্ত পরিণতিতে উপনীত হবে।
وَلَقَدْ جَآءَهُمْ مِّنَ الْاَنْۢبَآءِ مَا فِیْهِ مُزْدَجَرٌ ۟ۙ
আর তাদের কাছে তো (২) সংবাদসমূহ এসেছে, যাতে রয়েছে (৩)কঠোর নিষেধাজ্ঞা।
حِكْمَةٌ بَالِغَةٌ فَمَا تُغْنِ النُّذُرُ ۟ۙ
এগুলো পরিপূর্ণ প্রজ্ঞার কথা; যদিও এসব সতর্কবাণী তাদের কোন উপকারে আসেনি।
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ ۘ— یَوْمَ یَدْعُ الدَّاعِ اِلٰی شَیْءٍ نُّكُرٍ ۟ۙ
অতএব, হে রাসূল! তুমি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, যেদিন আহ্বানকারী (ফিরিশতা) আহ্বান করবে এক বিভীষিকাময় বিষয়ের দিকে,
خُشَّعًا اَبْصَارُهُمْ یَخْرُجُوْنَ مِنَ الْاَجْدَاثِ كَاَنَّهُمْ جَرَادٌ مُّنْتَشِرٌ ۟ۙ
(সেদিন) চক্ষুগুলো অপদস্ত অবস্থায় তারা কবর থেকে বের হয়ে (হাশরের মাঠে) আসবে। মনে হবে যেন তারা বিক্ষিপ্ত পঙ্গপাল।
مُّهْطِعِیْنَ اِلَی الدَّاعِ ؕ— یَقُوْلُ الْكٰفِرُوْنَ هٰذَا یَوْمٌ عَسِرٌ ۟
তারা (সেই) আহ্বানকারী (ফিরিশতা)-র দিকে ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় ছুটে আসবে। কাফিররা বলবে: ‘এটি ভীষণ ভয়াবহ দিন।’
كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوْحٍ فَكَذَّبُوْا عَبْدَنَا وَقَالُوْا مَجْنُوْنٌ وَّازْدُجِرَ ۟
তাদের পূর্বে নূহের সম্প্রদায়ও (তাদের নবীকে) অস্বীকার করেছিল। তারা আমার বান্দা (নূহ)কে অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল: ‘সে তো একজন পাগল।’ আর তাকে হুমকি-ধমকিও দেয়া হয়েছিল।
فَدَعَا رَبَّهٗۤ اَنِّیْ مَغْلُوْبٌ فَانْتَصِرْ ۟
অতঃপর সে তার রবকে ডাকলো (এবং বললো) ‘আমি একান্ত অসহায়। অতএব, তুমি (৪) প্রতিশোধ গ্রহণ করো।’
فَفَتَحْنَاۤ اَبْوَابَ السَّمَآءِ بِمَآءٍ مُّنْهَمِرٍ ۟ؗۖ
ফলে আমি প্রবল বৃষ্টির পাণি বর্ষণের মাধ্যমে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দিলাম।
وَّفَجَّرْنَا الْاَرْضَ عُیُوْنًا فَالْتَقَی الْمَآءُ عَلٰۤی اَمْرٍ قَدْ قُدِرَ ۟ۚ
এবং আমি জমিনকে বিদীর্ণ করে ঝর্ণাসমূহ উৎসারিত করলাম। ফলে (আল্লাহর) নির্ধারিত ফয়সালা অনুসারে (৫) সকল পানি মিলিত হলো ।
وَحَمَلْنٰهُ عَلٰی ذَاتِ اَلْوَاحٍ وَّدُسُرٍ ۟ۙ
আর আমি তাকে (নূহকে) কাঠ ও পেরেক নির্মিত নৌযানে আরোহণ করালাম।
تَجْرِیْ بِاَعْیُنِنَا جَزَآءً لِّمَنْ كَانَ كُفِرَ ۟
যা আমার দৃষ্টির সামনে দিয়ে (৬) চললো, এটা তার (নূহের) জন্য পুরস্কারস্বরূপ, যাকে অস্বীকার করা হয়েছিল।
وَلَقَدْ تَّرَكْنٰهَاۤ اٰیَةً فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ ۟
আর আমি এই শাস্তিকে নিদর্শন হিসেবে রেখেছি। অতএব (এ থেকে) কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
فَكَیْفَ كَانَ عَذَابِیْ وَنُذُرِ ۟
অতএব, (৭) আমার শাস্তি ও ভীতিপ্ৰদৰ্শন কেমন ছিল?
وَلَقَدْ یَسَّرْنَا الْقُرْاٰنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ ۟
আর অবশ্যই আমি উপদেশ গ্রহণের জন্য আল-কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি। অতএব (এর থেকে) কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
كَذَّبَتْ عَادٌ فَكَیْفَ كَانَ عَذَابِیْ وَنُذُرِ ۟
‘আদ সম্প্রদায় (তাদের নবী হূদকে) মিথ্যারোপ করেছিল। অতএব (তাদের প্রতি) আমার শাস্তি ও ভীতিপ্ৰদৰ্শন কেমন ছিল?
اِنَّاۤ اَرْسَلْنَا عَلَیْهِمْ رِیْحًا صَرْصَرًا فِیْ یَوْمِ نَحْسٍ مُّسْتَمِرٍّ ۟ۙ
নিশ্চয় আমি তাদের ওপর পাঠিয়েছিলাম প্রচণ্ড শৈত্য ঝড়ো হাওয়া, অব্যাহত এক অমঙ্গল দিনে।(৮)
تَنْزِعُ النَّاسَ ۙ— كَاَنَّهُمْ اَعْجَازُ نَخْلٍ مُّنْقَعِرٍ ۟
তা মানুষকে (৯) এমনভাবে উপড়ে ফেলছিল, যেন তারা উপড়ে পড়া খেজুরগাছের কাণ্ড।
فَكَیْفَ كَانَ عَذَابِیْ وَنُذُرِ ۟
অতএব, আমার শাস্তি ও ভীতিপ্ৰদৰ্শন কেমন ছিল?
وَلَقَدْ یَسَّرْنَا الْقُرْاٰنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ ۟۠
আর অবশ্যই আমি উপদেশ গ্রহণের জন্য আল-কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, (এর থেকে) কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
كَذَّبَتْ ثَمُوْدُ بِالنُّذُرِ ۟
সামূদ সম্প্রদায়ও সতর্ককারীদেরকে মিথ্যারোপ করেছিল।
فَقَالُوْۤا اَبَشَرًا مِّنَّا وَاحِدًا نَّتَّبِعُهٗۤ ۙ— اِنَّاۤ اِذًا لَّفِیْ ضَلٰلٍ وَّسُعُرٍ ۟
অতঃপর তারা বলেছিল: ‘আমরা কি আমাদেরই মধ্য থেকে এক ব্যক্তির (সালিহের) অনুসরণ করব? তাহলে নিশ্চয় আমরা পথভ্রষ্টতা ও পাগলামিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়বো।
ءَاُلْقِیَ الذِّكْرُ عَلَیْهِ مِنْ بَیْنِنَا بَلْ هُوَ كَذَّابٌ اَشِرٌ ۟
‘আমাদের মধ্য থেকে কি তার ওপরই উপদেশবাণী (ওহী) পাঠানো হয়েছে? বরং সে চরম মিথ্যাবাদী অহংকারী।’
سَیَعْلَمُوْنَ غَدًا مَّنِ الْكَذَّابُ الْاَشِرُ ۟
আগামী দিন তারা জানতে পারবে, কে চরম মিথ্যাবাদী, অহংকারী।
اِنَّا مُرْسِلُوا النَّاقَةِ فِتْنَةً لَّهُمْ فَارْتَقِبْهُمْ وَاصْطَبِرْ ۟ؗ
নিশ্চয়ই আমি উষ্ট্রীকে তাদের জন্য এক পরীক্ষাস্বরূপ প্রেরণ করছি। অতএব, (হে সালিহ!) তুমি তাদের ব্যাপারে অপেক্ষা করো এবং ধৈর্য ধারণ করো।
وَنَبِّئْهُمْ اَنَّ الْمَآءَ قِسْمَةٌ بَیْنَهُمْ ۚ— كُلُّ شِرْبٍ مُّحْتَضَرٌ ۟
আর তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের (ও উষ্ট্রীর) মধ্যে পানি বণ্টন সুনির্দিষ্ট। প্রত্যেকেই পালাক্রমে পানির অংশে উপস্থিত হবে।
فَنَادَوْا صَاحِبَهُمْ فَتَعَاطٰی فَعَقَرَ ۟
অতঃপর তারা তাদের সঙ্গীকে ডাকল। তারপর সে (এ কাজে) উদ্যোগী হলো এবং (উষ্ট্রীটিকে) জবাই করে ফেলল।
فَكَیْفَ كَانَ عَذَابِیْ وَنُذُرِ ۟
অতএব, আমার শাস্তি ও ভীতিপ্ৰদৰ্শন কেমন ছিল?
اِنَّاۤ اَرْسَلْنَا عَلَیْهِمْ صَیْحَةً وَّاحِدَةً فَكَانُوْا كَهَشِیْمِ الْمُحْتَظِرِ ۟
নিশ্চয় আমি তাদের কাছে পাঠিয়েছিলাম এক বিকট আওয়াজ (বজ্রপাত), ফলে তারা হয়ে পড়লো দলিত শুকনো মোড়ানো খড়ের মতো।
وَلَقَدْ یَسَّرْنَا الْقُرْاٰنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ ۟
আর অবশ্যই আমি উপদেশ গ্রহণের জন্য আল-কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, (এর থেকে) কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
كَذَّبَتْ قَوْمُ لُوْطٍۭ بِالنُّذُرِ ۟
লূতের সম্প্রদায় সতর্ককারীদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল ।
اِنَّاۤ اَرْسَلْنَا عَلَیْهِمْ حَاصِبًا اِلَّاۤ اٰلَ لُوْطٍ ؕ— نَجَّیْنٰهُمْ بِسَحَرٍ ۟ۙ
নিশ্চয় আমি তাদের উপর (শাস্তি হিসেবে) পাথর বর্ষণকারী প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় পাঠিয়েছিলাম; কিন্তু লূতের পরিবারের ওপর নয়। আমি তাদেরকে রাতের শেষাংশেই উদ্ধার করে নিয়েছিলাম।
نِّعْمَةً مِّنْ عِنْدِنَا ؕ— كَذٰلِكَ نَجْزِیْ مَنْ شَكَرَ ۟
(১০) আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহস্বরূপ। এভাবেই আমি প্রত্যেক (আল্লাহর নিআ‘মতের) কৃতজ্ঞতা আদায়কারীকে প্রতিদান দেই।
وَلَقَدْ اَنْذَرَهُمْ بَطْشَتَنَا فَتَمَارَوْا بِالنُّذُرِ ۟
আর লূত তো তাদেরকে আমার কঠিন পাকড়াও সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন করেছিল, তারপরও তারা এ সতর্কবাণী সম্পর্কে (সন্দিহান হয়ে) বাক-বিতণ্ডা করেছিল।(১১)
وَلَقَدْ رَاوَدُوْهُ عَنْ ضَیْفِهٖ فَطَمَسْنَاۤ اَعْیُنَهُمْ فَذُوْقُوْا عَذَابِیْ وَنُذُرِ ۟
আর অবশ্যই তারা লূতের কাছে তার মেহমানদেরকে (১২) দাবি করল। তখন আমি তাদের চোখগুলোকে অন্ধ করে দিলাম। সুতরাং, তোমরা আমার শাস্তি ও সাবধানবাণীর পরিণাম আস্বাদন করো।
وَلَقَدْ صَبَّحَهُمْ بُكْرَةً عَذَابٌ مُّسْتَقِرٌّ ۟ۚ
আর সকাল বেলা তাদের উপর অবিরাম(১৩) শাস্তি নেমে আসল।
فَذُوْقُوْا عَذَابِیْ وَنُذُرِ ۟
সুতরাং আমার শাস্তি ও সাবধানবাণীর পরিণাম আস্বাদন করো।
وَلَقَدْ یَسَّرْنَا الْقُرْاٰنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ ۟۠
আর অবশ্যই আমি উপদেশ গ্রহণের জন্য আল-কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি। অতএব, (এর থেকে) কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
وَلَقَدْ جَآءَ اٰلَ فِرْعَوْنَ النُّذُرُ ۟ۚ
ফির‘আউন গোষ্ঠীর কাছেও তো (১৪) সাবধানবাণী এসেছিল।
كَذَّبُوْا بِاٰیٰتِنَا كُلِّهَا فَاَخَذْنٰهُمْ اَخْذَ عَزِیْزٍ مُّقْتَدِرٍ ۟
তারা আমার সকল নিদর্শনকে অস্বীকার করল। অতএব আমি মহাপরাক্রমশালী, সর্বশক্তিমানের মতই তাদেরকে পাকড়াও করলাম।
اَكُفَّارُكُمْ خَیْرٌ مِّنْ اُولٰٓىِٕكُمْ اَمْ لَكُمْ بَرَآءَةٌ فِی الزُّبُرِ ۟ۚ
হে মক্কাবাসীরা! তোমাদের কাফিররা কি তাদের চেয়ে ভালো? নাকি কিতাবসমূহের মধ্যে তোমাদের জন্য মুক্তির কোন ঘোষণা রয়েছে?
اَمْ یَقُوْلُوْنَ نَحْنُ جَمِیْعٌ مُّنْتَصِرٌ ۟
নাকি তারা (মক্কার কাফিররা) বলে, ‘আমরা তো এক সংঘবদ্ধ দল; আমরা অবশ্যই বিজয়ী হব।
سَیُهْزَمُ الْجَمْعُ وَیُوَلُّوْنَ الدُّبُرَ ۟
সংঘবদ্ধ দলটি শীঘ্রই পরাজিত হবে এবং (মু‘মিনদের সম্মুখ থেকে) পিঠ দেখিয়ে পালাবে।(১৫)
بَلِ السَّاعَةُ مَوْعِدُهُمْ وَالسَّاعَةُ اَدْهٰی وَاَمَرُّ ۟
বরং কিয়ামত তাদের (আসল শাস্তির) প্রতিশ্রুত সময়। আর কিয়ামত অতি ভয়ংকর ও তিক্ততর।
اِنَّ الْمُجْرِمِیْنَ فِیْ ضَلٰلٍ وَّسُعُرٍ ۟ۘ
নিশ্চয় অপরাধীরা রয়েছে পথভ্রষ্টতা ও (পরকালে) প্রজ্বলিত আগুনে।
یَوْمَ یُسْحَبُوْنَ فِی النَّارِ عَلٰی وُجُوْهِهِمْ ؕ— ذُوْقُوْا مَسَّ سَقَرَ ۟
যেদিন তাদেরকে মুখের ওপর ভর করে জাহান্নামের আগুনে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে, (তখন বলা হবে,) ‘সাকারের যন্ত্রণা আস্বাদন করো।’
اِنَّا كُلَّ شَیْءٍ خَلَقْنٰهُ بِقَدَرٍ ۟
নিশ্চয় আমি সব কিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী।
وَمَاۤ اَمْرُنَاۤ اِلَّا وَاحِدَةٌ كَلَمْحٍ بِالْبَصَرِ ۟
আর আমার আদেশ তো কেবল একটি কথা (‘হয়ে যা’ শব্দটি, আর তা) চোখের পলকের মতো (হয়ে যায়)।
وَلَقَدْ اَهْلَكْنَاۤ اَشْیَاعَكُمْ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ ۟
আর আমি তো তোমাদের মত পূর্বেকার অনেককে ধ্বংস করে দিয়েছি। অতএব, (এ থেকে) কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
وَكُلُّ شَیْءٍ فَعَلُوْهُ فِی الزُّبُرِ ۟
আর তারা যা করেছে, সব কিছুই ‘আমলনামায়’ রয়েছে।(১৬)
وَكُلُّ صَغِیْرٍ وَّكَبِیْرٍ مُّسْتَطَرٌ ۟
আর ছোট বড় সব কিছুই (১৭) লিখিত আছে।
اِنَّ الْمُتَّقِیْنَ فِیْ جَنّٰتٍ وَّنَهَرٍ ۟ۙ
নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে বাগ-বাগিচা ও ঝর্ণাধারার মধ্যে।
فِیْ مَقْعَدِ صِدْقٍ عِنْدَ مَلِیْكٍ مُّقْتَدِرٍ ۟۠
যথাযোগ্য আসনে, সর্বশক্তিমান মহাঅধিপতি আল্লাহর সান্নিধ্যে।
Read and listen, set a daily goal and get salat reminders right inside your shop software — for you and your staff.
Start your 7-day free trial No card needed · cancel any time