اِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ ۟ۙ
যখন (অবিশ্যম্ভাবী) কিয়ামত সংঘটিত হবে।
The Inevitable · 96 আয়াত
بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ ۟
اِذَا وَقَعَتِ الْوَاقِعَةُ ۟ۙ
যখন (অবিশ্যম্ভাবী) কিয়ামত সংঘটিত হবে।
لَیْسَ لِوَقْعَتِهَا كَاذِبَةٌ ۟ۘ
(তখন) কেউ তার সংঘটিত হওয়ার অস্বীকারকারী থাকবে না।(১)
خَافِضَةٌ رَّافِعَةٌ ۟ۙ
তা কাউকে (২) ভূলুণ্ঠিত করবে এবং কাউকে(৩) সমুন্নত করবে।(৪)
اِذَا رُجَّتِ الْاَرْضُ رَجًّا ۟ۙ
যখন প্রবল প্রকম্পনে জমিন প্রকম্পিত হবে।
وَّبُسَّتِ الْجِبَالُ بَسًّا ۟ۙ
আর পর্বতমালাকে সম্পূর্ণরূপে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়া হবে।
فَكَانَتْ هَبَآءً مُّنْۢبَثًّا ۟ۙ
অতঃপর তা বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত হবে।
وَّكُنْتُمْ اَزْوَاجًا ثَلٰثَةً ۟ؕ
আর (সেদিন) তোমরা তিন দলে বিভক্ত হয়ে পড়বে।
فَاَصْحٰبُ الْمَیْمَنَةِ ۙ۬— مَاۤ اَصْحٰبُ الْمَیْمَنَةِ ۟ؕ
(প্রথমত) সুতরাং ডান দিকের দল(৫), ডান দিকের দলটি কত সৌভাগ্যবান!
وَاَصْحٰبُ الْمَشْـَٔمَةِ ۙ۬— مَاۤ اَصْحٰبُ الْمَشْـَٔمَةِ ۟ؕ
(দ্বিতীয়ত) আর বাম দিকের দল(৬); আর বাম দিকের দলটি কত হতভাগা!
وَالسّٰبِقُوْنَ السّٰبِقُوْنَ ۟ۙ
(তৃতীয়ত) আর (৭) অগ্রগামীরাই (৮) অগ্রগামী হবে।
اُولٰٓىِٕكَ الْمُقَرَّبُوْنَ ۟ۚ
তারাই আল্লাহর নৈকট্যপ্ৰাপ্ত।
فِیْ جَنّٰتِ النَّعِیْمِ ۟
তারা নিআমতপূর্ণ জান্নাতসমূহে অবস্থান করবে।
ثُلَّةٌ مِّنَ الْاَوَّلِیْنَ ۟ۙ
তাদের একদল হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে,
وَقَلِیْلٌ مِّنَ الْاٰخِرِیْنَ ۟ؕ
আর অল্পসংখ্যক হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।(১৩)
عَلٰی سُرُرٍ مَّوْضُوْنَةٍ ۟ۙ
সুসজ্জিত আসনসমূহের ওপর।
مُّتَّكِـِٕیْنَ عَلَیْهَا مُتَقٰبِلِیْنَ ۟
তারা সেখানে পরস্পর মুখোমুখি হয়ে হেলান দিয়ে বসবে।
یَطُوْفُ عَلَیْهِمْ وِلْدَانٌ مُّخَلَّدُوْنَ ۟ۙ
তাদের আশ-পাশে (সেবার উদ্দেশ্যে) ঘোরাফেরা করবে চির কিশোররা,
بِاَكْوَابٍ وَّاَبَارِیْقَ ۙ۬— وَكَاْسٍ مِّنْ مَّعِیْنٍ ۟ۙ
পানপাত্র, জগ ও প্রবাহিত ঝর্ণার শরাবপূর্ণ পেয়ালা নিয়ে (তারা প্রদক্ষিণ করবে)।
لَّا یُصَدَّعُوْنَ عَنْهَا وَلَا یُنْزِفُوْنَ ۟ۙ
সে শরাব পানে না তাদের মাথা ব্যথা করবে, আর না তারা মাতাল হবে।(১৪)
وَفَاكِهَةٍ مِّمَّا یَتَخَیَّرُوْنَ ۟ۙ
আর (এসব কিশোরেরা) তাদের পছন্দমত ফল নিয়ে (ঘোরাফেরা করবে)।
وَلَحْمِ طَیْرٍ مِّمَّا یَشْتَهُوْنَ ۟ؕ
আর (ওদের সামনে ঘুরে বেড়াবে) পাখির গোশত নিয়ে, যা তারা কামনা করবে।
وَحُوْرٌ عِیْنٌ ۟ۙ
আর তাদের জন্য থাকবে ডাগরচোখা হূর।
كَاَمْثَالِ اللُّؤْلُو الْمَكْنُوْنِ ۟ۚ
যেন তারা (১৫) সুরক্ষিত মনি-মুক্তা।
جَزَآءً بِمَا كَانُوْا یَعْمَلُوْنَ ۟
(এগুলো ) তারা যে আমল করতো তার প্রতিদানস্বরূপ।
لَا یَسْمَعُوْنَ فِیْهَا لَغْوًا وَّلَا تَاْثِیْمًا ۟ۙ
তারা সেখানে শুনতে পাবে না কোন অর্থহীন কথা, এবং না কোন পাপের কথা;
اِلَّا قِیْلًا سَلٰمًا سَلٰمًا ۟
শুধু এই বাণী ছাড়া, ‘সালাম, সালাম’ (শান্তি, নিরবচ্ছিন্ন শান্তি)।
وَاَصْحٰبُ الْیَمِیْنِ ۙ۬— مَاۤ اَصْحٰبُ الْیَمِیْنِ ۟ؕ
আর ডান দিকের দল; কত ভাগ্যবান ডান দিকের দল!
فِیْ سِدْرٍ مَّخْضُوْدٍ ۟ۙ
তারা থাকবে কাঁটাবিহীন কুলগাছের নিচে,
وَّطَلْحٍ مَّنْضُوْدٍ ۟ۙ
আর কাঁদিপূর্ণ কলাগাছের নিচে,
وَّظِلٍّ مَّمْدُوْدٍ ۟ۙ
আর বিস্তৃত ছায়ায়(১৬),
وَّمَآءٍ مَّسْكُوْبٍ ۟ۙ
আর সদা প্রবাহিত পানির পাশে,
وَّفَاكِهَةٍ كَثِیْرَةٍ ۟ۙ
আর প্রচুর ফলমূলে,
لَّا مَقْطُوْعَةٍ وَّلَا مَمْنُوْعَةٍ ۟ۙ
যার সরবরাহ কখনো শেষ হবে না এবং (যার আহরণ কখনো) নিষিদ্ধও হবে না।
وَّفُرُشٍ مَّرْفُوْعَةٍ ۟ؕ
আর (তারা থাকবে) সুউচ্চ শয্যাসমূহে;
اِنَّاۤ اَنْشَاْنٰهُنَّ اِنْشَآءً ۟ۙ
নিশ্চয় আমি (উল্লিখিত) হূরদেরকে বিশেষভাবে সৃষ্টি করেছি।
فَجَعَلْنٰهُنَّ اَبْكَارًا ۟ۙ
অতঃপর তাদেরকে আমি বানিয়েছি চির-কুমারী (১৭),
عُرُبًا اَتْرَابًا ۟ۙ
সোহাগিনী ও সমবয়সী।
لِّاَصْحٰبِ الْیَمِیْنِ ۟ؕ۠
(তাদেরকে সৃষ্টি করেছি) ডানদিকের লোকদের জন্য।
ثُلَّةٌ مِّنَ الْاَوَّلِیْنَ ۟ۙ
তাদের অনেকেই হবে পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে।
وَثُلَّةٌ مِّنَ الْاٰخِرِیْنَ ۟ؕ
এবং তাদের অনেকে হবে পরবর্তীদের মধ্য থেকে।
وَاَصْحٰبُ الشِّمَالِ ۙ۬— مَاۤ اَصْحٰبُ الشِّمَالِ ۟ؕ
আর বাম দিকের দল, কত হতভাগ্য বাম দিকের দল!(১৮)
فِیْ سَمُوْمٍ وَّحَمِیْمٍ ۟ۙ
তারা থাকবে তীব্র গরম হাওয়া এবং প্রচণ্ড উত্তপ্ত পানিতে,
وَّظِلٍّ مِّنْ یَّحْمُوْمٍ ۟ۙ
আর প্রচণ্ড কালো ধোঁয়ার ছায়ায়,
لَّا بَارِدٍ وَّلَا كَرِیْمٍ ۟
যা শীতলও নয়, আরামদায়কও নয়।
اِنَّهُمْ كَانُوْا قَبْلَ ذٰلِكَ مُتْرَفِیْنَ ۟ۚۖ
নিশ্চয় তারা ইতঃপূর্বে ভোগ-বিলাসিতায় মগ্ন ছিল।
وَكَانُوْا یُصِرُّوْنَ عَلَی الْحِنْثِ الْعَظِیْمِ ۟ۚ
আর তারা অবিরাম জঘন্য পাপে (১৯) লিপ্ত থাকত।
وَكَانُوْا یَقُوْلُوْنَ ۙ۬— اَىِٕذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا وَّعِظَامًا ءَاِنَّا لَمَبْعُوْثُوْنَ ۟ۙ
আর তারা (পুনরুত্থানকে অস্বীকার করে) বলতো: ‘আমরা যখন মরে যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হবো, তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হবো?’
اَوَاٰبَآؤُنَا الْاَوَّلُوْنَ ۟
‘আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষরাও (কি পুনরুত্থিত হবে)?’
قُلْ اِنَّ الْاَوَّلِیْنَ وَالْاٰخِرِیْنَ ۟ۙ
হে রাসূল! তুমি বলো: ‘নিশ্চয় পূর্ববর্তীরা ও পরবর্তীরা,
لَمَجْمُوْعُوْنَ ۙ۬— اِلٰی مِیْقَاتِ یَوْمٍ مَّعْلُوْمٍ ۟
সবাইকে একত্র করা হবে একটি নির্ধারিত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে।
ثُمَّ اِنَّكُمْ اَیُّهَا الضَّآلُّوْنَ الْمُكَذِّبُوْنَ ۟ۙ
তারপর হে পথভ্রষ্ট ও অস্বীকারকারীরা,
لَاٰكِلُوْنَ مِنْ شَجَرٍ مِّنْ زَقُّوْمٍ ۟ۙ
অবশ্যই তোমরা যাক্কূম (২০) বৃক্ষ থেকে ফল ভক্ষণ করবে।
فَمَالِـُٔوْنَ مِنْهَا الْبُطُوْنَ ۟ۚ
অতঃপর তোমরা তা দিয়ে পেট ভর্তি করবে।
فَشٰرِبُوْنَ عَلَیْهِ مِنَ الْحَمِیْمِ ۟ۚ
তদুপরি পান করবে প্রচণ্ড উত্তপ্ত পানি।
فَشٰرِبُوْنَ شُرْبَ الْهِیْمِ ۟ؕ
অতঃপর তোমরা প্রচুর পরিমাণে তা পান করবে, তৃষ্ণার্ত উটের ন্যায়।
هٰذَا نُزُلُهُمْ یَوْمَ الدِّیْنِ ۟ؕ
প্রতিফল দিবসে এই হবে তাদের মেহমানদারী,
نَحْنُ خَلَقْنٰكُمْ فَلَوْلَا تُصَدِّقُوْنَ ۟
আমিই তোমাদেরকে (অনস্তিত্ব থেকে) সৃষ্টি করেছি: তাহলে কেন তোমরা তা বিশ্বাস করছ না? (২১)
اَفَرَءَیْتُمْ مَّا تُمْنُوْنَ ۟ؕ
তোমরা কি ভেবে দেখেছো, (স্ত্রীদের গর্ভাশয়ে) তোমরা যে বীর্যপাত করছ সে সম্পর্কে?
ءَاَنْتُمْ تَخْلُقُوْنَهٗۤ اَمْ نَحْنُ الْخٰلِقُوْنَ ۟
তোমরা কি এ বীর্য সৃষ্টি করো, না আমিই তার স্রষ্টা?
نَحْنُ قَدَّرْنَا بَیْنَكُمُ الْمَوْتَ وَمَا نَحْنُ بِمَسْبُوْقِیْنَ ۟ۙ
আমি তোমাদের জন্য মৃত্যু নির্ধারণ করেছি।(২২) আর আমি অক্ষম নই,
عَلٰۤی اَنْ نُّبَدِّلَ اَمْثَالَكُمْ وَنُنْشِئَكُمْ فِیْ مَا لَا تَعْلَمُوْنَ ۟
তোমাদের পরিবর্তে তোমাদের অনুরূপ অন্যদের আনতে এবং তোমাদের এমন এক সৃষ্টিতে সৃষ্টি করতে, যা তোমরা জানো না।
وَلَقَدْ عَلِمْتُمُ النَّشْاَةَ الْاُوْلٰی فَلَوْلَا تَذَكَّرُوْنَ ۟
আর অবশ্যই তোমরা প্রথম সৃষ্টি সম্পর্কে অবগত হয়েছো, তবে কেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ করছ না?
اَفَرَءَیْتُمْ مَّا تَحْرُثُوْنَ ۟ؕ
তোমরা কি চিন্তা করে দেখেছো, তোমরা (২৩) জমিনে যা (বীজ) বপন করো সে সম্পর্কে?
ءَاَنْتُمْ تَزْرَعُوْنَهٗۤ اَمْ نَحْنُ الزّٰرِعُوْنَ ۟
তোমরা তা অঙ্কুরিত কর, না আমি অঙ্কুরিত করি?
لَوْ نَشَآءُ لَجَعَلْنٰهُ حُطَامًا فَظَلْتُمْ تَفَكَّهُوْنَ ۟
আমি চাইলে তা খড়-কুটায় পরিণত করতে পারি, (তা দেখে) তখন তোমরা হতভম্ব হয়ে পড়বে,
اِنَّا لَمُغْرَمُوْنَ ۟ۙ
নিশ্চয়ই আমরা তো মহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছি।
بَلْ نَحْنُ مَحْرُوْمُوْنَ ۟
‘বরং আমরা হৃত-সর্বস্ব হয়ে পড়েছি।’(২৪)
اَفَرَءَیْتُمُ الْمَآءَ الَّذِیْ تَشْرَبُوْنَ ۟ؕ
তোমরা কি ভেবে দেখেছো, তোমরা যে পানি পান করো সে সম্পর্কে?
ءَاَنْتُمْ اَنْزَلْتُمُوْهُ مِنَ الْمُزْنِ اَمْ نَحْنُ الْمُنْزِلُوْنَ ۟
মেঘমালা থেকে তোমরা কি তা বর্ষণ কর, না আমি বৃষ্টি বর্ষণকারী?
لَوْ نَشَآءُ جَعَلْنٰهُ اُجَاجًا فَلَوْلَا تَشْكُرُوْنَ ۟
আমি ইচ্ছা করলে তা লবণাক্ত করে দিতে পারি; তবুও কেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো না?
اَفَرَءَیْتُمُ النَّارَ الَّتِیْ تُوْرُوْنَ ۟ؕ
তোমরা যে আগুন জ্বালাও সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছো কি?
ءَاَنْتُمْ اَنْشَاْتُمْ شَجَرَتَهَاۤ اَمْ نَحْنُ الْمُنْشِـُٔوْنَ ۟
তোমরাই কি এর গাছ (লাকড়ি) উৎপাদন করো, না আমি সৃষ্টি করি?
نَحْنُ جَعَلْنٰهَا تَذْكِرَةً وَّمَتَاعًا لِّلْمُقْوِیْنَ ۟ۚ
আমি এ আগুনকে করেছি তোমাদের জন্য উপদেশ(২৫) ও মরুচারীদের প্রয়োজনীয় বস্তু।
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِیْمِ ۟
অতএব, তুমি তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ করো।
فَلَاۤ اُقْسِمُ بِمَوٰقِعِ النُّجُوْمِ ۟ۙ
সুতরাং আমি শপথ করছি নক্ষত্ররাজির অস্তাচলের,
وَاِنَّهٗ لَقَسَمٌ لَّوْ تَعْلَمُوْنَ عَظِیْمٌ ۟ۙ
আর নিশ্চয় এটি এক মহা শপথ, যদি তোমরা জানতে(২৬),
اِنَّهٗ لَقُرْاٰنٌ كَرِیْمٌ ۟ۙ
নিশ্চয় এটি মহিমান্বিত আল-কুরআন,
فِیْ كِتٰبٍ مَّكْنُوْنٍ ۟ۙ
যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে (আল-লাওহুল মাহফূযে),
لَّا یَمَسُّهٗۤ اِلَّا الْمُطَهَّرُوْنَ ۟ؕ
পবিত্রগণ ছাড়া কেউ তা স্পর্শ করবে না।
تَنْزِیْلٌ مِّنْ رَّبِّ الْعٰلَمِیْنَ ۟
এটা (আল-কুরআন) সৃষ্টিকুলের রবের কাছ থেকে নাযিলকৃত।
اَفَبِهٰذَا الْحَدِیْثِ اَنْتُمْ مُّدْهِنُوْنَ ۟ۙ
তবুও কি তোমরা এ বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করছো?
وَتَجْعَلُوْنَ رِزْقَكُمْ اَنَّكُمْ تُكَذِّبُوْنَ ۟
আর একে মিথ্যারোপ করাকেই তোমরা তোমাদের রিযক বানিয়ে নিয়েছো!(২৭)
فَلَوْلَاۤ اِذَا بَلَغَتِ الْحُلْقُوْمَ ۟ۙ
সুতরাং, কেন নয়- যখন রূহ কণ্ঠনালীতে পৌঁছে যায়? (২৮)
وَاَنْتُمْ حِیْنَىِٕذٍ تَنْظُرُوْنَ ۟ۙ
আর তখন তোমরা কেবল (মুমূর্ষু ব্যক্তির প্রতি) চেয়ে থাকো।
وَنَحْنُ اَقْرَبُ اِلَیْهِ مِنْكُمْ وَلٰكِنْ لَّا تُبْصِرُوْنَ ۟
আর তোমাদের চাইতে আমি তার খুব কাছে; কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না।(২৯)
فَلَوْلَاۤ اِنْ كُنْتُمْ غَیْرَ مَدِیْنِیْنَ ۟ۙ
আচ্ছা,যদি তোমাদের পুনুরুত্থান ও হিসাব-নিকাশ না হওয়াই ঠিক হয় (যেমনটি তোমরা ধারনা করো),
تَرْجِعُوْنَهَاۤ اِنْ كُنْتُمْ صٰدِقِیْنَ ۟
তাহলে তোমরা এই আত্মাকে ফিরাও না কেন? যদি তোমরা সত্যবাদী হও!
فَاَمَّاۤ اِنْ كَانَ مِنَ الْمُقَرَّبِیْنَ ۟ۙ
অতঃপর সে যদি (আল্লাহর) নৈকট্যপ্রাপ্তদের একজন হয়,
فَرَوْحٌ وَّرَیْحَانٌ ۙ۬— وَّجَنَّتُ نَعِیْمٍ ۟
তবে তার জন্য থাকবে অফুরন্তু সুখ-শান্তি বিশ্রাম, উত্তম জীবনোপকরণ ও নি‘আমতে ভরপুর জান্নাত।
وَاَمَّاۤ اِنْ كَانَ مِنْ اَصْحٰبِ الْیَمِیْنِ ۟ۙ
আর যদি সে ডানদিকের (৩০) একজন হয়,
فَسَلٰمٌ لَّكَ مِنْ اَصْحٰبِ الْیَمِیْنِ ۟
তবে (তাকে বলা হবেঃ), ‘তোমাকে সালাম, যেহেতু তুমি ডানদিকের (ডানপন্থী বা ডান দলের) একজন।’
وَاَمَّاۤ اِنْ كَانَ مِنَ الْمُكَذِّبِیْنَ الضَّآلِّیْنَ ۟ۙ
আর সে যদি (আল্লাহকে) অস্বীকারকারী ও পথভ্রষ্ট দলের একজন হয়,
فَنُزُلٌ مِّنْ حَمِیْمٍ ۟ۙ
তবে তার মেহমানদারী হবে প্রচণ্ড উত্তপ্ত পানি দিয়ে,
وَّتَصْلِیَةُ جَحِیْمٍ ۟
আর সে জাহান্নামের আগুনে দগ্ধ হবে।
اِنَّ هٰذَا لَهُوَ حَقُّ الْیَقِیْنِ ۟ۚ
নিশ্চয় এটা সুনিশ্চিত সত্য।
فَسَبِّحْ بِاسْمِ رَبِّكَ الْعَظِیْمِ ۟۠
অতএব তুমি তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ করো।
দোকানের সফটওয়্যারেই কুরআন পড়া, শোনা, দৈনিক লক্ষ্য আর নামাজের রিমাইন্ডার — আপনার আর স্টাফদের জন্য।
৭ দিনের ফ্রি ট্রায়াল শুরু করুন কার্ড লাগবে না · যেকোনো সময় বন্ধ করা যায়