اَلرَّحْمٰنُ ۟ۙ
আর-রহমান (পরম করুণাময় আল্লাহ),
The Beneficent · 78 আয়াত
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۟
اَلرَّحْمٰنُ ۟ۙ
আর-রহমান (পরম করুণাময় আল্লাহ),
عَلَّمَ الْقُرْاٰنَ ۟ؕ
তিনি (মানুষকে) শিক্ষা দিয়েছেন আল- কুরআন,
خَلَقَ الْاِنْسَانَ ۟ۙ
তিনি সৃষ্টি করেছেন মানুষ ,
عَلَّمَهُ الْبَیَانَ ۟
তিনি তাকে শিখিয়েছেন ভাষা।(১)
اَلشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ ۟ۙ
সূর্য ও চন্দ্র সুনির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী চলমান।
وَّالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ یَسْجُدٰنِ ۟
আকাশের নক্ষত্রমণ্ডলী এবং পৃথিবীর বৃক্ষরাজি উভয় সিজদা করে।
وَالسَّمَآءَ رَفَعَهَا وَوَضَعَ الْمِیْزَانَ ۟ۙ
আর তিনি আকাশকে সমুন্নত করেছেন এবং দাঁড়িপাল্লা স্থাপন করেছেন।
اَلَّا تَطْغَوْا فِی الْمِیْزَانِ ۟
যাতে তোমরা ওজনে তথা দাঁড়িপাল্লায় সীমালঙ্ঘন না করো।
وَاَقِیْمُوا الْوَزْنَ بِالْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا الْمِیْزَانَ ۟
আর তোমরা সঠিক ওজন কায়িম করো এবং ওজনকৃত বস্তু কম দিও না।
وَالْاَرْضَ وَضَعَهَا لِلْاَنَامِ ۟ۙ
আর তিনি জমিনকে সৃষ্টজীবের (বসবাসের) জন্য বিছিয়ে দিয়েছেন।
فِیْهَا فَاكِهَةٌ وَّالنَّخْلُ ذَاتُ الْاَكْمَامِ ۟ۖ
তাতে রয়েছে ফলমূল ও খেজুরগাছ, যার খেজুর আবরণযুক্ত।
وَالْحَبُّ ذُو الْعَصْفِ وَالرَّیْحَانُ ۟ۚ
তাতে আরও আছে খোসাযুক্ত শস্যদানা ও সুগন্ধিযুক্ত ফুল।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং (হে মানুষ ও জিন) তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
خَلَقَ الْاِنْسَانَ مِنْ صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِ ۟ۙ
তিনি মানুষকে (আদমকে) সৃষ্টি করেছেন শুষ্ক ঠনঠনে মাটি থেকে, যা পোড়া মাটির ন্যায়।
وَخَلَقَ الْجَآنَّ مِنْ مَّارِجٍ مِّنْ نَّارٍ ۟ۚ
আর তিনি জিনকে সৃষ্টি করেছেন ধোঁয়াবিহীন অগ্নিশিখা থেকে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
رَبُّ الْمَشْرِقَیْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَیْنِ ۟ۚ
তিনিই (২) দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের রব।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, (৩) তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
مَرَجَ الْبَحْرَیْنِ یَلْتَقِیٰنِ ۟ۙ
তিনি (মিঠা ও লোনা) দুই সমুদ্রকে প্রবাহিত করেন, যারা পরস্পর মিলিত হয়।
بَیْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا یَبْغِیٰنِ ۟ۚ
উভয়ের মধ্যে রয়েছে এক অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করতে পারে না।(৪)
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
یَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ ۟ۚ
উভয় সমুদ্র থেকে উৎপন্ন হয় মণিমুক্তা ও প্রবাল।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
وَلَهُ الْجَوَارِ الْمُنْشَاٰتُ فِی الْبَحْرِ كَالْاَعْلَامِ ۟ۚ
আর সমুদ্রে বিচরণকারী পর্বতসম সুউচ্চ জাহাজসমূহ তাঁরই।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟۠
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
كُلُّ مَنْ عَلَیْهَا فَانٍ ۟ۚۖ
এর (পৃথিবীর) ওপর যারা আছে, সবাই ধ্বংসশীল।
وَّیَبْقٰی وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلٰلِ وَالْاِكْرَامِ ۟ۚ
আর অবশিষ্ট থাকবে শুধু তোমার রবের চেহারা (সত্তা), যিনি মহামহিম ও মহানুভব।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
یَسْـَٔلُهٗ مَنْ فِی السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ ؕ— كُلَّ یَوْمٍ هُوَ فِیْ شَاْنٍ ۟ۚ
আসমানসমূহ ও জমিনে যারা রয়েছে, সবাই তাঁর কাছে চায়। প্রতিদিন তিনি কোন না কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজে রত থাকেন।,৫)
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
سَنَفْرُغُ لَكُمْ اَیُّهَ الثَّقَلٰنِ ۟ۚ
হে মানুষ ও জিন জাতি! আমি অচিরেই তোমাদের (হিসাব-নিকাশ গ্রহণের) প্রতি মনোনিবেশ করবো।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
یٰمَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْاِنْسِ اِنِ اسْتَطَعْتُمْ اَنْ تَنْفُذُوْا مِنْ اَقْطَارِ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ فَانْفُذُوْا ؕ— لَا تَنْفُذُوْنَ اِلَّا بِسُلْطٰنٍ ۟ۚ
হে জিন ও মানবজাতি! যদি তোমাদের আসমানসমূহ ও জমিনের সীমানা অতিক্রম করার সাধ্য থাকে, তবে অতিক্রম করো; কিন্তু তোমরা তো (আল্লাহর দেয়া) শক্তি (ও ছাড়পত্র) ছাড়া অতিক্রম করতে পারবে না।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
یُرْسَلُ عَلَیْكُمَا شُوَاظٌ مِّنْ نَّارٍ ۙ۬— وَّنُحَاسٌ فَلَا تَنْتَصِرٰنِ ۟ۚ
(৬) তোমাদের উভয়ের প্রতি প্রেরণ করা হবে (ধুঁয়াবিহীন) অগ্নিশিখা ও (অগ্নিবিহীন) কালো ধোঁয়া, তখন তোমরা প্রতিরোধ করতে পারবে না।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فَاِذَا انْشَقَّتِ السَّمَآءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ ۟ۚ
অতঃপর যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে, তখন তা গলিত তেলের মতো (উজ্জ্বল) লাল গোলাপের ন্যায় হয়ে যাবে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, (হে মানুষ ও জিন) তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فَیَوْمَىِٕذٍ لَّا یُسْـَٔلُ عَنْ ذَنْۢبِهٖۤ اِنْسٌ وَّلَا جَآنٌّ ۟ۚ
অতঃপর সেদিন না মানুষকে তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, না জিনকে।(৭)
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
یُعْرَفُ الْمُجْرِمُوْنَ بِسِیْمٰهُمْ فَیُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِیْ وَالْاَقْدَامِ ۟ۚ
(কিয়ামত দিবসে) অপরাধীদেরকে তাদের চেহারার চিহ্ন দ্বারা চেনা যাবে।(৮) অতঃপর তাদেরকে মাথার অগ্রভাগের চুল ও পা বেঁধে (৯) নেয়া হবে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
هٰذِهٖ جَهَنَّمُ الَّتِیْ یُكَذِّبُ بِهَا الْمُجْرِمُوْنَ ۟ۘ
(৯) এটাই সে জাহান্নাম, যাকে অপরাধীরা (দুনিয়াতে) অস্বীকার করত।
یَطُوْفُوْنَ بَیْنَهَا وَبَیْنَ حَمِیْمٍ اٰنٍ ۟ۚ
তারা ঘুরতে থাকবে জাহান্নাম ও ফুটন্ত পানির মধ্যে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟۠
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهٖ جَنَّتٰنِ ۟ۚ
আর যে ব্যক্তি তার রবের সামনে দাঁড়াতে ভয় করে(১০), তার জন্য থাকবে দু’টি জান্নাত।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟ۙ
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
ذَوَاتَاۤ اَفْنَانٍ ۟ۚ
উভয় জান্নাতই হবে বহু ফলদার শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیْهِمَا عَیْنٰنِ تَجْرِیٰنِ ۟ۚ
উভয় জান্নাতে থাকবে প্রবহমান দু’টি ঝর্ণাধারা।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیْهِمَا مِنْ كُلِّ فَاكِهَةٍ زَوْجٰنِ ۟ۚ
উভয় বাগানের প্রত্যেক ফল থাকবে দু’ প্রকারের।(১১)
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, (হে মানুষ ও জিন) তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
مُتَّكِـِٕیْنَ عَلٰی فُرُشٍ بَطَآىِٕنُهَا مِنْ اِسْتَبْرَقٍ ؕ— وَجَنَا الْجَنَّتَیْنِ دَانٍ ۟ۚ
সেখানে তারা পুরু রেশমের আস্তরবিশিষ্ট বিছানায় হেলান দেয়া অবস্থায় থাকবে এবং উভয় জান্নাত থেকে ফল-ফলাদি আহরণ করবে, যা থাকবে খুবই নিকটবর্তী।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیْهِنَّ قٰصِرٰتُ الطَّرْفِ ۙ— لَمْ یَطْمِثْهُنَّ اِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَآنٌّ ۟ۚ
সেখানে থাকবে স্বামীর প্রতি দৃষ্টি সীমাবদ্ধকারী রমণীগণ, যাদেরকে ইতঃপূর্বে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর না কোনো জিন।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
كَاَنَّهُنَّ الْیَاقُوْتُ وَالْمَرْجَانُ ۟ۚ
(১২) তারা যেন হীরা ও প্রবাল।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
هَلْ جَزَآءُ الْاِحْسَانِ اِلَّا الْاِحْسَانُ ۟ۚ
উত্তম কাজের প্রতিদান উত্তম পুরস্কার ছাড়া আর কী হতে পারে?
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, (হে মানুষ ও জিন) তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
وَمِنْ دُوْنِهِمَا جَنَّتٰنِ ۟ۚ
আর ঐ দু’টি জান্নাত ছাড়াও (সেখানে) আরো দু’টি জান্নাত রয়েছে।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟ۙ
সুতরাং, তোমরা উভয়ে তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
مُدْهَآمَّتٰنِ ۟ۚ
জান্নাত দু’টি ঘন ও সবুজ।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟ۚ
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیْهِمَا عَیْنٰنِ نَضَّاخَتٰنِ ۟ۚ
সে দুই জান্নাতে থাকবে দুটি উচ্ছ্বসিত ঝর্ণাধারা।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟ۚ
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیْهِمَا فَاكِهَةٌ وَّنَخْلٌ وَّرُمَّانٌ ۟ۚ
এ দু’টিতে থাকবে প্রচুর ফলমূল, খেজুর ও আনার।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟ۚ
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
فِیْهِنَّ خَیْرٰتٌ حِسَانٌ ۟ۚ
সেসব জান্নাতে রয়েছে সচ্চরিত্রা ও সুন্দরী নারীরা।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
حُوْرٌ مَّقْصُوْرٰتٌ فِی الْخِیَامِ ۟ۚ
সেখানে থাকবে তাঁবুসমূহে সংরক্ষিত হুরগণ।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
لَمْ یَطْمِثْهُنَّ اِنْسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَآنٌّ ۟ۚ
যাদেরকে ইতঃপূর্বে স্পর্শ করেনি কোন মানুষ আর না কোন জিন।
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
مُتَّكِـِٕیْنَ عَلٰی رَفْرَفٍ خُضْرٍ وَّعَبْقَرِیٍّ حِسَانٍ ۟ۚ
সেখানে তারা সবুজ বালিশে ও সুন্দর উৎকৃষ্ট গালিচার উপর হেলান দিয়ে থাকবে
فَبِاَیِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبٰنِ ۟
সুতরাং, (হে মানুষ ও জিন) তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নি‘আমতকে অস্বীকার করবে?
تَبٰرَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِی الْجَلٰلِ وَالْاِكْرَامِ ۟۠
অতি মাহাত্ম্য ও বরকতময় তোমার রবের নাম, যিনি (১৩) মহামহিম ও মহানুভব।
দোকানের সফটওয়্যারেই কুরআন পড়া, শোনা, দৈনিক লক্ষ্য আর নামাজের রিমাইন্ডার — আপনার আর স্টাফদের জন্য।
৭ দিনের ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুন কার্ড লাগবে না · যেকোনো সময় বন্ধ করা যায়