سَاَلَ سَآىِٕلٌۢ بِعَذَابٍ وَّاقِعٍ ۟ۙ
একজন প্রশ্নকারী(১) সেই অবধারিত শাস্তি কামনা করে প্রশ্ন করল।
The Ascending Stairways · 44 আয়াত
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۟
سَاَلَ سَآىِٕلٌۢ بِعَذَابٍ وَّاقِعٍ ۟ۙ
একজন প্রশ্নকারী(১) সেই অবধারিত শাস্তি কামনা করে প্রশ্ন করল।
لِّلْكٰفِرِیْنَ لَیْسَ لَهٗ دَافِعٌ ۟ۙ
যা কাফিরদের জন্যে অবধারিত, যার কোন প্রতিরোধকারী নেই।
مِّنَ اللّٰهِ ذِی الْمَعَارِجِ ۟ؕ
এটি (এ শাস্তি আসবে) আল্লাহর পক্ষ থেকে, যিনি ঊর্ধ্বারোহণের সোপানসমূহের অধিকারী,
تَعْرُجُ الْمَلٰٓىِٕكَةُ وَالرُّوْحُ اِلَیْهِ فِیْ یَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهٗ خَمْسِیْنَ اَلْفَ سَنَةٍ ۟ۚ
ফিরিশতাগণ ও রূহ (জিবরীল) এমন এক দিনে আল্লাহর পানে ঊর্ধ্বগামী হবে, যার পরিমাণ (দুনিয়ার সময় গণনা হিসেবে) পঞ্চাশ হাজার বছর।
فَاصْبِرْ صَبْرًا جَمِیْلًا ۟
কাজেই, (হে রাসূল!) তুমি উত্তমরূপে ধৈর্যধারণ করো।
اِنَّهُمْ یَرَوْنَهٗ بَعِیْدًا ۟ۙ
তারা (ঐ দিনের) শাস্তিকে সুদূর (ও অসম্ভব) মনে করে,
وَّنَرٰىهُ قَرِیْبًا ۟ؕ
অথচ আমি দেখছি তা আসন্ন।
یَوْمَ تَكُوْنُ السَّمَآءُ كَالْمُهْلِ ۟ۙ
সেদিন আসমান হয়ে যাবে গলিত ধাতুর ন্যায়।
وَتَكُوْنُ الْجِبَالُ كَالْعِهْنِ ۟ۙ
এবং পাহাড়সমূহ হয়ে যাবে ধুনিত রঙিন পশমের ন্যায়।
وَلَا یَسْـَٔلُ حَمِیْمٌ حَمِیْمًا ۟ۚۖ
আর (সেদিন) এক অন্তরঙ্গ বন্ধু অপর অন্তরঙ্গ বন্ধুর খোঁজ নিবে না।
یُّبَصَّرُوْنَهُمْ ؕ— یَوَدُّ الْمُجْرِمُ لَوْ یَفْتَدِیْ مِنْ عَذَابِ یَوْمِىِٕذٍ بِبَنِیْهِ ۟ۙ
তাদেরকে একে অপরের সামনে উপস্থিত করা হবে। সেদিনের শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অপরাধী কামনা করবে, যদি সে তার সন্তানদের মুক্তিপণ হিসেবে দিতে পারত।
وَصَاحِبَتِهٖ وَاَخِیْهِ ۟ۙ
এবং তার স্ত্রী ও তার ভাইকেও (মুক্তিপণ হিসেবে দিতে পারত)।
وَفَصِیْلَتِهِ الَّتِیْ تُـْٔوِیْهِ ۟ۙ
এবং তার সেই গোত্র-পরিজনকেও, যারা তাকে আশ্রয় দিত।
وَمَنْ فِی الْاَرْضِ جَمِیْعًا ۙ— ثُمَّ یُنْجِیْهِ ۟ۙ
এবং পৃথিবীতে যারা আছে—তাদের সবাইকেও; তারপরও যদি তা তাকে রক্ষা করতে পারত!
كَلَّا ؕ— اِنَّهَا لَظٰی ۟ۙ
কখনো নয়! এটিতো লেলিহান আগুন।
نَزَّاعَةً لِّلشَّوٰی ۟ۚۖ
যা (২) মাথার চামড়া খসিয়ে নিবে।
تَدْعُوْا مَنْ اَدْبَرَ وَتَوَلّٰی ۟ۙ
জাহান্নাম তাকে ডাকবে যে (দুনিয়াতে সত্যের প্রতি) পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছিল এবং (তা থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল।
وَجَمَعَ فَاَوْعٰی ۟
আর সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর তা (আল্লাহর পথে ব্যয় না করে) আগলিয়ে রেখেছিল।
اِنَّ الْاِنْسَانَ خُلِقَ هَلُوْعًا ۟ۙ
নিশ্চয় মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে, অতি লোভী করে।(৩)
اِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ جَزُوْعًا ۟ۙ
যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে তখন সে অতিমাত্রায় উৎকণ্ঠিত (ধৈর্যহীন) হয়ে পড়ে।
وَّاِذَا مَسَّهُ الْخَیْرُ مَنُوْعًا ۟ۙ
আর যখন কল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে অতিশয় কৃপণ হয়ে যায়।
اِلَّا الْمُصَلِّیْنَ ۟ۙ
তবে সালাত আদায়কারীগণ ছাড়া,
الَّذِیْنَ هُمْ عَلٰی صَلَاتِهِمْ دَآىِٕمُوْنَ ۟
যারা তাদের সালাতের ব্যাপারে নিয়মিত।(৪)
وَالَّذِیْنَ فِیْۤ اَمْوَالِهِمْ حَقٌّ مَّعْلُوْمٌ ۟
আর যাদের ধন-সম্পদে রয়েছে, নির্ধারিত অধিকার,
لِّلسَّآىِٕلِ وَالْمَحْرُوْمِ ۟
এমন সব লোকদের, যারা (অন্যদের কাছে) চায় (অভাবী) এবং (জীবিকা থেকে) বঞ্চিত,
وَالَّذِیْنَ یُصَدِّقُوْنَ بِیَوْمِ الدِّیْنِ ۟
আর যারা প্রতিদান দিবসকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
وَالَّذِیْنَ هُمْ مِّنْ عَذَابِ رَبِّهِمْ مُّشْفِقُوْنَ ۟ۚ
আর যারা তাদের রবের শাস্তি সম্পর্কে ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে।
اِنَّ عَذَابَ رَبِّهِمْ غَیْرُ مَاْمُوْنٍ ۪۟
নিশ্চয় তাদের রবের শাস্তি থেকে কেউ নিরাপদ নয়।
وَالَّذِیْنَ هُمْ لِفُرُوْجِهِمْ حٰفِظُوْنَ ۟ۙ
আর যারা তাদের যৌনাংগসমূহকে (৫) হিফাযতকারী।
اِلَّا عَلٰۤی اَزْوَاجِهِمْ اَوْ مَا مَلَكَتْ اَیْمَانُهُمْ فَاِنَّهُمْ غَیْرُ مَلُوْمِیْنَ ۟ۚ
তবে তাদের স্ত্রীগণ এবং অধিকারভুক্ত দাসীগণের ব্যাপার ভিন্ন। তারা সে ক্ষেত্রে নিন্দনীয় হবে না।
فَمَنِ ابْتَغٰی وَرَآءَ ذٰلِكَ فَاُولٰٓىِٕكَ هُمُ الْعٰدُوْنَ ۟ۚ
তবে কেউ এদের বাইরে অন্যকে (যৌনসম্ভোগের জন্যে) কামনা করলে, তারা হবে সীমালঙ্ঘনকারী।
وَالَّذِیْنَ هُمْ لِاَمٰنٰتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رٰعُوْنَ ۟
আর যারা নিজেদের আমানত ও অঙ্গীকার রক্ষাকারী,
وَالَّذِیْنَ هُمْ بِشَهٰدٰتِهِمْ قَآىِٕمُوْنَ ۟
আর যারা (সত্যের পক্ষে) সাক্ষ্যদানে অটল,
وَالَّذِیْنَ هُمْ عَلٰی صَلَاتِهِمْ یُحَافِظُوْنَ ۟ؕ
আর যারা নিজেদের সালাতের হিফাযত করে,
اُولٰٓىِٕكَ فِیْ جَنّٰتٍ مُّكْرَمُوْنَ ۟ؕ۠
(পরকালে) তারাই জান্নাতসমূহে সম্মানিত হবে।
فَمَالِ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا قِبَلَكَ مُهْطِعِیْنَ ۟ۙ
কাফিরদের কী হলো যে, তারা তোমার দিকে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে,
عَنِ الْیَمِیْنِ وَعَنِ الشِّمَالِ عِزِیْنَ ۟
ডান ও বাম দিক থেকে দলে দলে।
اَیَطْمَعُ كُلُّ امْرِئٍ مِّنْهُمْ اَنْ یُّدْخَلَ جَنَّةَ نَعِیْمٍ ۟ۙ
তাদের প্রত্যেক ব্যক্তি কি আশা করে যে, তাকে প্রাচুর্যময় জান্নাতে দাখিল করা হবে? (৬)
كَلَّا ؕ— اِنَّا خَلَقْنٰهُمْ مِّمَّا یَعْلَمُوْنَ ۟
কখনো নয়, নিশ্চয় আমি তাদেরকে (নগণ্য পানি থেকে) সৃষ্টি করেছি, যা তারা জানে।
فَلَاۤ اُقْسِمُ بِرَبِّ الْمَشٰرِقِ وَالْمَغٰرِبِ اِنَّا لَقٰدِرُوْنَ ۟ۙ
অতএব, আমি উদয়স্থল ও অস্তাচলসমূহের রবের শপথ করছি যে, আমি অবশ্যই সক্ষম,
عَلٰۤی اَنْ نُّبَدِّلَ خَیْرًا مِّنْهُمْ ۙ— وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوْقِیْنَ ۟
তাদের চাইতে উত্তমদেরকে তাদের স্থলে নিয়ে আসতে এবং আমি (তাদেরকে ধ্বংস করতে) অক্ষম নই।
فَذَرْهُمْ یَخُوْضُوْا وَیَلْعَبُوْا حَتّٰی یُلٰقُوْا یَوْمَهُمُ الَّذِیْ یُوْعَدُوْنَ ۟ۙ
অতএব হে রাসূল! তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা বেহুদা কথায় মত্ত থাকুক আর খেল-তামাশা করুক; যতক্ষণ না তারা দেখা পায় সেদিনের , যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেওয়া হয়েছে।
یَوْمَ یَخْرُجُوْنَ مِنَ الْاَجْدَاثِ سِرَاعًا كَاَنَّهُمْ اِلٰی نُصُبٍ یُّوْفِضُوْنَ ۟ۙ
যেদিন দ্রুতবেগে তারা কবর থেকে বের হয়ে আসবে, যেন তারা কোন লক্ষ্যের দিকে ছুটছে,
خَاشِعَةً اَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ؕ— ذٰلِكَ الْیَوْمُ الَّذِیْ كَانُوْا یُوْعَدُوْنَ ۟۠
তাদের দৃষ্টি হবে অবনত, আর লাঞ্ছনা তাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে। এ-ই সেই দিন, যার প্রতিশ্রুতি তাদের দেওয়া হতো।
দোকানের সফটওয়্যারেই কুরআন পড়া, শোনা, দৈনিক লক্ষ্য আর নামাজের রিমাইন্ডার — আপনার আর স্টাফদের জন্য।
৭ দিনের ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুন কার্ড লাগবে না · যেকোনো সময় বন্ধ করা যায়