حٰمٓ ۟ۚ
হা-মীম।
Explained in detail · 54 আয়াত
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۟
حٰمٓ ۟ۚ
হা-মীম।
تَنْزِیْلٌ مِّنَ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۟ۚ
এ আল কুরআন পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত।
كِتٰبٌ فُصِّلَتْ اٰیٰتُهٗ قُرْاٰنًا عَرَبِیًّا لِّقَوْمٍ یَّعْلَمُوْنَ ۟ۙ
এটি এমন এক কিতাব, যার আয়াতগুলো আল কুরআনরূপে আরবী ভাষায়, জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।(১)
بَشِیْرًا وَّنَذِیْرًا ۚ— فَاَعْرَضَ اَكْثَرُهُمْ فَهُمْ لَا یَسْمَعُوْنَ ۟
সুসংবাদদাতা(২) ও সতর্ককারী(৩) হিসেবে (এ কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে); কিন্তু তাদের অধিকাংশই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। ফলে তারা তা শোনে না।
وَقَالُوْا قُلُوْبُنَا فِیْۤ اَكِنَّةٍ مِّمَّا تَدْعُوْنَاۤ اِلَیْهِ وَفِیْۤ اٰذَانِنَا وَقْرٌ وَّمِنْ بَیْنِنَا وَبَیْنِكَ حِجَابٌ فَاعْمَلْ اِنَّنَا عٰمِلُوْنَ ۟
আর তারা বলে: ‘(হে মুহাম্মাদ) তুমি আমাদেরকে যে বিষয়ের দিকে দাওয়াত দিচ্ছ, সে বিষয়ে আমাদের অন্তরসমূহ আচ্ছাদিত (তালাবদ্ধ), আমাদের কানের মধ্যে রয়েছে বধিরতা(৪) আর তোমার ও আমাদের মধ্যে রয়েছে অন্তরায়।(৫) অতএব তুমি তোমার কাজ করে যাও, নিশ্চয় আমরাও আমাদের কাজ করে যাব।(৬)
قُلْ اِنَّمَاۤ اَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ یُوْحٰۤی اِلَیَّ اَنَّمَاۤ اِلٰهُكُمْ اِلٰهٌ وَّاحِدٌ فَاسْتَقِیْمُوْۤا اِلَیْهِ وَاسْتَغْفِرُوْهُ ؕ— وَوَیْلٌ لِّلْمُشْرِكِیْنَ ۟ۙ
হে রাসূল! তুমি বল: ‘আমি কেবল তোমাদের মত একজন মানুষ। আমার কাছে এ মর্মে ওহী পাঠানো হয় যে, তোমাদের (সত্য) ইলাহ কেবল এক ইলাহ। অতএব তোমরা তাঁর পথে দৃঢ়ভাবে অটল থাক এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাও।’ আর মুশরিকদের জন্য দুর্ভোগ;
الَّذِیْنَ لَا یُؤْتُوْنَ الزَّكٰوةَ وَهُمْ بِالْاٰخِرَةِ هُمْ كٰفِرُوْنَ ۟
যারা যাকাত দেয় না। আর তারাই আখিরাতের অস্বীকারকারী।
اِنَّ الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَعَمِلُوا الصّٰلِحٰتِ لَهُمْ اَجْرٌ غَیْرُ مَمْنُوْنٍ ۟۠
নিশ্চয় যারা ঈমান আনে এবং সৎকাজ করে তাদের জন্য রয়েছে, নিরবচ্ছিন্ন চিরস্থায়ী প্রতিদান (জান্নাত)।
قُلْ اَىِٕنَّكُمْ لَتَكْفُرُوْنَ بِالَّذِیْ خَلَقَ الْاَرْضَ فِیْ یَوْمَیْنِ وَتَجْعَلُوْنَ لَهٗۤ اَنْدَادًا ؕ— ذٰلِكَ رَبُّ الْعٰلَمِیْنَ ۟ۚ
বলুন, ‘তোমরা কি সত্যিই তাঁকে অস্বীকার করছ, যিনি দুই দিনে(৭) পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? আর তোমরা তাঁর জন্য সমকক্ষ স্থির করছ? তিনিই তো সকল জগতের রব।’
وَجَعَلَ فِیْهَا رَوَاسِیَ مِنْ فَوْقِهَا وَبٰرَكَ فِیْهَا وَقَدَّرَ فِیْهَاۤ اَقْوَاتَهَا فِیْۤ اَرْبَعَةِ اَیَّامٍ ؕ— سَوَآءً لِّلسَّآىِٕلِیْنَ ۟
আর তিনি জমিনের উপরিভাগে দৃঢ় পর্বতমালা স্থাপন করেছেন এবং তাতে বরকত দিয়েছেন, আর তিনি চারদিনের মধ্যে(৮) তাতে জীবিকা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এ সম্পর্কে যারা জানতে চায়, তাদের জন্য এটাই হবে সঠিক উত্তর।
ثُمَّ اسْتَوٰۤی اِلَی السَّمَآءِ وَهِیَ دُخَانٌ فَقَالَ لَهَا وَلِلْاَرْضِ ائْتِیَا طَوْعًا اَوْ كَرْهًا ؕ— قَالَتَاۤ اَتَیْنَا طَآىِٕعِیْنَ ۟
তারপর তিনি আসমান সৃষ্টির দিকে মনোনিবেশ করলেন, তখন তা ছিল ধোঁয়া। তারপর তিনি আসমান ও জমিনকে বললেন: ‘তোমরা উভয়ে স্বেচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় আমার নির্দেশের অনুগত হও। তারা উভয়ে বলল: ‘আমরা স্বেচ্ছায় অনুগত হয়ে এসে গেলাম।’
فَقَضٰىهُنَّ سَبْعَ سَمٰوَاتٍ فِیْ یَوْمَیْنِ وَاَوْحٰی فِیْ كُلِّ سَمَآءٍ اَمْرَهَا وَزَیَّنَّا السَّمَآءَ الدُّنْیَا بِمَصَابِیْحَ ۖۗ— وَحِفْظًا ؕ— ذٰلِكَ تَقْدِیْرُ الْعَزِیْزِ الْعَلِیْمِ ۟
তারপর তিনি দু’দিনে(৯) আসমানসমূহকে সাত আসমানে পরিণত করলেন। আর প্রত্যেক আসমানে তার কার্যাবলী ওহীর মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন।(১০) আর আমি (দুনিয়ার) নিকটবর্তী আসমানকে প্রদীপমালা (তারকারাজি)-র দ্বারা সুসজ্জিত করেছি এবং (১১)সুরক্ষিত করেছি। এগুলো হল মহা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞের নির্ধারণ।
فَاِنْ اَعْرَضُوْا فَقُلْ اَنْذَرْتُكُمْ صٰعِقَةً مِّثْلَ صٰعِقَةِ عَادٍ وَّثَمُوْدَ ۟ؕ
তবুও যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাহলে তুমি বলে দাও: ‘আদ ও সামূদের ভয়াবহ শাস্তির মতই এক মহা শাস্তি সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে সতর্ক করছি।’
اِذْ جَآءَتْهُمُ الرُّسُلُ مِنْ بَیْنِ اَیْدِیْهِمْ وَمِنْ خَلْفِهِمْ اَلَّا تَعْبُدُوْۤا اِلَّا اللّٰهَ ؕ— قَالُوْا لَوْ شَآءَ رَبُّنَا لَاَنْزَلَ مَلٰٓىِٕكَةً فَاِنَّا بِمَاۤ اُرْسِلْتُمْ بِهٖ كٰفِرُوْنَ ۟
যখন তাদের অগ্র ও পশ্চাৎ থেকে (ধারাবাহিকভাবে) রাসূলগণ তাদের কাছে দাওয়াত নিয়ে এলো যে, ‘তোমরা আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদাত করো না।’ তখন তারা বলেছিল: ‘যদি আমাদের রব ইচ্ছা করতেন, তাহলে অবশ্যই (রাসূল হিসাবে) ফিরিশতা নাযিল করতেন। অতএব, তোমাদেরকে যা দিয়ে পাঠানো হয়েছে, নিশ্চয় আমরা তা অস্বীকার করলাম।
فَاَمَّا عَادٌ فَاسْتَكْبَرُوْا فِی الْاَرْضِ بِغَیْرِ الْحَقِّ وَقَالُوْا مَنْ اَشَدُّ مِنَّا قُوَّةً ؕ— اَوَلَمْ یَرَوْا اَنَّ اللّٰهَ الَّذِیْ خَلَقَهُمْ هُوَ اَشَدُّ مِنْهُمْ قُوَّةً ؕ— وَكَانُوْا بِاٰیٰتِنَا یَجْحَدُوْنَ ۟
আর ‘আদ সম্প্রদায়, পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে অহংকার করেছিল এবং বলেছিল, ‘শক্তিতে আমাদের চেয়ে প্রবল আর কে আছে?’ তারা কি লক্ষ্য করেনি যে, আল্লাহ, যিনি তাদের সৃষ্টি করেছেন, তিনি তাদের চেয়েও অধিক শক্তিশালী? অথচ তারা আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করতেই থাকত।
فَاَرْسَلْنَا عَلَیْهِمْ رِیْحًا صَرْصَرًا فِیْۤ اَیَّامٍ نَّحِسَاتٍ لِّنُذِیْقَهُمْ عَذَابَ الْخِزْیِ فِی الْحَیٰوةِ الدُّنْیَا ؕ— وَلَعَذَابُ الْاٰخِرَةِ اَخْزٰی وَهُمْ لَا یُنْصَرُوْنَ ۟
অত:পর আমি তাদের উপর দুর্দিনে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া প্রেরণ করলাম, যাতে তাদেরকে দুনিয়ার জীবনে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাতে পারি। আর আখিরাতের শাস্তি তো অধিকতর লাঞ্ছনাদায়ক, উপরন্তু তাদেরকেসাহায্য করা হবে না।
وَاَمَّا ثَمُوْدُ فَهَدَیْنٰهُمْ فَاسْتَحَبُّوا الْعَمٰی عَلَی الْهُدٰی فَاَخَذَتْهُمْ صٰعِقَةُ الْعَذَابِ الْهُوْنِ بِمَا كَانُوْا یَكْسِبُوْنَ ۟ۚ
আর সামূদ জাতি, আমি তাদেরকে সঠিক পথের নির্দেশনা দিয়েছিলাম; কিন্তু তারা হিদায়াতের পথে চলার পরিবর্তে অন্ধ (ভ্রষ্ট) পথে চলাই পছন্দ করেছিল। ফলে তাদেরকৃতকর্মের কারণেই লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির বজ্রাঘাত তাদেরকে পাকড়াও করল।
وَنَجَّیْنَا الَّذِیْنَ اٰمَنُوْا وَكَانُوْا یَتَّقُوْنَ ۟۠
আর যারা ঈমান এনেছিল এবং (১২) তাকওয়া অবলম্বন করত, আমি তাদেরকে (সে শাস্তি থেকে) রক্ষা করলাম।
وَیَوْمَ یُحْشَرُ اَعْدَآءُ اللّٰهِ اِلَی النَّارِ فَهُمْ یُوْزَعُوْنَ ۟
আর যেদিন আল্লাহর শত্রুদের আগুনের দিকে সমবেত করা হবে, সেদিন তাদেরকে (দলবদ্ধভাবে) একত্রে হেঁকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
حَتّٰۤی اِذَا مَا جَآءُوْهَا شَهِدَ عَلَیْهِمْ سَمْعُهُمْ وَاَبْصَارُهُمْ وَجُلُوْدُهُمْ بِمَا كَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ۟
অবশেষে তারা যখন জাহান্নামের কাছে পৌঁছবে, তখন তাদের কান, তাদের চোখ ও তাদের চামড়া তাদের বিরুদ্ধে তাদের (কুফরী ও পাপাচার) কৃতকর্ম সম্পর্কে সাক্ষ্য দিবে।
وَقَالُوْا لِجُلُوْدِهِمْ لِمَ شَهِدْتُّمْ عَلَیْنَا ؕ— قَالُوْۤا اَنْطَقَنَا اللّٰهُ الَّذِیْۤ اَنْطَقَ كُلَّ شَیْءٍ وَّهُوَ خَلَقَكُمْ اَوَّلَ مَرَّةٍ وَّاِلَیْهِ تُرْجَعُوْنَ ۟
আর তারা (জাহান্নামীরা) তাদের চামড়াগুলোকে বলবে: ‘কেন তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে?’ তারা বলবে: ‘আল্লাহ আমাদের বাকশক্তি দিয়েছেন, যিনি সবকিছুকে বাকশক্তি দিয়েছেন। তিনি তোমাদেরকেপ্রথমবার সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে।'
وَمَا كُنْتُمْ تَسْتَتِرُوْنَ اَنْ یَّشْهَدَ عَلَیْكُمْ سَمْعُكُمْ وَلَاۤ اَبْصَارُكُمْ وَلَا جُلُوْدُكُمْ وَلٰكِنْ ظَنَنْتُمْ اَنَّ اللّٰهَ لَا یَعْلَمُ كَثِیْرًا مِّمَّا تَعْمَلُوْنَ ۟
তোমরা (১৩) কিছুই গোপন করতে না এই বিশ্বাসে যে, তোমাদের কান, চোখসমূহ ও চামড়াসমূহ তোমাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে না; বরং তোমরা মনে করেছিলে যে, তোমরা যা কিছু করতে, আল্লাহ তার অনেক কিছুই জানেন না।
وَذٰلِكُمْ ظَنُّكُمُ الَّذِیْ ظَنَنْتُمْ بِرَبِّكُمْ اَرْدٰىكُمْ فَاَصْبَحْتُمْ مِّنَ الْخٰسِرِیْنَ ۟
বস্তুত তোমাদের রবের ব্যাপারে এই কুধারণাই তোমাদেরকে ধ্বংস করেছে। ফলে তোমরা (ইহকাল ও পরকালে) ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলে।
فَاِنْ یَّصْبِرُوْا فَالنَّارُ مَثْوًی لَّهُمْ ؕ— وَاِنْ یَّسْتَعْتِبُوْا فَمَا هُمْ مِّنَ الْمُعْتَبِیْنَ ۟
অতঃপর তারা(১৪) ধৈর্যধারণ করলেও জাহান্নামই হবে তাদের আবাস। আর যদি তারা (আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য) ক্ষমাপ্রার্থনা ও অনুনয়-বিনয় করে, তবুও তারা সন্তুষ্টিপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে না।(১৫)
وَقَیَّضْنَا لَهُمْ قُرَنَآءَ فَزَیَّنُوْا لَهُمْ مَّا بَیْنَ اَیْدِیْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَحَقَّ عَلَیْهِمُ الْقَوْلُ فِیْۤ اُمَمٍ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِمْ مِّنَ الْجِنِّ وَالْاِنْسِ ۚ— اِنَّهُمْ كَانُوْا خٰسِرِیْنَ ۟۠
আর আমরা তাদের জন্য এমন সঙ্গী (শয়তান) নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম, যারা তাদের সামনে ও পেছনের (দুনিয়া ও আখিরাতের) কাজকে তাদের কাছে শোভনীয় করে দেখাত। আর তাদের ব্যাপারে সেই শাস্তির কথা সত্য হয়ে গেল, যেমনটি তাদের পূর্বে অতিবাহিত জিন ও মানুষের জাতিগুলোর ওপর সত্য হয়েছিল। নিশ্চয়ই তারা ছিল ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।(১৬)
وَقَالَ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا لَا تَسْمَعُوْا لِهٰذَا الْقُرْاٰنِ وَالْغَوْا فِیْهِ لَعَلَّكُمْ تَغْلِبُوْنَ ۟
আর কাফিররা বলত, ‘তোমরা এই কুরআন শুনো না এবং এতে (পড়ার সময়) হৈচৈ করো, যাতে তোমরা বিজয়ী হতে পারো।’
فَلَنُذِیْقَنَّ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا عَذَابًا شَدِیْدًا وَّلَنَجْزِیَنَّهُمْ اَسْوَاَ الَّذِیْ كَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ۟
আর যারা কুফর করেছে, আমরা অবশ্যই তাদেরকে কঠিন শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাব এবং তারা যে কাজ করত তার মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাজের প্রতিফল তাদেরকে অবশ্যই দেব।
ذٰلِكَ جَزَآءُ اَعْدَآءِ اللّٰهِ النَّارُ ۚ— لَهُمْ فِیْهَا دَارُ الْخُلْدِ ؕ— جَزَآءً بِمَا كَانُوْا بِاٰیٰتِنَا یَجْحَدُوْنَ ۟
এই জাহান্নাম, আল্লাহর দুশমনদের প্রতিদান। সেখানে তাদের জন্য থাকবে স্থায়ী আবাস, আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করার প্রতিফলস্বরূপ।
وَقَالَ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا رَبَّنَاۤ اَرِنَا الَّذَیْنِ اَضَلّٰنَا مِنَ الْجِنِّ وَالْاِنْسِ نَجْعَلْهُمَا تَحْتَ اَقْدَامِنَا لِیَكُوْنَا مِنَ الْاَسْفَلِیْنَ ۟
আর কাফিররা বলবে: ‘হে আমাদের রব! জিন ও মানুষের মধ্যে যারা আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে, তাদেরকে আমাদের দেখিয়ে দিন, আমরা তাদের উভয়কে আমাদের পায়ের নিচে রাখব, যাতে তারা নিকৃষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়।
اِنَّ الَّذِیْنَ قَالُوْا رَبُّنَا اللّٰهُ ثُمَّ اسْتَقَامُوْا تَتَنَزَّلُ عَلَیْهِمُ الْمَلٰٓىِٕكَةُ اَلَّا تَخَافُوْا وَلَا تَحْزَنُوْا وَاَبْشِرُوْا بِالْجَنَّةِ الَّتِیْ كُنْتُمْ تُوْعَدُوْنَ ۟
নিশ্চয় যারা বলে: ‘আল্লাহই আমাদের রব’। অতঃপর অবিচল থাকে। (মৃত্যুর সময়) ফিরিশতারা তাদের কাছে নাযিল হয় (এবং বলে,) ‘তোমরা ভীত হয়ো না, (১৭) দুশ্চিন্তা করো না এবং সেই জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ কর, যার ওয়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল।’
نَحْنُ اَوْلِیٰٓؤُكُمْ فِی الْحَیٰوةِ الدُّنْیَا وَفِی الْاٰخِرَةِ ۚ— وَلَكُمْ فِیْهَا مَا تَشْتَهِیْۤ اَنْفُسُكُمْ وَلَكُمْ فِیْهَا مَا تَدَّعُوْنَ ۟ؕ
‘আমরা দুনিয়ার জীবনে তোমাদের বন্ধু এবং আখিরাতেও। সেখানে (জান্নাতে) তোমাদের জন্য থাকবে, যা তোমাদের মন চাইবে এবং সেখানে তোমাদের জন্য আরো থাকবে, যা তোমরা কামনা করবে।
نُزُلًا مِّنْ غَفُوْرٍ رَّحِیْمٍ ۟۠
এটা পরম ক্ষমাশীল ও অতি দয়ালু আল্লাহর পক্ষ থেকে আপ্যায়নস্বরূপ।
وَمَنْ اَحْسَنُ قَوْلًا مِّمَّنْ دَعَاۤ اِلَی اللّٰهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَّقَالَ اِنَّنِیْ مِنَ الْمُسْلِمِیْنَ ۟
আর তার চেয়ে কার কথা উত্তম, যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, ‘অবশ্যই আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত?’
وَلَا تَسْتَوِی الْحَسَنَةُ وَلَا السَّیِّئَةُ ؕ— اِدْفَعْ بِالَّتِیْ هِیَ اَحْسَنُ فَاِذَا الَّذِیْ بَیْنَكَ وَبَیْنَهٗ عَدَاوَةٌ كَاَنَّهٗ وَلِیٌّ حَمِیْمٌ ۟
আর ভালো কাজ ও মন্দ কাজ সমান নয়। (মন্দকে) প্রতিহত করো এমন পন্থায় যা সর্বোত্তম; তখন দেখবে, তোমার ও যার মধ্যে শত্রুতা ছিল সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে গেছে।
وَمَا یُلَقّٰىهَاۤ اِلَّا الَّذِیْنَ صَبَرُوْا ۚ— وَمَا یُلَقّٰىهَاۤ اِلَّا ذُوْ حَظٍّ عَظِیْمٍ ۟
আর এটি তারাই লাভ করবে যারা ধৈর্যধারণ করবে, আর এর অধিকারী কেবল তারাই হয়, যারা মহা ভাগ্যবান।
وَاِمَّا یَنْزَغَنَّكَ مِنَ الشَّیْطٰنِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللّٰهِ ؕ— اِنَّهٗ هُوَ السَّمِیْعُ الْعَلِیْمُ ۟
আর যদি কখনো শয়তানের পক্ষ থেকে কোন কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহলে তুমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
وَمِنْ اٰیٰتِهِ الَّیْلُ وَالنَّهَارُ وَالشَّمْسُ وَالْقَمَرُ ؕ— لَا تَسْجُدُوْا لِلشَّمْسِ وَلَا لِلْقَمَرِ وَاسْجُدُوْا لِلّٰهِ الَّذِیْ خَلَقَهُنَّ اِنْ كُنْتُمْ اِیَّاهُ تَعْبُدُوْنَ ۟
আর আল্লাহর (১৮)নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে রাত ও দিন, সূর্য ও চাঁদ । (হে মানুষ) তোমরা সূর্যকে সাজদা করো না এবং চাঁদকেও নয়। বরং তোমরা একমাত্র আল্লাহকে সাজদা করো, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা প্রকৃতই তাঁরই ইবাদাত করে থাকো।
فَاِنِ اسْتَكْبَرُوْا فَالَّذِیْنَ عِنْدَ رَبِّكَ یُسَبِّحُوْنَ لَهٗ بِالَّیْلِ وَالنَّهَارِ وَهُمْ لَا یَسْـَٔمُوْنَ ۟
অতএব যদি তারা অহংকার করে(১৯); নিশ্চয়ই তোমার রবের নিকটবর্তী ফেরেশতারা দিন-রাত তাঁরই পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, আর তারা কখনো ক্লান্ত হয় না।
وَمِنْ اٰیٰتِهٖۤ اَنَّكَ تَرَی الْاَرْضَ خَاشِعَةً فَاِذَاۤ اَنْزَلْنَا عَلَیْهَا الْمَآءَ اهْتَزَّتْ وَرَبَتْ ؕ— اِنَّ الَّذِیْۤ اَحْیَاهَا لَمُحْیِ الْمَوْتٰی ؕ— اِنَّهٗ عَلٰی كُلِّ شَیْءٍ قَدِیْرٌ ۟
আল্লাহর আরেকটি নিদর্শন হল এই যে, তুমি জমিনকে দেখতে পাও শুষ্ক-অনুর্বর, অতঃপর যখন আমি তার ওপর (বৃষ্টির) পানি বর্ষণ করি, তখন তা (২০)নড়ে ওঠে ও বেড়ে ওঠে। নিশ্চয়ই যিনি জমিনকে জীবিত করেন তিনি মৃতদেরও (পুনরুত্থান ঘটিয়ে) জীবিতকারী। নিশ্চয় তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
اِنَّ الَّذِیْنَ یُلْحِدُوْنَ فِیْۤ اٰیٰتِنَا لَا یَخْفَوْنَ عَلَیْنَا ؕ— اَفَمَنْ یُّلْقٰی فِی النَّارِ خَیْرٌ اَمْ مَّنْ یَّاْتِیْۤ اٰمِنًا یَّوْمَ الْقِیٰمَةِ ؕ— اِعْمَلُوْا مَا شِئْتُمْ ۙ— اِنَّهٗ بِمَا تَعْمَلُوْنَ بَصِیْرٌ ۟
নিশ্চয় যারা আমার আয়াতসমূহের ব্যাপারে (২১) সত্য থেকে বিমুখ থাকে, তাদের অবস্থা আমার নিকট গোপন নয়। যাকে আগুনে নিক্ষেপ করা হবে সে কি উত্তম, না যে কিয়ামত দিবসে (শাস্তি থেকে) নিরাপদ হয়ে উপস্থিত হবে? হে মানুষ! তোমাদের যা ইচ্ছা আমল কর। নিশ্চয় তোমরা যা আমল করো, তিনি তার সম্যক দ্রষ্টা।
اِنَّ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا بِالذِّكْرِ لَمَّا جَآءَهُمْ ۚ— وَاِنَّهٗ لَكِتٰبٌ عَزِیْزٌ ۟ۙ
নিশ্চয় যারা উপদেশ (আল কুরআন) আসার পরও তা অস্বীকার করে (২২) ; আর এটি নিশ্চয় এক (সংরক্ষিত ও) সম্মানিত গ্রন্থ।
لَّا یَاْتِیْهِ الْبَاطِلُ مِنْ بَیْنِ یَدَیْهِ وَلَا مِنْ خَلْفِهٖ ؕ— تَنْزِیْلٌ مِّنْ حَكِیْمٍ حَمِیْدٍ ۟
এতে বাতিল অনুপ্রবেশ করতে পারে না, সামনের থেকেও না, পিছন থেকেও না। এটি প্রজ্ঞাময়, চিরপ্রশংসিত আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত।
مَا یُقَالُ لَكَ اِلَّا مَا قَدْ قِیْلَ لِلرُّسُلِ مِنْ قَبْلِكَ ؕ— اِنَّ رَبَّكَ لَذُوْ مَغْفِرَةٍ وَّذُوْ عِقَابٍ اَلِیْمٍ ۟
হে রাসূল! তোমাকে যা বলা হচ্ছে, তোমার পূর্ববর্তী রাসূলদেরকেও তাই বলা হয়েছিল।(২৩) নিশ্চয় তোমার রব একান্তই ক্ষমাশীল এবং (অপরাধীদের জন্যে) যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রদানকারী।
وَلَوْ جَعَلْنٰهُ قُرْاٰنًا اَعْجَمِیًّا لَّقَالُوْا لَوْلَا فُصِّلَتْ اٰیٰتُهٗ ؕ— ءَاَؔعْجَمِیٌّ وَّعَرَبِیٌّ ؕ— قُلْ هُوَ لِلَّذِیْنَ اٰمَنُوْا هُدًی وَّشِفَآءٌ ؕ— وَالَّذِیْنَ لَا یُؤْمِنُوْنَ فِیْۤ اٰذَانِهِمْ وَقْرٌ وَّهُوَ عَلَیْهِمْ عَمًی ؕ— اُولٰٓىِٕكَ یُنَادَوْنَ مِنْ مَّكَانٍ بَعِیْدٍ ۟۠
আর আমি যদি একে (আল কুরআনকে) অনারবী ভাষায় আল কুরআনরূপে নাযিল করতাম, তবে নিশ্চিতভাবেই তারা বলত: ‘এর আয়াতসমূহকে বিশদভাবে বর্ণিত হয়নি কেন? এটি অনারবী ভাষায় আর রাসূল আরবীভাষী! হে রাসূল! তুমি তাদেরকে বলো: ‘কুরআন মূলত মু’মিনদের জন্য হিদায়াত ও (অন্তরের রোগের) নিরাময়। আর যারা ঈমান আনে না, তাদের কানে রয়েছে বধিরতা(২৪) যেন আল কুরআন তাদের (অন্তরের) জন্য অন্ধত্ব (পর্দা) সরূপ। তাদেরকেই ডাকা হবে দূরবর্তী স্থান থেকে।(২৫)
وَلَقَدْ اٰتَیْنَا مُوْسَی الْكِتٰبَ فَاخْتُلِفَ فِیْهِ ؕ— وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَّبِّكَ لَقُضِیَ بَیْنَهُمْ وَاِنَّهُمْ لَفِیْ شَكٍّ مِّنْهُ مُرِیْبٍ ۟
আর অবশ্যই আমি মূসাকে (তাওরাত) কিতাব দিয়েছিলাম। অতঃপর তাতে মতভেদ করা হয়।(২৫) আর যদি তোমার রবের পক্ষ থেকে পূর্ব সিদ্ধান্ত না থাকতো(২৬), তবে এদের মধ্যে ফয়সালা হয়ে যেত। নিশ্চয় এরা এ সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর সন্দেহে নিমজ্জিত।
مَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِنَفْسِهٖ ۚ— وَمَنْ اَسَآءَ فَعَلَیْهَا ؕ— وَمَا رَبُّكَ بِظَلَّامٍ لِّلْعَبِیْدِ ۟
যে ব্যক্তি সৎকাজ করে সে তার নিজের জন্যই তা করে। আর যে অসৎকাজ করে তা (এর পরিণাম) তার ওপরই বর্তাবে। তোমার রব তাঁর বান্দাদের প্রতি মোটেই যুলমকারী নন।
اِلَیْهِ یُرَدُّ عِلْمُ السَّاعَةِ ؕ— وَمَا تَخْرُجُ مِنْ ثَمَرٰتٍ مِّنْ اَكْمَامِهَا وَمَا تَحْمِلُ مِنْ اُ وَلَا تَضَعُ اِلَّا بِعِلْمِهٖ ؕ— وَیَوْمَ یُنَادِیْهِمْ اَیْنَ شُرَكَآءِیْ ۙ— قَالُوْۤا اٰذَنّٰكَ ۙ— مَا مِنَّا مِنْ شَهِیْدٍ ۟ۚ
কিয়ামতের জ্ঞান কেবল আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তিত হয়।(২৭) তাঁর জ্ঞান ছাড়া কোনো ফল তার আবরণ থেকে বের হয় না, কোনো নারী গর্ভধারণ করে না এবং সন্তান প্রসবও করে না। আর যেদিন তিনি তাদেরকে ডেকে বলবেন: ‘আমার শরিকরা কোথায়?’ তখন তারা বলবে: ‘আমরা আপনার কাছে ঘোষণা করছি যে, আমাদের মধ্যে কেউই এর সাক্ষী নয়।’
وَضَلَّ عَنْهُمْ مَّا كَانُوْا یَدْعُوْنَ مِنْ قَبْلُ وَظَنُّوْا مَا لَهُمْ مِّنْ مَّحِیْصٍ ۟
আর পূর্বে যাদেরকে (যেসব মূর্তিকে) তারা (উপাস্য হিসেবে) ডাকত, তারা (সেদিন) তাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে যাবে এবং তারা বিশ্বাস করবে, তাদের পলায়নের কোন জায়গা নেই।
لَا یَسْـَٔمُ الْاِنْسَانُ مِنْ دُعَآءِ الْخَیْرِ ؗ— وَاِنْ مَّسَّهُ الشَّرُّ فَیَـُٔوْسٌ قَنُوْطٌ ۟
মানুষ কল্যাণ (২৮) প্রার্থনায় ক্লান্তি বোধ করে না; কিন্তু যদি অকল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তাহলে সে নিরাশ ও হতাশ হয়ে পড়ে।
وَلَىِٕنْ اَذَقْنٰهُ رَحْمَةً مِّنَّا مِنْ بَعْدِ ضَرَّآءَ مَسَّتْهُ لَیَقُوْلَنَّ هٰذَا لِیْ ۙ— وَمَاۤ اَظُنُّ السَّاعَةَ قَآىِٕمَةً ۙ— وَّلَىِٕنْ رُّجِعْتُ اِلٰی رَبِّیْۤ اِنَّ لِیْ عِنْدَهٗ لَلْحُسْنٰی ۚ— فَلَنُنَبِّئَنَّ الَّذِیْنَ كَفَرُوْا بِمَا عَمِلُوْا ؗ— وَلَنُذِیْقَنَّهُمْ مِّنْ عَذَابٍ غَلِیْظٍ ۟
আর আমি যদি তাকে দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করার পর রহমতের স্বাদ আস্বাদন করাই তখন সে অবশ্যই বলে থাকে, ‘এটি আমার প্রাপ্য, আমার মনে হয় না কিয়ামত সংঘটিত হবে। আর আমাকে যদি আমার রবের কাছে ফিরিয়েও নেয়া হয়; তবুও তার কাছে আমার জন্য শুধু কল্যাণই থাকবে।’ আল্লাহ বলেনঃ ‘অবশ্যই আমি কাফিরদেরকে তাদের আমল সম্পর্কে অবহিত করবো এবং অবশ্যই তাদেরকে (সে আমল অনুযায়ী) কঠিন শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাব।
وَاِذَاۤ اَنْعَمْنَا عَلَی الْاِنْسَانِ اَعْرَضَ وَنَاٰ بِجَانِبِهٖ ۚ— وَاِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ فَذُوْ دُعَآءٍ عَرِیْضٍ ۟
আর যখন আমি মানুষের প্রতি অনুগ্রহ করি তখন সে বিমুখ হয় এবং দূরে সরে যায়; আর যখন অকল্যাণ তাকে স্পর্শ করে তখন সে (তা থেকে বাঁচার জন্য) দীর্ঘ দু‘আকারী হয়ে যায়।
قُلْ اَرَءَیْتُمْ اِنْ كَانَ مِنْ عِنْدِ اللّٰهِ ثُمَّ كَفَرْتُمْ بِهٖ مَنْ اَضَلُّ مِمَّنْ هُوَ فِیْ شِقَاقٍ بَعِیْدٍ ۟
হে রাসূল! তুমি বলো: ‘তোমরা কি ভেবে দেখেছ, যদি তা (এই আল- কুরআন) আল্লাহর কাছ থেকে এসে থাকে আর তোমরা তা অস্বীকার কর(২৯); তবে তার চাইতে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে, যে ব্যক্তি (এর) ঘোর বিরোধিতায় লিপ্ত?’
سَنُرِیْهِمْ اٰیٰتِنَا فِی الْاٰفَاقِ وَفِیْۤ اَنْفُسِهِمْ حَتّٰی یَتَبَیَّنَ لَهُمْ اَنَّهُ الْحَقُّ ؕ— اَوَلَمْ یَكْفِ بِرَبِّكَ اَنَّهٗ عَلٰی كُلِّ شَیْءٍ شَهِیْدٌ ۟
অচিরেই আমি তাদেরকে বিশ্বজগতে ও তাদের নিজেদের মধ্যে আমার নিদর্শনাবলি দেখাবো, যাতে তাদের কাছে সুস্পষ্ট হয় যে, এটি সত্য। হে রাসূল! তোমার রবের সম্পর্কে এটা কি যথেষ্ট নয় যে, তিনি সকল বিষয়েই সাক্ষী?(৩০)
اَلَاۤ اِنَّهُمْ فِیْ مِرْیَةٍ مِّنْ لِّقَآءِ رَبِّهِمْ ؕ— اَلَاۤ اِنَّهٗ بِكُلِّ شَیْءٍ مُّحِیْطٌ ۟۠
জেনে রাখ, নিশ্চয় তারা (মুশরিকরা) তাদের রবের সাক্ষাতের বিষয়ে সন্দেহে রয়েছে; জেনে রাখ, নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন।
দোকানের সফটওয়্যারেই কুরআন পড়া, শোনা, দৈনিক লক্ষ্য আর নামাজের রিমাইন্ডার — আপনার আর স্টাফদের জন্য।
৭ দিনের ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুন কার্ড লাগবে না · যেকোনো সময় বন্ধ করা যায়